আমি চলে গেলে কেউ করবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প

আমি চলে গেলে কেউ করবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর আর কেউ তার নামে কোনো স্থাপনা কিংবা প্রকল্প তৈরি করবে না- এই আশঙ্কা থেকেই এখন নিজেই বিভিন্ন উন্নয়নকাজে নিজের নাম জুড়ে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ‘নিউইয়র্ক ম্যাগাজিন’ এর সাংবাদিক বেন টেরিসের সঙ্গে এক আলাপে নিজের কৌশলের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি।
৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের এক মন্তব্যে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প এ কথা জানান। অসফ মন্তব্য করেছিলেন, ট্রাম্প মূলত নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন, কারণ তিনি ক্ষমতা ছাড়লে অন্য কেউ তা করবে না।
অসফের কথা মেনে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা সত্যি। আমি চলে যাওয়ার পর কেউ তা করবে না। আমি যখন এখান থেকে চলে যাব, তখন কেউ করবে না।’
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ওয়াশিংটন ডিসিতে বেশ কিছু বড় ধরনের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ হাতে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এসব উন্নয়ন প্রকল্পে নিজের নাম যুক্ত করার এ প্রবণতা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পূর্ব পাশের উইং ভেঙে একটি বিশাল বলরুম নির্মাণের কাজ চলছে। এ নতুন বলরুমে তার নাম খোদাই করা থাকবে কি না জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্পের সহজ উত্তর ছিল, ‘থাকা উচিত।’ তবে শেষ পর্যন্ত তা সত্যিই হবে কি না, তা নিয়ে খানিকটা অনিশ্চয়তাও রেখে দিয়েছেন তিনি।
কেবল হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুমই নয়, ঐতিহ্যবাহী কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং ওয়াশিংটনের নানা স্মৃতিস্তম্ভে রদবদল আনার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতের দরজায় গড়িয়েছে একাধিক মামলা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, নতুন বলরুমসহ এসব অবকাঠামো জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রেসিডেন্টের সার্বিক সুরক্ষার স্বার্থেই গড়ে তোলা হচ্ছে। যদিও বিপুল আর্থিক ব্যয় আর প্রকল্পের বৈধতা নিয়ে সমালোচকদের তোপ থামছে না।
নিজের নামকে অমর করে রাখার তাগিদ কেবল ইট-পাথরের স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ রাখেননি ট্রাম্প। প্রশাসনের নানা নীতি ও কর্মসূচির ভেতরেও ঢুকে পড়েছে তার নাম। সাধারণ মানুষের জন্য চালু করা নানা উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ এবং ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’।
সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট

প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর আর কেউ তার নামে কোনো স্থাপনা কিংবা প্রকল্প তৈরি করবে না- এই আশঙ্কা থেকেই এখন নিজেই বিভিন্ন উন্নয়নকাজে নিজের নাম জুড়ে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ‘নিউইয়র্ক ম্যাগাজিন’ এর সাংবাদিক বেন টেরিসের সঙ্গে এক আলাপে নিজের কৌশলের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি।
৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের এক মন্তব্যে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প এ কথা জানান। অসফ মন্তব্য করেছিলেন, ট্রাম্প মূলত নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন, কারণ তিনি ক্ষমতা ছাড়লে অন্য কেউ তা করবে না।
অসফের কথা মেনে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা সত্যি। আমি চলে যাওয়ার পর কেউ তা করবে না। আমি যখন এখান থেকে চলে যাব, তখন কেউ করবে না।’
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ওয়াশিংটন ডিসিতে বেশ কিছু বড় ধরনের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ হাতে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এসব উন্নয়ন প্রকল্পে নিজের নাম যুক্ত করার এ প্রবণতা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পূর্ব পাশের উইং ভেঙে একটি বিশাল বলরুম নির্মাণের কাজ চলছে। এ নতুন বলরুমে তার নাম খোদাই করা থাকবে কি না জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্পের সহজ উত্তর ছিল, ‘থাকা উচিত।’ তবে শেষ পর্যন্ত তা সত্যিই হবে কি না, তা নিয়ে খানিকটা অনিশ্চয়তাও রেখে দিয়েছেন তিনি।
কেবল হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুমই নয়, ঐতিহ্যবাহী কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং ওয়াশিংটনের নানা স্মৃতিস্তম্ভে রদবদল আনার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতের দরজায় গড়িয়েছে একাধিক মামলা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, নতুন বলরুমসহ এসব অবকাঠামো জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রেসিডেন্টের সার্বিক সুরক্ষার স্বার্থেই গড়ে তোলা হচ্ছে। যদিও বিপুল আর্থিক ব্যয় আর প্রকল্পের বৈধতা নিয়ে সমালোচকদের তোপ থামছে না।
নিজের নামকে অমর করে রাখার তাগিদ কেবল ইট-পাথরের স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ রাখেননি ট্রাম্প। প্রশাসনের নানা নীতি ও কর্মসূচির ভেতরেও ঢুকে পড়েছে তার নাম। সাধারণ মানুষের জন্য চালু করা নানা উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ এবং ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’।
সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট

আমি চলে গেলে কেউ করবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর আর কেউ তার নামে কোনো স্থাপনা কিংবা প্রকল্প তৈরি করবে না- এই আশঙ্কা থেকেই এখন নিজেই বিভিন্ন উন্নয়নকাজে নিজের নাম জুড়ে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ‘নিউইয়র্ক ম্যাগাজিন’ এর সাংবাদিক বেন টেরিসের সঙ্গে এক আলাপে নিজের কৌশলের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি।
৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের এক মন্তব্যে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প এ কথা জানান। অসফ মন্তব্য করেছিলেন, ট্রাম্প মূলত নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন, কারণ তিনি ক্ষমতা ছাড়লে অন্য কেউ তা করবে না।
অসফের কথা মেনে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা সত্যি। আমি চলে যাওয়ার পর কেউ তা করবে না। আমি যখন এখান থেকে চলে যাব, তখন কেউ করবে না।’
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ওয়াশিংটন ডিসিতে বেশ কিছু বড় ধরনের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ হাতে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এসব উন্নয়ন প্রকল্পে নিজের নাম যুক্ত করার এ প্রবণতা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পূর্ব পাশের উইং ভেঙে একটি বিশাল বলরুম নির্মাণের কাজ চলছে। এ নতুন বলরুমে তার নাম খোদাই করা থাকবে কি না জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্পের সহজ উত্তর ছিল, ‘থাকা উচিত।’ তবে শেষ পর্যন্ত তা সত্যিই হবে কি না, তা নিয়ে খানিকটা অনিশ্চয়তাও রেখে দিয়েছেন তিনি।
কেবল হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুমই নয়, ঐতিহ্যবাহী কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং ওয়াশিংটনের নানা স্মৃতিস্তম্ভে রদবদল আনার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতের দরজায় গড়িয়েছে একাধিক মামলা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, নতুন বলরুমসহ এসব অবকাঠামো জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রেসিডেন্টের সার্বিক সুরক্ষার স্বার্থেই গড়ে তোলা হচ্ছে। যদিও বিপুল আর্থিক ব্যয় আর প্রকল্পের বৈধতা নিয়ে সমালোচকদের তোপ থামছে না।
নিজের নামকে অমর করে রাখার তাগিদ কেবল ইট-পাথরের স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ রাখেননি ট্রাম্প। প্রশাসনের নানা নীতি ও কর্মসূচির ভেতরেও ঢুকে পড়েছে তার নাম। সাধারণ মানুষের জন্য চালু করা নানা উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ এবং ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’।
সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার ছক কষছে ইরান: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন







