আল-আকসায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, ৮ মুসলিম দেশের নিন্দা

আল-আকসায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, ৮ মুসলিম দেশের নিন্দা
সিটিজেন ডেস্ক

জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান। একই সঙ্গে পবিত্র স্থানটির ওপর জর্ডানের ঐতিহাসিক ও আইনি এখতিয়ার বজায় রাখার পক্ষে জোরালো আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো।
বুধবার (৩ জুন) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় পবিত্র প্রাঙ্গণে যে ধরনের অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসন চালানো হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মন্ত্রীরা জেরুজালেমের ইসলামিক ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের যেকোনো ইসরায়েলি অপচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং আল-আকসা কমপ্লেক্সের ওপর জর্ডানের ঐতিহ্যগত তত্ত্বাবধানের অধিকারকে পুনর্বহাল করার তাগিদ দেন।
বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জোর দিয়ে বলেন, আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সটি সম্পূর্ণভাবে কেবল মুসলমানদের জন্যই একটি পবিত্র উপাসনালয়। সামরিক পাহারায় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে সেখানে চলমান ক্রমাগত নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য তারা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতাবস্থা বা ব্যবস্থার অধীনে আল-আকসা পরিচালিত হয়ে আসছে, যা এর একচেটিয়া ইসলামিক ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করে এসেছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, জর্ডান ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছিল ইসলামিক ওয়াকফ এ কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা তদারকি করবে এবং ইসরায়েল কেবল এর বাহ্যিক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে। নিয়ম অনুযায়ী অমুসলিমরা নির্দিষ্ট সময়ে স্থানটি পরিদর্শন করতে পারলেও সেখানে তাদের প্রার্থনা করার কোনো অনুমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পাহারায় উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর নেপথ্যে একটি গভীর ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তের তথ্য সামনে এনেছে সংবাদমাধ্যম 'মিডল ইস্ট আই' (এমইই)। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে আল-আকসা মসজিদের ওপর থেকে জর্ডানের ঐতিহাসিক তত্ত্বাবধানের অধিকার কেড়ে নিতে পর্দার আড়ালে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। গোপন সূত্রের বরাতে জানানো হয়, প্রস্তাবিত নতুন পরিকল্পনায় এ পবিত্র মুসলিম স্থানটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ইসরায়েলি স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত করার ছক আঁকা হয়েছে। মার্কিন, জর্ডানীয় ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পশ্চিমা ও উপসাগরীয় আরব সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, জ্যারেড কুশনার এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবির সমর্থনপুষ্ট এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য জর্ডান-সমর্থিত ইসলামিক ওয়াকফের কর্তৃত্বের অবসান ঘটানো। এর পরিবর্তে ইসরায়েল সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি নতুন সংস্থা গঠন করে আল-আকসা মসজিদকে একটি বহু-ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করার পাঁয়তারা চলছে। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান। একই সঙ্গে পবিত্র স্থানটির ওপর জর্ডানের ঐতিহাসিক ও আইনি এখতিয়ার বজায় রাখার পক্ষে জোরালো আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো।
বুধবার (৩ জুন) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় পবিত্র প্রাঙ্গণে যে ধরনের অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসন চালানো হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মন্ত্রীরা জেরুজালেমের ইসলামিক ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের যেকোনো ইসরায়েলি অপচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং আল-আকসা কমপ্লেক্সের ওপর জর্ডানের ঐতিহ্যগত তত্ত্বাবধানের অধিকারকে পুনর্বহাল করার তাগিদ দেন।
বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জোর দিয়ে বলেন, আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সটি সম্পূর্ণভাবে কেবল মুসলমানদের জন্যই একটি পবিত্র উপাসনালয়। সামরিক পাহারায় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে সেখানে চলমান ক্রমাগত নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য তারা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতাবস্থা বা ব্যবস্থার অধীনে আল-আকসা পরিচালিত হয়ে আসছে, যা এর একচেটিয়া ইসলামিক ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করে এসেছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, জর্ডান ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছিল ইসলামিক ওয়াকফ এ কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা তদারকি করবে এবং ইসরায়েল কেবল এর বাহ্যিক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে। নিয়ম অনুযায়ী অমুসলিমরা নির্দিষ্ট সময়ে স্থানটি পরিদর্শন করতে পারলেও সেখানে তাদের প্রার্থনা করার কোনো অনুমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পাহারায় উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর নেপথ্যে একটি গভীর ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তের তথ্য সামনে এনেছে সংবাদমাধ্যম 'মিডল ইস্ট আই' (এমইই)। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে আল-আকসা মসজিদের ওপর থেকে জর্ডানের ঐতিহাসিক তত্ত্বাবধানের অধিকার কেড়ে নিতে পর্দার আড়ালে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। গোপন সূত্রের বরাতে জানানো হয়, প্রস্তাবিত নতুন পরিকল্পনায় এ পবিত্র মুসলিম স্থানটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ইসরায়েলি স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত করার ছক আঁকা হয়েছে। মার্কিন, জর্ডানীয় ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পশ্চিমা ও উপসাগরীয় আরব সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, জ্যারেড কুশনার এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবির সমর্থনপুষ্ট এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য জর্ডান-সমর্থিত ইসলামিক ওয়াকফের কর্তৃত্বের অবসান ঘটানো। এর পরিবর্তে ইসরায়েল সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি নতুন সংস্থা গঠন করে আল-আকসা মসজিদকে একটি বহু-ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করার পাঁয়তারা চলছে। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আল-আকসায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, ৮ মুসলিম দেশের নিন্দা
সিটিজেন ডেস্ক

জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান। একই সঙ্গে পবিত্র স্থানটির ওপর জর্ডানের ঐতিহাসিক ও আইনি এখতিয়ার বজায় রাখার পক্ষে জোরালো আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো।
বুধবার (৩ জুন) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় পবিত্র প্রাঙ্গণে যে ধরনের অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসন চালানো হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মন্ত্রীরা জেরুজালেমের ইসলামিক ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের যেকোনো ইসরায়েলি অপচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং আল-আকসা কমপ্লেক্সের ওপর জর্ডানের ঐতিহ্যগত তত্ত্বাবধানের অধিকারকে পুনর্বহাল করার তাগিদ দেন।
বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জোর দিয়ে বলেন, আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সটি সম্পূর্ণভাবে কেবল মুসলমানদের জন্যই একটি পবিত্র উপাসনালয়। সামরিক পাহারায় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে সেখানে চলমান ক্রমাগত নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য তারা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতাবস্থা বা ব্যবস্থার অধীনে আল-আকসা পরিচালিত হয়ে আসছে, যা এর একচেটিয়া ইসলামিক ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করে এসেছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, জর্ডান ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছিল ইসলামিক ওয়াকফ এ কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা তদারকি করবে এবং ইসরায়েল কেবল এর বাহ্যিক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে। নিয়ম অনুযায়ী অমুসলিমরা নির্দিষ্ট সময়ে স্থানটি পরিদর্শন করতে পারলেও সেখানে তাদের প্রার্থনা করার কোনো অনুমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পাহারায় উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর নেপথ্যে একটি গভীর ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তের তথ্য সামনে এনেছে সংবাদমাধ্যম 'মিডল ইস্ট আই' (এমইই)। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে আল-আকসা মসজিদের ওপর থেকে জর্ডানের ঐতিহাসিক তত্ত্বাবধানের অধিকার কেড়ে নিতে পর্দার আড়ালে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। গোপন সূত্রের বরাতে জানানো হয়, প্রস্তাবিত নতুন পরিকল্পনায় এ পবিত্র মুসলিম স্থানটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ইসরায়েলি স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত করার ছক আঁকা হয়েছে। মার্কিন, জর্ডানীয় ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পশ্চিমা ও উপসাগরীয় আরব সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, জ্যারেড কুশনার এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবির সমর্থনপুষ্ট এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য জর্ডান-সমর্থিত ইসলামিক ওয়াকফের কর্তৃত্বের অবসান ঘটানো। এর পরিবর্তে ইসরায়েল সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি নতুন সংস্থা গঠন করে আল-আকসা মসজিদকে একটি বহু-ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করার পাঁয়তারা চলছে। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

কঠোর প্রতিবন্ধকতার পরও আল-আকসা মসজিদে ৬০ হাজার ফিলিস্তিনির নামাজ আদায়
যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ‘সম্মতি দিয়েই’ লেবাননে হামলা ইসরায়েলের

