শিশুদের কোরআন শেখতে যেভাবে উৎসাহিত করবেন

শিশুদের কোরআন শেখতে যেভাবে উৎসাহিত করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

শৈশবে যদি কোরআন শেখার এই পবিত্র প্রক্রিয়াটি অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ভয়ভীতি বা শারীরিক শাসনের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তবে অবচেতনভাবেই শিশুর মনে আজীবনের জন্য এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। কোরআন নিছক কোনো পাঠ্যবই নয়, এটি হৃদয়ের খোরাক। তাই শিশুকে ভীতি নয়, বরং অপার ভালোবাসা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে কোরআনের সঙ্গে পরিচয় করে তুলতে হবে।
শিশুদের সামনে শুরুতেই পরকালীন কঠিন শাস্তির কথা তুলে না ধরে মহান আল্লাহর অসীম দয়া, অফুরন্ত নেয়ামত, বেহেশতের অপরূপ সৌন্দর্য এবং প্রিয় নবীর স্নেহশীল চরিত্রের গল্প বলতে হবে। কোরআনকে তাদের সামনে এক পরম নির্ভরতা ও শান্তির বার্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।
রাসুল (সা.) শিক্ষাদান ও ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রে সহজতার পথ বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা মানুষের জন্য সহজ করো, কঠিন কোরো না; সুসংবাদ দাও, বিমুখ ও আতঙ্কিত কোরো না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৯)
একটি শিশু বাইরে যা শোনে, তার চেয়ে ঘরে যা দেখে তা থেকে বেশি শেখে। শিশু যদি দেখে তার বাবা-মা মুখে কোরআনের কথা বলছেন কিন্তু আচরণে রাগ, অসততা বা অধৈর্য প্রকাশ করছেন, তবে তার মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
পক্ষান্তরে পরিবারে যখন নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সত্যবাদিতা, পারস্পরিক সহানুভূতি ও কৃতজ্ঞতার জীবন্ত চর্চা থাকে, তখন শিশু বইয়ের পাতার বাণীর সঙ্গে বাস্তব জীবনের মেলবন্ধন খুঁজে পায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবেই কোরআনকে ভালোবাসতে শেখে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল তা-ই, যা নিয়মিত পালন করা হয়—যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪৬৫)
কোরআন পড়ার সময়টি যেন শিশুর কাছে আতঙ্কের না হয়ে আনন্দের উপলক্ষ হয়। কোনো অবস্থাতেই রুক্ষ ব্যবহার, ধমক বা শারীরিক প্রহারের মুখোমুখি শিশুকে করা যাবে না।
রাসুল (সা.) কোমলতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘যে কাজের মধ্যেই নম্রতা ও কোমলতা থাকে, তা সেই কাজকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে; আর যে কাজ থেকে কোমলতা কেড়ে নেওয়া হয়, তা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৯৪)
কোরআন শিক্ষার মূল লক্ষ্য শুধু কিছু আরবি অক্ষরের উচ্চারণ বা মুখস্থ করানো নয়; বরং সন্তানের হৃদয়ের গহীনে আল্লাহর বাণীর নূর প্রজ্জ্বলিত করা।

শৈশবে যদি কোরআন শেখার এই পবিত্র প্রক্রিয়াটি অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ভয়ভীতি বা শারীরিক শাসনের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তবে অবচেতনভাবেই শিশুর মনে আজীবনের জন্য এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। কোরআন নিছক কোনো পাঠ্যবই নয়, এটি হৃদয়ের খোরাক। তাই শিশুকে ভীতি নয়, বরং অপার ভালোবাসা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে কোরআনের সঙ্গে পরিচয় করে তুলতে হবে।
শিশুদের সামনে শুরুতেই পরকালীন কঠিন শাস্তির কথা তুলে না ধরে মহান আল্লাহর অসীম দয়া, অফুরন্ত নেয়ামত, বেহেশতের অপরূপ সৌন্দর্য এবং প্রিয় নবীর স্নেহশীল চরিত্রের গল্প বলতে হবে। কোরআনকে তাদের সামনে এক পরম নির্ভরতা ও শান্তির বার্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।
রাসুল (সা.) শিক্ষাদান ও ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রে সহজতার পথ বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা মানুষের জন্য সহজ করো, কঠিন কোরো না; সুসংবাদ দাও, বিমুখ ও আতঙ্কিত কোরো না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৯)
একটি শিশু বাইরে যা শোনে, তার চেয়ে ঘরে যা দেখে তা থেকে বেশি শেখে। শিশু যদি দেখে তার বাবা-মা মুখে কোরআনের কথা বলছেন কিন্তু আচরণে রাগ, অসততা বা অধৈর্য প্রকাশ করছেন, তবে তার মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
পক্ষান্তরে পরিবারে যখন নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সত্যবাদিতা, পারস্পরিক সহানুভূতি ও কৃতজ্ঞতার জীবন্ত চর্চা থাকে, তখন শিশু বইয়ের পাতার বাণীর সঙ্গে বাস্তব জীবনের মেলবন্ধন খুঁজে পায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবেই কোরআনকে ভালোবাসতে শেখে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল তা-ই, যা নিয়মিত পালন করা হয়—যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪৬৫)
কোরআন পড়ার সময়টি যেন শিশুর কাছে আতঙ্কের না হয়ে আনন্দের উপলক্ষ হয়। কোনো অবস্থাতেই রুক্ষ ব্যবহার, ধমক বা শারীরিক প্রহারের মুখোমুখি শিশুকে করা যাবে না।
রাসুল (সা.) কোমলতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘যে কাজের মধ্যেই নম্রতা ও কোমলতা থাকে, তা সেই কাজকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে; আর যে কাজ থেকে কোমলতা কেড়ে নেওয়া হয়, তা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৯৪)
কোরআন শিক্ষার মূল লক্ষ্য শুধু কিছু আরবি অক্ষরের উচ্চারণ বা মুখস্থ করানো নয়; বরং সন্তানের হৃদয়ের গহীনে আল্লাহর বাণীর নূর প্রজ্জ্বলিত করা।

শিশুদের কোরআন শেখতে যেভাবে উৎসাহিত করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

শৈশবে যদি কোরআন শেখার এই পবিত্র প্রক্রিয়াটি অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ভয়ভীতি বা শারীরিক শাসনের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তবে অবচেতনভাবেই শিশুর মনে আজীবনের জন্য এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। কোরআন নিছক কোনো পাঠ্যবই নয়, এটি হৃদয়ের খোরাক। তাই শিশুকে ভীতি নয়, বরং অপার ভালোবাসা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে কোরআনের সঙ্গে পরিচয় করে তুলতে হবে।
শিশুদের সামনে শুরুতেই পরকালীন কঠিন শাস্তির কথা তুলে না ধরে মহান আল্লাহর অসীম দয়া, অফুরন্ত নেয়ামত, বেহেশতের অপরূপ সৌন্দর্য এবং প্রিয় নবীর স্নেহশীল চরিত্রের গল্প বলতে হবে। কোরআনকে তাদের সামনে এক পরম নির্ভরতা ও শান্তির বার্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।
রাসুল (সা.) শিক্ষাদান ও ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রে সহজতার পথ বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা মানুষের জন্য সহজ করো, কঠিন কোরো না; সুসংবাদ দাও, বিমুখ ও আতঙ্কিত কোরো না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৯)
একটি শিশু বাইরে যা শোনে, তার চেয়ে ঘরে যা দেখে তা থেকে বেশি শেখে। শিশু যদি দেখে তার বাবা-মা মুখে কোরআনের কথা বলছেন কিন্তু আচরণে রাগ, অসততা বা অধৈর্য প্রকাশ করছেন, তবে তার মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
পক্ষান্তরে পরিবারে যখন নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সত্যবাদিতা, পারস্পরিক সহানুভূতি ও কৃতজ্ঞতার জীবন্ত চর্চা থাকে, তখন শিশু বইয়ের পাতার বাণীর সঙ্গে বাস্তব জীবনের মেলবন্ধন খুঁজে পায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবেই কোরআনকে ভালোবাসতে শেখে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল তা-ই, যা নিয়মিত পালন করা হয়—যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪৬৫)
কোরআন পড়ার সময়টি যেন শিশুর কাছে আতঙ্কের না হয়ে আনন্দের উপলক্ষ হয়। কোনো অবস্থাতেই রুক্ষ ব্যবহার, ধমক বা শারীরিক প্রহারের মুখোমুখি শিশুকে করা যাবে না।
রাসুল (সা.) কোমলতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘যে কাজের মধ্যেই নম্রতা ও কোমলতা থাকে, তা সেই কাজকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে; আর যে কাজ থেকে কোমলতা কেড়ে নেওয়া হয়, তা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৯৪)
কোরআন শিক্ষার মূল লক্ষ্য শুধু কিছু আরবি অক্ষরের উচ্চারণ বা মুখস্থ করানো নয়; বরং সন্তানের হৃদয়ের গহীনে আল্লাহর বাণীর নূর প্রজ্জ্বলিত করা।


-CznNewsLab-07cdb0-480x270.webp)




-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)

