মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন নিয়ে যা জানালো ইতালি

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন নিয়ে যা জানালো ইতালি
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইতালির সরকার। তবে বিরোধীদের সেই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো। তিনি জানিয়েছেন, এই সামরিক মিশনের কাঠামো ও বিস্তারিত তথ্য পার্লামেন্টকে আগেই জানানো হয়েছিল। তাই এখানে তথ্য গোপনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে ইতালীয় বিমান বাহিনীর প্রায় ৪০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট আকাশসীমা সুরক্ষায় সহায়তার জন্য তাদের সঙ্গে চারটি ‘ইউরোফাইটার’ যুদ্ধবিমানও পাঠানো হয়েছে। মূলত উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো আকাশ ও ড্রোন-প্রতিরোধী সহায়তা চাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার এই পদক্ষেপ নেয়।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধী দল। তাদের অভিযোগ, বিদেশে সামরিক অভিযানের জন্য সরকারের যে নির্দিষ্ট আইনি এখতিয়ার রয়েছে, সৌদি আরবে সেনা পাঠিয়ে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টের অনুমোদন না নেওয়াকে নিয়মের তোয়াক্কা না করার শামিল বলেও মনে করছেন বিরোধী আইনপ্রণেতারা।
বিরোধী শিবিরের এ দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইতালির ক্ষমতাসীন দল ‘ব্রাদার্স অফ ইতালি’-র নেতা ক্রোসেত্তো। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মিশনটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং সব তথ্য আগেই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। যেসব বিরোধী নেতা না জানার অজুহাত দিচ্ছেন, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকলেই তারা সঠিক তথ্য দেখতে পেতেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
সম্প্রতি ইতালির দৈনিক পত্রিকা ‘ইল জিয়োর্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উপসাগরীয় এলাকায় প্রায় ৭০০ সেনা এবং যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘সারফেস-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাডার ও ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থার কথা স্বীকার করলেও ওই ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করেনি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর প্রথম ইউরোপীয় নেতা হিসেবে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। এর পর থেকেই মূলত ওই অঞ্চলের মিত্রদের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে শুরু করে ইতালি।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইতালির সরকার। তবে বিরোধীদের সেই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো। তিনি জানিয়েছেন, এই সামরিক মিশনের কাঠামো ও বিস্তারিত তথ্য পার্লামেন্টকে আগেই জানানো হয়েছিল। তাই এখানে তথ্য গোপনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে ইতালীয় বিমান বাহিনীর প্রায় ৪০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট আকাশসীমা সুরক্ষায় সহায়তার জন্য তাদের সঙ্গে চারটি ‘ইউরোফাইটার’ যুদ্ধবিমানও পাঠানো হয়েছে। মূলত উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো আকাশ ও ড্রোন-প্রতিরোধী সহায়তা চাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার এই পদক্ষেপ নেয়।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধী দল। তাদের অভিযোগ, বিদেশে সামরিক অভিযানের জন্য সরকারের যে নির্দিষ্ট আইনি এখতিয়ার রয়েছে, সৌদি আরবে সেনা পাঠিয়ে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টের অনুমোদন না নেওয়াকে নিয়মের তোয়াক্কা না করার শামিল বলেও মনে করছেন বিরোধী আইনপ্রণেতারা।
বিরোধী শিবিরের এ দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইতালির ক্ষমতাসীন দল ‘ব্রাদার্স অফ ইতালি’-র নেতা ক্রোসেত্তো। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মিশনটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং সব তথ্য আগেই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। যেসব বিরোধী নেতা না জানার অজুহাত দিচ্ছেন, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকলেই তারা সঠিক তথ্য দেখতে পেতেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
সম্প্রতি ইতালির দৈনিক পত্রিকা ‘ইল জিয়োর্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উপসাগরীয় এলাকায় প্রায় ৭০০ সেনা এবং যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘সারফেস-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাডার ও ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থার কথা স্বীকার করলেও ওই ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করেনি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর প্রথম ইউরোপীয় নেতা হিসেবে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। এর পর থেকেই মূলত ওই অঞ্চলের মিত্রদের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে শুরু করে ইতালি।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন নিয়ে যা জানালো ইতালি
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইতালির সরকার। তবে বিরোধীদের সেই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো। তিনি জানিয়েছেন, এই সামরিক মিশনের কাঠামো ও বিস্তারিত তথ্য পার্লামেন্টকে আগেই জানানো হয়েছিল। তাই এখানে তথ্য গোপনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে ইতালীয় বিমান বাহিনীর প্রায় ৪০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট আকাশসীমা সুরক্ষায় সহায়তার জন্য তাদের সঙ্গে চারটি ‘ইউরোফাইটার’ যুদ্ধবিমানও পাঠানো হয়েছে। মূলত উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো আকাশ ও ড্রোন-প্রতিরোধী সহায়তা চাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার এই পদক্ষেপ নেয়।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধী দল। তাদের অভিযোগ, বিদেশে সামরিক অভিযানের জন্য সরকারের যে নির্দিষ্ট আইনি এখতিয়ার রয়েছে, সৌদি আরবে সেনা পাঠিয়ে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টের অনুমোদন না নেওয়াকে নিয়মের তোয়াক্কা না করার শামিল বলেও মনে করছেন বিরোধী আইনপ্রণেতারা।
বিরোধী শিবিরের এ দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইতালির ক্ষমতাসীন দল ‘ব্রাদার্স অফ ইতালি’-র নেতা ক্রোসেত্তো। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মিশনটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং সব তথ্য আগেই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। যেসব বিরোধী নেতা না জানার অজুহাত দিচ্ছেন, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকলেই তারা সঠিক তথ্য দেখতে পেতেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
সম্প্রতি ইতালির দৈনিক পত্রিকা ‘ইল জিয়োর্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উপসাগরীয় এলাকায় প্রায় ৭০০ সেনা এবং যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘সারফেস-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাডার ও ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থার কথা স্বীকার করলেও ওই ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করেনি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর প্রথম ইউরোপীয় নেতা হিসেবে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। এর পর থেকেই মূলত ওই অঞ্চলের মিত্রদের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে শুরু করে ইতালি।
সূত্র: রয়টার্স

চীন ইরানকে অস্ত্র দিলে হতাশ হবো: ট্রাম্প
ইরানে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর খবর অস্বীকার চীনের


-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)




