তুরস্কে বিয়ের পরদিনই কোটি টাকার গহনা গায়েব, নববধূ গ্রেপ্তার

তুরস্কে বিয়ের পরদিনই কোটি টাকার গহনা গায়েব, নববধূ গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মুগলা প্রদেশের মিলাস শহরে ঐতিহ্যবাহী 'ইয়োরুক' রীতিতে আয়োজন করা হয়েছিল এক বর্ণাঢ্য বিয়ের। তবে অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতেই প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার (৪০ থেকে ৫০ লাখ তুর্কি লিরা) মূল্যের স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন নববধূ মামুরা কুলপোনোভা। উজবেকিস্তানের নাগরিক এ কনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বর আতেশোগলুর পরিবার।
পরিবারের দাবি, বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই তারা দেখতে পান কনে বাড়িতে নেই। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবতীয় মূল্যবান গয়না ও নগদ টাকাও উধাও হয়ে গেছে। অভিযোগ পেয়ে মিলাসের প্রসিকিউটরদের নির্দেশে তদন্তে নামে পুলিশ এবং পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে কুলপোনোভাকে আটক করা হয়।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুলপোনোভা। স্বামীর কাছে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার কারণেই ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তকারীদের তিনি জানান, বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া সব স্বর্ণ তিনি নেননি। তিনি তার মায়ের বাড়িতে গিয়েছেন এবং মাত্র ২০টি কোয়ার্টার-গোল্ড কয়েন এবং নগদ ২,২৬,০০০ লিরা নিয়েছিলেন। বাকি স্বর্ণ তার শ্বশুরমশাইয়ের কাছে ছিল।
আটকের পর কনে যে বাড়িতে ছিলেন সেখানে তল্লাশি চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে নিখোঁজ গয়নাগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। মূল্যবান জিনিসগুলো আসলে কোথায় আছে এবং উৎসবের পরপরই কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
স্থানীয়ভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানটি ঘিরে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। খ্যাতনামা তুর্কি কুস্তিগীরদের অংশগ্রহণে রাতের বেলা ঐতিহ্যবাহী তেল কুস্তি প্রতিযোগিতা আর শত শত অতিথির উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। তুরস্কে নতুন দম্পতিকে সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করতে স্বর্ণ উপহার দেওয়ার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে। সেই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের পরপরই এমন ঘটনা পুরো দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং আটক রাখা ছাড়া কনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো সাজা ঘোষণা করা হয়নি।
সূত্র: খামা প্রেস

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মুগলা প্রদেশের মিলাস শহরে ঐতিহ্যবাহী 'ইয়োরুক' রীতিতে আয়োজন করা হয়েছিল এক বর্ণাঢ্য বিয়ের। তবে অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতেই প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার (৪০ থেকে ৫০ লাখ তুর্কি লিরা) মূল্যের স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন নববধূ মামুরা কুলপোনোভা। উজবেকিস্তানের নাগরিক এ কনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বর আতেশোগলুর পরিবার।
পরিবারের দাবি, বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই তারা দেখতে পান কনে বাড়িতে নেই। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবতীয় মূল্যবান গয়না ও নগদ টাকাও উধাও হয়ে গেছে। অভিযোগ পেয়ে মিলাসের প্রসিকিউটরদের নির্দেশে তদন্তে নামে পুলিশ এবং পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে কুলপোনোভাকে আটক করা হয়।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুলপোনোভা। স্বামীর কাছে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার কারণেই ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তকারীদের তিনি জানান, বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া সব স্বর্ণ তিনি নেননি। তিনি তার মায়ের বাড়িতে গিয়েছেন এবং মাত্র ২০টি কোয়ার্টার-গোল্ড কয়েন এবং নগদ ২,২৬,০০০ লিরা নিয়েছিলেন। বাকি স্বর্ণ তার শ্বশুরমশাইয়ের কাছে ছিল।
আটকের পর কনে যে বাড়িতে ছিলেন সেখানে তল্লাশি চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে নিখোঁজ গয়নাগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। মূল্যবান জিনিসগুলো আসলে কোথায় আছে এবং উৎসবের পরপরই কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
স্থানীয়ভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানটি ঘিরে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। খ্যাতনামা তুর্কি কুস্তিগীরদের অংশগ্রহণে রাতের বেলা ঐতিহ্যবাহী তেল কুস্তি প্রতিযোগিতা আর শত শত অতিথির উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। তুরস্কে নতুন দম্পতিকে সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করতে স্বর্ণ উপহার দেওয়ার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে। সেই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের পরপরই এমন ঘটনা পুরো দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং আটক রাখা ছাড়া কনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো সাজা ঘোষণা করা হয়নি।
সূত্র: খামা প্রেস

তুরস্কে বিয়ের পরদিনই কোটি টাকার গহনা গায়েব, নববধূ গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মুগলা প্রদেশের মিলাস শহরে ঐতিহ্যবাহী 'ইয়োরুক' রীতিতে আয়োজন করা হয়েছিল এক বর্ণাঢ্য বিয়ের। তবে অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতেই প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার (৪০ থেকে ৫০ লাখ তুর্কি লিরা) মূল্যের স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন নববধূ মামুরা কুলপোনোভা। উজবেকিস্তানের নাগরিক এ কনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বর আতেশোগলুর পরিবার।
পরিবারের দাবি, বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই তারা দেখতে পান কনে বাড়িতে নেই। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবতীয় মূল্যবান গয়না ও নগদ টাকাও উধাও হয়ে গেছে। অভিযোগ পেয়ে মিলাসের প্রসিকিউটরদের নির্দেশে তদন্তে নামে পুলিশ এবং পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে কুলপোনোভাকে আটক করা হয়।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুলপোনোভা। স্বামীর কাছে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার কারণেই ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তকারীদের তিনি জানান, বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া সব স্বর্ণ তিনি নেননি। তিনি তার মায়ের বাড়িতে গিয়েছেন এবং মাত্র ২০টি কোয়ার্টার-গোল্ড কয়েন এবং নগদ ২,২৬,০০০ লিরা নিয়েছিলেন। বাকি স্বর্ণ তার শ্বশুরমশাইয়ের কাছে ছিল।
আটকের পর কনে যে বাড়িতে ছিলেন সেখানে তল্লাশি চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে নিখোঁজ গয়নাগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। মূল্যবান জিনিসগুলো আসলে কোথায় আছে এবং উৎসবের পরপরই কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
স্থানীয়ভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানটি ঘিরে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। খ্যাতনামা তুর্কি কুস্তিগীরদের অংশগ্রহণে রাতের বেলা ঐতিহ্যবাহী তেল কুস্তি প্রতিযোগিতা আর শত শত অতিথির উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। তুরস্কে নতুন দম্পতিকে সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করতে স্বর্ণ উপহার দেওয়ার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে। সেই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের পরপরই এমন ঘটনা পুরো দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং আটক রাখা ছাড়া কনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো সাজা ঘোষণা করা হয়নি।
সূত্র: খামা প্রেস

নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী







