রুশ বাহিনীতে নতুন সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা অস্বীকার পুতিনের

রুশ বাহিনীতে নতুন সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা অস্বীকার পুতিনের
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে রাশিয়ার নতুন করে আর সেনা মোতায়েন বা মোবিলাইজেশনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন করে সেনাদলে লোক বাড়ানোর যে আলোচনা চলছে, সেটিকে ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভ্লাদিভস্তকে আয়োজিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের এক অধিবেশনে পুতিন এ কথা জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে এমন কোনো সংকট তৈরি হয়নি যার জন্য দেশে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন পড়বে। চলতি মাসের শেষ দিকে রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে ক্রেমলিনপ্রধানের দাবি, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতেই শত্রুপক্ষ এসব গুজব ছড়াচ্ছে।
সেনাবাহিনীতে জনবল বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, ‘আমাদের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।’
পুতিনের এ বক্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিয়েভের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে জুলাই মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে মস্কো নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি গুটিয়ে আনছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ধাক্কার পর শেষ উপায় হিসেবে রিজার্ভ সেনাদের ডেকে ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’-এর আদেশ দিয়েছিলেন পুতিন। ক্রেমলিনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় সে সময় ৩ লাখ মানুষকে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। তবে সরকারের এ পদক্ষেপটি সাধারণ মানুষের ভালো চোখে দেখেনি এবং বাধ্যতামূলক সেবা এড়াতে যুদ্ধ বয়সের বহু রুশ পুরুষ রাতারাতি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
সূত্র: আরব নিউজ

ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে রাশিয়ার নতুন করে আর সেনা মোতায়েন বা মোবিলাইজেশনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন করে সেনাদলে লোক বাড়ানোর যে আলোচনা চলছে, সেটিকে ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভ্লাদিভস্তকে আয়োজিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের এক অধিবেশনে পুতিন এ কথা জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে এমন কোনো সংকট তৈরি হয়নি যার জন্য দেশে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন পড়বে। চলতি মাসের শেষ দিকে রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে ক্রেমলিনপ্রধানের দাবি, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতেই শত্রুপক্ষ এসব গুজব ছড়াচ্ছে।
সেনাবাহিনীতে জনবল বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, ‘আমাদের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।’
পুতিনের এ বক্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিয়েভের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে জুলাই মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে মস্কো নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি গুটিয়ে আনছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ধাক্কার পর শেষ উপায় হিসেবে রিজার্ভ সেনাদের ডেকে ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’-এর আদেশ দিয়েছিলেন পুতিন। ক্রেমলিনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় সে সময় ৩ লাখ মানুষকে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। তবে সরকারের এ পদক্ষেপটি সাধারণ মানুষের ভালো চোখে দেখেনি এবং বাধ্যতামূলক সেবা এড়াতে যুদ্ধ বয়সের বহু রুশ পুরুষ রাতারাতি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
সূত্র: আরব নিউজ

রুশ বাহিনীতে নতুন সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা অস্বীকার পুতিনের
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে রাশিয়ার নতুন করে আর সেনা মোতায়েন বা মোবিলাইজেশনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন করে সেনাদলে লোক বাড়ানোর যে আলোচনা চলছে, সেটিকে ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভ্লাদিভস্তকে আয়োজিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের এক অধিবেশনে পুতিন এ কথা জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে এমন কোনো সংকট তৈরি হয়নি যার জন্য দেশে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন পড়বে। চলতি মাসের শেষ দিকে রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে ক্রেমলিনপ্রধানের দাবি, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতেই শত্রুপক্ষ এসব গুজব ছড়াচ্ছে।
সেনাবাহিনীতে জনবল বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, ‘আমাদের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।’
পুতিনের এ বক্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিয়েভের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে জুলাই মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে মস্কো নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি গুটিয়ে আনছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ধাক্কার পর শেষ উপায় হিসেবে রিজার্ভ সেনাদের ডেকে ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’-এর আদেশ দিয়েছিলেন পুতিন। ক্রেমলিনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় সে সময় ৩ লাখ মানুষকে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। তবে সরকারের এ পদক্ষেপটি সাধারণ মানুষের ভালো চোখে দেখেনি এবং বাধ্যতামূলক সেবা এড়াতে যুদ্ধ বয়সের বহু রুশ পুরুষ রাতারাতি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
সূত্র: আরব নিউজ

সেপ্টেম্বরে আরও ৩ লাখ নতুন সেনা নিয়োগ দেবে রাশিয়া: জেলেনস্কি







