তেহরানে শতবর্ষী গবেষণা কেন্দ্রে হামলা

তেহরানে শতবর্ষী গবেষণা কেন্দ্রে হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানান, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানে এই হামলা চালানো হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেরমানপুর বলেন, এই গবেষণা কেন্দ্র বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। তার ভাষায়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়– ভবনের অংশবিশেষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের স্থাপনায় হামলা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়, বরং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে।
কেরমানপুর আরও বলেন, পাস্তুর ইনস্টিটিউটটি আন্তর্জাতিক পাস্তুর নেটওয়ার্কের সদস্য এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার শতবর্ষী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। তার মতে, এই হামলা জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন।
এর আগে কিছু দেশের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ তালিকায় এই প্রতিষ্ঠানটির নাম উঠে আসে। গণবিধ্বংসী অস্ত্র সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহের আশঙ্কায় কয়েকটি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছিল বলে জানা যায়।
তবে সর্বশেষ হামলার ঘটনায় এখনো বিস্তারিতভাবে কারা জড়িত বা কীভাবে হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানান, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানে এই হামলা চালানো হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেরমানপুর বলেন, এই গবেষণা কেন্দ্র বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। তার ভাষায়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়– ভবনের অংশবিশেষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের স্থাপনায় হামলা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়, বরং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে।
কেরমানপুর আরও বলেন, পাস্তুর ইনস্টিটিউটটি আন্তর্জাতিক পাস্তুর নেটওয়ার্কের সদস্য এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার শতবর্ষী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। তার মতে, এই হামলা জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন।
এর আগে কিছু দেশের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ তালিকায় এই প্রতিষ্ঠানটির নাম উঠে আসে। গণবিধ্বংসী অস্ত্র সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহের আশঙ্কায় কয়েকটি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছিল বলে জানা যায়।
তবে সর্বশেষ হামলার ঘটনায় এখনো বিস্তারিতভাবে কারা জড়িত বা কীভাবে হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তেহরানে শতবর্ষী গবেষণা কেন্দ্রে হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানান, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানে এই হামলা চালানো হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেরমানপুর বলেন, এই গবেষণা কেন্দ্র বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। তার ভাষায়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়– ভবনের অংশবিশেষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের স্থাপনায় হামলা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়, বরং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে।
কেরমানপুর আরও বলেন, পাস্তুর ইনস্টিটিউটটি আন্তর্জাতিক পাস্তুর নেটওয়ার্কের সদস্য এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার শতবর্ষী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। তার মতে, এই হামলা জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন।
এর আগে কিছু দেশের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ তালিকায় এই প্রতিষ্ঠানটির নাম উঠে আসে। গণবিধ্বংসী অস্ত্র সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহের আশঙ্কায় কয়েকটি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছিল বলে জানা যায়।
তবে সর্বশেষ হামলার ঘটনায় এখনো বিস্তারিতভাবে কারা জড়িত বা কীভাবে হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।




