রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-2c9955.jpg)
দুঃখ, বেদনা, ভালোবাসা, রাগ মানুষের বিমূর্ত বা আবেগীয় বিষয়। সবার ভেতরেই এগুলো থাকে। তবে কারও কম, আবার কারও বেশি। অনেকেই রেগে গিয়ে নিজের ক্ষতি করে বসেন। আবার অনেকে করেন ভাঙচুর। কেউবা উচ্চস্বরে চিৎকার করেন আবার অনেকে গায়ে হাতও তুলে ফেলেন। অতিরিক্ত এই রাগের প্রভাব শুধু ব্যক্তিজীবনেই নয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনেও পড়ে। তাই এর প্রভাব কমাতে জেনে নিন কিছু উপায়।
কথা বলার আগে ভাবুন
বলা হয়ে থাকে, বুলেট আর মানুষের মুখের কথা একবার বের হয়ে গেলে আর ফেরত আনা যায় না। তাই প্রচণ্ড রাগের বশে চেষ্টা করতে হবে কোনো কিছু না বলতে। কারণ এমন সময় মানুষ না ভেবে অনেক কিছু বলে থাকে। এতে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। মুহূর্তের উত্তেজনায় বলা কিছু কথা অনুশোচনার জন্ম দিতে পারে।
দ্রুত স্থান ত্যাগ করুন
দেখা গেলো কোনো একটা ঘটনার কারণে আপনি প্রচণ্ড রেগে আছেন। কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না। এমন মুহূর্তে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা ভালো। এতে আপনি পরাজিত হবেন না, বরং রাগের বিরুদ্ধে জয়ীই হয়েছেন। আর যদি স্থান ত্যাগ করা সম্ভব না হয়, তবে অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন। বসে অথবা শুয়ে থাকতে পারেন।
বিরতি দিন
দিন বা রাতের যে সময় চাপ অনুভব করেন, সেই মুহূর্তে নিজের কাজ থেকে ছোট একটি বিরতি নিন। এই নীরবতা বিরক্ত বা রাগান্বিত না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।
লিখে রাখুন
আপনি কেন রাগ করছেন, কোন পরিস্থিতিতে রাগ করছেন সেটা লিখে রাখতে পারেন। পরে বারবার নোটটি পড়বেন। এই পদ্ধতি আপনাকে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি যোগাবে।
ব্যায়াম করুন
রাগ কমানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো শরীরচর্চা। ধরুন আপনি কারও ওপর খুব রেগে আছেন, তখন দ্রুত হাঁটুন বা দৌড়ান। অথবা অন্য কোনোভাবে শারীরিক কসরত করুন। এতে নিজের অজান্তেই আপনার রাগ কমে যাবে। ঘাড় ও কাঁধ ঘোরানোর মতো সহজ ব্যায়াম রাগ কমাতে সাহায্য করে।
গভীর শ্বাস নিন
মানুষের যখন রাগ বাড়ে, তখন নিশ্বাস সাধারণ ছোট ও দ্রুত হয়। এটা কমাতে হবে। এক্ষেত্রে নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ছাড়ুন। অথবা চোখ বন্ধ করে নিজেকে একটি শান্ত পরিবেশে কল্পনা করুন। কিছুক্ষণ চুপ থাকুন।
উল্টো গণনা
রাগ কমানোর বহুল প্রচলিত প্রক্রিয়া হলো উল্টো করে গণনা করা। একটু কম রাগ হলে ১০ বা ২০ থেকে উল্টো গণনা করতে পারেন। আর যদি বেশি রাগ হয়, তবে ১০০ থেকে ১ এর দিকে গণনা করতে করতে আসুন। এটি সাময়িকভাবে আপনার মনোযোগকে সরিয়ে দেবে।
সম্ভাব্য সমাধানগুলো চিহ্নিত করুন
রাগের কারণ খুঁজে বের করুন। এরপর সম্ভাব্য সমাধান ভাবুন। মানে যেই মানুষটির ওপর রেগে আছেন, তার দিকে মনোযোগ না দিয়ে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করুন। নিজেকে মনে করিয়ে দিন, রাগ কন্ট্রোল না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। কথা বলার ধরনে পরিবর্তন আনুন। তাহলে রাগ কন্ট্রোলে চলে আসবে।
খাবার খান
কারও ওপর প্রচণ্ড রেগে আছেন, কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না- এক্ষেত্রে সেখান থেকে দ্রুত সিটকে পড়ুন। কোনো একটা রেস্টুরেন্টে বা হোটেলে যান। গিয়ে ভরপেট খাবার খান। এতে আপনার রাগ মুহূর্তেই উধাও হয়ে যেতে পারে।
ক্ষমা করতে শিখুন
বলা হয়ে থাকে ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। রাগ ও অন্যের ওপর নেতিবাচক অনুভূতিকে ইতিবাচক অনুভূতিতে পরিবর্তন করুন। এতে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে থাকা সম্ভব। যার ওপরে রাগ, তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন। মুখের ওপরে বলে যদি কাউকে ক্ষমা করতে না-ও পারেন, তবে অন্তর থেকে ক্ষমা করুন।
-CznNewsLab-2c9955.jpg)
দুঃখ, বেদনা, ভালোবাসা, রাগ মানুষের বিমূর্ত বা আবেগীয় বিষয়। সবার ভেতরেই এগুলো থাকে। তবে কারও কম, আবার কারও বেশি। অনেকেই রেগে গিয়ে নিজের ক্ষতি করে বসেন। আবার অনেকে করেন ভাঙচুর। কেউবা উচ্চস্বরে চিৎকার করেন আবার অনেকে গায়ে হাতও তুলে ফেলেন। অতিরিক্ত এই রাগের প্রভাব শুধু ব্যক্তিজীবনেই নয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনেও পড়ে। তাই এর প্রভাব কমাতে জেনে নিন কিছু উপায়।
কথা বলার আগে ভাবুন
বলা হয়ে থাকে, বুলেট আর মানুষের মুখের কথা একবার বের হয়ে গেলে আর ফেরত আনা যায় না। তাই প্রচণ্ড রাগের বশে চেষ্টা করতে হবে কোনো কিছু না বলতে। কারণ এমন সময় মানুষ না ভেবে অনেক কিছু বলে থাকে। এতে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। মুহূর্তের উত্তেজনায় বলা কিছু কথা অনুশোচনার জন্ম দিতে পারে।
দ্রুত স্থান ত্যাগ করুন
দেখা গেলো কোনো একটা ঘটনার কারণে আপনি প্রচণ্ড রেগে আছেন। কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না। এমন মুহূর্তে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা ভালো। এতে আপনি পরাজিত হবেন না, বরং রাগের বিরুদ্ধে জয়ীই হয়েছেন। আর যদি স্থান ত্যাগ করা সম্ভব না হয়, তবে অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন। বসে অথবা শুয়ে থাকতে পারেন।
বিরতি দিন
দিন বা রাতের যে সময় চাপ অনুভব করেন, সেই মুহূর্তে নিজের কাজ থেকে ছোট একটি বিরতি নিন। এই নীরবতা বিরক্ত বা রাগান্বিত না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।
লিখে রাখুন
আপনি কেন রাগ করছেন, কোন পরিস্থিতিতে রাগ করছেন সেটা লিখে রাখতে পারেন। পরে বারবার নোটটি পড়বেন। এই পদ্ধতি আপনাকে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি যোগাবে।
ব্যায়াম করুন
রাগ কমানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো শরীরচর্চা। ধরুন আপনি কারও ওপর খুব রেগে আছেন, তখন দ্রুত হাঁটুন বা দৌড়ান। অথবা অন্য কোনোভাবে শারীরিক কসরত করুন। এতে নিজের অজান্তেই আপনার রাগ কমে যাবে। ঘাড় ও কাঁধ ঘোরানোর মতো সহজ ব্যায়াম রাগ কমাতে সাহায্য করে।
গভীর শ্বাস নিন
মানুষের যখন রাগ বাড়ে, তখন নিশ্বাস সাধারণ ছোট ও দ্রুত হয়। এটা কমাতে হবে। এক্ষেত্রে নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ছাড়ুন। অথবা চোখ বন্ধ করে নিজেকে একটি শান্ত পরিবেশে কল্পনা করুন। কিছুক্ষণ চুপ থাকুন।
উল্টো গণনা
রাগ কমানোর বহুল প্রচলিত প্রক্রিয়া হলো উল্টো করে গণনা করা। একটু কম রাগ হলে ১০ বা ২০ থেকে উল্টো গণনা করতে পারেন। আর যদি বেশি রাগ হয়, তবে ১০০ থেকে ১ এর দিকে গণনা করতে করতে আসুন। এটি সাময়িকভাবে আপনার মনোযোগকে সরিয়ে দেবে।
সম্ভাব্য সমাধানগুলো চিহ্নিত করুন
রাগের কারণ খুঁজে বের করুন। এরপর সম্ভাব্য সমাধান ভাবুন। মানে যেই মানুষটির ওপর রেগে আছেন, তার দিকে মনোযোগ না দিয়ে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করুন। নিজেকে মনে করিয়ে দিন, রাগ কন্ট্রোল না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। কথা বলার ধরনে পরিবর্তন আনুন। তাহলে রাগ কন্ট্রোলে চলে আসবে।
খাবার খান
কারও ওপর প্রচণ্ড রেগে আছেন, কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না- এক্ষেত্রে সেখান থেকে দ্রুত সিটকে পড়ুন। কোনো একটা রেস্টুরেন্টে বা হোটেলে যান। গিয়ে ভরপেট খাবার খান। এতে আপনার রাগ মুহূর্তেই উধাও হয়ে যেতে পারে।
ক্ষমা করতে শিখুন
বলা হয়ে থাকে ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। রাগ ও অন্যের ওপর নেতিবাচক অনুভূতিকে ইতিবাচক অনুভূতিতে পরিবর্তন করুন। এতে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে থাকা সম্ভব। যার ওপরে রাগ, তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন। মুখের ওপরে বলে যদি কাউকে ক্ষমা করতে না-ও পারেন, তবে অন্তর থেকে ক্ষমা করুন।

রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-2c9955.jpg)
দুঃখ, বেদনা, ভালোবাসা, রাগ মানুষের বিমূর্ত বা আবেগীয় বিষয়। সবার ভেতরেই এগুলো থাকে। তবে কারও কম, আবার কারও বেশি। অনেকেই রেগে গিয়ে নিজের ক্ষতি করে বসেন। আবার অনেকে করেন ভাঙচুর। কেউবা উচ্চস্বরে চিৎকার করেন আবার অনেকে গায়ে হাতও তুলে ফেলেন। অতিরিক্ত এই রাগের প্রভাব শুধু ব্যক্তিজীবনেই নয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনেও পড়ে। তাই এর প্রভাব কমাতে জেনে নিন কিছু উপায়।
কথা বলার আগে ভাবুন
বলা হয়ে থাকে, বুলেট আর মানুষের মুখের কথা একবার বের হয়ে গেলে আর ফেরত আনা যায় না। তাই প্রচণ্ড রাগের বশে চেষ্টা করতে হবে কোনো কিছু না বলতে। কারণ এমন সময় মানুষ না ভেবে অনেক কিছু বলে থাকে। এতে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। মুহূর্তের উত্তেজনায় বলা কিছু কথা অনুশোচনার জন্ম দিতে পারে।
দ্রুত স্থান ত্যাগ করুন
দেখা গেলো কোনো একটা ঘটনার কারণে আপনি প্রচণ্ড রেগে আছেন। কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না। এমন মুহূর্তে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা ভালো। এতে আপনি পরাজিত হবেন না, বরং রাগের বিরুদ্ধে জয়ীই হয়েছেন। আর যদি স্থান ত্যাগ করা সম্ভব না হয়, তবে অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন। বসে অথবা শুয়ে থাকতে পারেন।
বিরতি দিন
দিন বা রাতের যে সময় চাপ অনুভব করেন, সেই মুহূর্তে নিজের কাজ থেকে ছোট একটি বিরতি নিন। এই নীরবতা বিরক্ত বা রাগান্বিত না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।
লিখে রাখুন
আপনি কেন রাগ করছেন, কোন পরিস্থিতিতে রাগ করছেন সেটা লিখে রাখতে পারেন। পরে বারবার নোটটি পড়বেন। এই পদ্ধতি আপনাকে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি যোগাবে।
ব্যায়াম করুন
রাগ কমানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো শরীরচর্চা। ধরুন আপনি কারও ওপর খুব রেগে আছেন, তখন দ্রুত হাঁটুন বা দৌড়ান। অথবা অন্য কোনোভাবে শারীরিক কসরত করুন। এতে নিজের অজান্তেই আপনার রাগ কমে যাবে। ঘাড় ও কাঁধ ঘোরানোর মতো সহজ ব্যায়াম রাগ কমাতে সাহায্য করে।
গভীর শ্বাস নিন
মানুষের যখন রাগ বাড়ে, তখন নিশ্বাস সাধারণ ছোট ও দ্রুত হয়। এটা কমাতে হবে। এক্ষেত্রে নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ছাড়ুন। অথবা চোখ বন্ধ করে নিজেকে একটি শান্ত পরিবেশে কল্পনা করুন। কিছুক্ষণ চুপ থাকুন।
উল্টো গণনা
রাগ কমানোর বহুল প্রচলিত প্রক্রিয়া হলো উল্টো করে গণনা করা। একটু কম রাগ হলে ১০ বা ২০ থেকে উল্টো গণনা করতে পারেন। আর যদি বেশি রাগ হয়, তবে ১০০ থেকে ১ এর দিকে গণনা করতে করতে আসুন। এটি সাময়িকভাবে আপনার মনোযোগকে সরিয়ে দেবে।
সম্ভাব্য সমাধানগুলো চিহ্নিত করুন
রাগের কারণ খুঁজে বের করুন। এরপর সম্ভাব্য সমাধান ভাবুন। মানে যেই মানুষটির ওপর রেগে আছেন, তার দিকে মনোযোগ না দিয়ে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করুন। নিজেকে মনে করিয়ে দিন, রাগ কন্ট্রোল না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। কথা বলার ধরনে পরিবর্তন আনুন। তাহলে রাগ কন্ট্রোলে চলে আসবে।
খাবার খান
কারও ওপর প্রচণ্ড রেগে আছেন, কিছুতেই রাগ সামলাতে পারছেন না- এক্ষেত্রে সেখান থেকে দ্রুত সিটকে পড়ুন। কোনো একটা রেস্টুরেন্টে বা হোটেলে যান। গিয়ে ভরপেট খাবার খান। এতে আপনার রাগ মুহূর্তেই উধাও হয়ে যেতে পারে।
ক্ষমা করতে শিখুন
বলা হয়ে থাকে ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। রাগ ও অন্যের ওপর নেতিবাচক অনুভূতিকে ইতিবাচক অনুভূতিতে পরিবর্তন করুন। এতে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে থাকা সম্ভব। যার ওপরে রাগ, তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন। মুখের ওপরে বলে যদি কাউকে ক্ষমা করতে না-ও পারেন, তবে অন্তর থেকে ক্ষমা করুন।

প্রাক্তনের চিন্তায় ঘুম আসে না, জেনে নিন প্রতিকার-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)







