হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধে সমস্যা বাড়তে পারে ভারতের

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধে সমস্যা বাড়তে পারে ভারতের
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মাঝে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে কার্যকর হয়েছে মার্কিন নৌ অবরোধ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা যেকোনো জাহাজের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হচ্ছে।
এর আগে এক হুঁশিয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের কোনো হামলাকারী জাহাজ মার্কিন নৌ অবরোধের সীমানায় এলে সেগুলোকে সরাসরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত শান্তি আলোচনায় দুই দেশ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পরই এমন কঠোর সামরিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পথে হাঁটে হোয়াইট হাউস। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়েছে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, যেসব জাহাজ ইরানের কোনো বন্দরের উদ্দেশে যাতায়াত করছে না, সেগুলোর পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।
এদিকে কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। অবরোধের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সাথে সাথেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩৭ ডলারে দাঁড়ায় এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের দাম ৮.৩ শতাংশ লাফিয়ে ১০৪.৫৬ ডলারে পৌঁছায়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ত্রিমুখী উত্তেজনায় বিশ্ব অর্থনীতি এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
তেলের আকাশচুম্বী দামের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে আয়ারল্যান্ডে দেশব্যাপী ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে দেশটির সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর ধার্য করা কর কমানোর বিষয়ে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র: বিবিসি

ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মাঝে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে কার্যকর হয়েছে মার্কিন নৌ অবরোধ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা যেকোনো জাহাজের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হচ্ছে।
এর আগে এক হুঁশিয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের কোনো হামলাকারী জাহাজ মার্কিন নৌ অবরোধের সীমানায় এলে সেগুলোকে সরাসরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত শান্তি আলোচনায় দুই দেশ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পরই এমন কঠোর সামরিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পথে হাঁটে হোয়াইট হাউস। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়েছে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, যেসব জাহাজ ইরানের কোনো বন্দরের উদ্দেশে যাতায়াত করছে না, সেগুলোর পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।
এদিকে কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। অবরোধের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সাথে সাথেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩৭ ডলারে দাঁড়ায় এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের দাম ৮.৩ শতাংশ লাফিয়ে ১০৪.৫৬ ডলারে পৌঁছায়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ত্রিমুখী উত্তেজনায় বিশ্ব অর্থনীতি এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
তেলের আকাশচুম্বী দামের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে আয়ারল্যান্ডে দেশব্যাপী ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে দেশটির সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর ধার্য করা কর কমানোর বিষয়ে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র: বিবিসি

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধে সমস্যা বাড়তে পারে ভারতের
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মাঝে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে কার্যকর হয়েছে মার্কিন নৌ অবরোধ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা যেকোনো জাহাজের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হচ্ছে।
এর আগে এক হুঁশিয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের কোনো হামলাকারী জাহাজ মার্কিন নৌ অবরোধের সীমানায় এলে সেগুলোকে সরাসরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত শান্তি আলোচনায় দুই দেশ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পরই এমন কঠোর সামরিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পথে হাঁটে হোয়াইট হাউস। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়েছে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, যেসব জাহাজ ইরানের কোনো বন্দরের উদ্দেশে যাতায়াত করছে না, সেগুলোর পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।
এদিকে কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। অবরোধের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সাথে সাথেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩৭ ডলারে দাঁড়ায় এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের দাম ৮.৩ শতাংশ লাফিয়ে ১০৪.৫৬ ডলারে পৌঁছায়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ত্রিমুখী উত্তেজনায় বিশ্ব অর্থনীতি এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
তেলের আকাশচুম্বী দামের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে আয়ারল্যান্ডে দেশব্যাপী ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে দেশটির সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর ধার্য করা কর কমানোর বিষয়ে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র: বিবিসি




