তীব্র দাবদাহে পুড়ছে স্পেন, তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪৫ ডিগ্রি

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে স্পেন, তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪৫ ডিগ্রি
সিজেডএন ডেস্ক

চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে যাচ্ছে স্পেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় আবহাওয়া সংস্থা (এমেট) জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দেশের কিছু কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ নতুন তাপপ্রবাহটি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে অন্তত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। মূলত বৃহস্পতিবারই গরমের তীব্রতা সবচেয়ে চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। আইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া গুয়াদালকুইভির ও এব্রো উপত্যকা, উত্তর-পূর্বের নিচু এলাকা এবং মায়োর্কার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও প্রচণ্ড গরম অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বাতাস ধূলিকণায় ভরা থাকবে এবং শুষ্ক ও উষ্ণ হাওয়া পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতিকে আরও অস্বস্তিকর করে তুলবে।
চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই তাপমাত্রা ধাপে ধাপে বাড়তে শুরু করবে এবং আগামী সপ্তাহের প্রথমার্ধে তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাবে। মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের দক্ষিণ-পূর্বের অভ্যন্তরীণ অংশে তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। এরপর বৃহস্পতিবার আসবে এ তাপপ্রবাহের সবচেয়ে কঠিন সময়। এদিন তাপমাত্রা স্থানীয়ভাবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও পার হয়ে যেতে পারে। গুয়াদালকুইভির উপত্যকা ও জেনিল অববাহিকাতেও তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে।
এ তীব্র গরমের কারণে স্পেনে আবারও ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া সংস্থা। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে বিকেলের দিকে বৃষ্টিহীন শুষ্ক বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হলেও, আবহাওয়াবিদদের মনে এখনও সংশয় রয়েছে। ফলে এই তাপপ্রবাহ বৃহস্পতিবারের পরেও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
উল্লেখ্য, স্পেনে এবারের গ্রীষ্মে এটি তৃতীয় দফার তাপপ্রবাহ। এর আগে গত জুন ও জুলাই মাসের শুরুতে আরও দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছিল। আবহাওয়া সংস্থার তথ্য বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্পেনে এখন আগের চেয়ে অনেক ঘন ঘন এবং সময়ের আগেই তীব্র গরম পড়তে শুরু করেছে। ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে স্পেনের মূল ভূখণ্ডে জুন মাসে মাত্র দুটি তাপপ্রবাহ দেখা গিয়েছিল, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা এক লাফে ১০টিতে গিয়ে ঠেকেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে যাচ্ছে স্পেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় আবহাওয়া সংস্থা (এমেট) জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দেশের কিছু কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ নতুন তাপপ্রবাহটি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে অন্তত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। মূলত বৃহস্পতিবারই গরমের তীব্রতা সবচেয়ে চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। আইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া গুয়াদালকুইভির ও এব্রো উপত্যকা, উত্তর-পূর্বের নিচু এলাকা এবং মায়োর্কার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও প্রচণ্ড গরম অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বাতাস ধূলিকণায় ভরা থাকবে এবং শুষ্ক ও উষ্ণ হাওয়া পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতিকে আরও অস্বস্তিকর করে তুলবে।
চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই তাপমাত্রা ধাপে ধাপে বাড়তে শুরু করবে এবং আগামী সপ্তাহের প্রথমার্ধে তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাবে। মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের দক্ষিণ-পূর্বের অভ্যন্তরীণ অংশে তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। এরপর বৃহস্পতিবার আসবে এ তাপপ্রবাহের সবচেয়ে কঠিন সময়। এদিন তাপমাত্রা স্থানীয়ভাবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও পার হয়ে যেতে পারে। গুয়াদালকুইভির উপত্যকা ও জেনিল অববাহিকাতেও তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে।
এ তীব্র গরমের কারণে স্পেনে আবারও ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া সংস্থা। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে বিকেলের দিকে বৃষ্টিহীন শুষ্ক বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হলেও, আবহাওয়াবিদদের মনে এখনও সংশয় রয়েছে। ফলে এই তাপপ্রবাহ বৃহস্পতিবারের পরেও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
উল্লেখ্য, স্পেনে এবারের গ্রীষ্মে এটি তৃতীয় দফার তাপপ্রবাহ। এর আগে গত জুন ও জুলাই মাসের শুরুতে আরও দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছিল। আবহাওয়া সংস্থার তথ্য বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্পেনে এখন আগের চেয়ে অনেক ঘন ঘন এবং সময়ের আগেই তীব্র গরম পড়তে শুরু করেছে। ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে স্পেনের মূল ভূখণ্ডে জুন মাসে মাত্র দুটি তাপপ্রবাহ দেখা গিয়েছিল, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা এক লাফে ১০টিতে গিয়ে ঠেকেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে স্পেন, তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪৫ ডিগ্রি
সিজেডএন ডেস্ক

চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে যাচ্ছে স্পেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় আবহাওয়া সংস্থা (এমেট) জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দেশের কিছু কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ নতুন তাপপ্রবাহটি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে অন্তত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। মূলত বৃহস্পতিবারই গরমের তীব্রতা সবচেয়ে চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। আইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া গুয়াদালকুইভির ও এব্রো উপত্যকা, উত্তর-পূর্বের নিচু এলাকা এবং মায়োর্কার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও প্রচণ্ড গরম অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বাতাস ধূলিকণায় ভরা থাকবে এবং শুষ্ক ও উষ্ণ হাওয়া পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতিকে আরও অস্বস্তিকর করে তুলবে।
চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই তাপমাত্রা ধাপে ধাপে বাড়তে শুরু করবে এবং আগামী সপ্তাহের প্রথমার্ধে তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাবে। মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের দক্ষিণ-পূর্বের অভ্যন্তরীণ অংশে তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। এরপর বৃহস্পতিবার আসবে এ তাপপ্রবাহের সবচেয়ে কঠিন সময়। এদিন তাপমাত্রা স্থানীয়ভাবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও পার হয়ে যেতে পারে। গুয়াদালকুইভির উপত্যকা ও জেনিল অববাহিকাতেও তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে।
এ তীব্র গরমের কারণে স্পেনে আবারও ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া সংস্থা। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে বিকেলের দিকে বৃষ্টিহীন শুষ্ক বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হলেও, আবহাওয়াবিদদের মনে এখনও সংশয় রয়েছে। ফলে এই তাপপ্রবাহ বৃহস্পতিবারের পরেও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
উল্লেখ্য, স্পেনে এবারের গ্রীষ্মে এটি তৃতীয় দফার তাপপ্রবাহ। এর আগে গত জুন ও জুলাই মাসের শুরুতে আরও দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছিল। আবহাওয়া সংস্থার তথ্য বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্পেনে এখন আগের চেয়ে অনেক ঘন ঘন এবং সময়ের আগেই তীব্র গরম পড়তে শুরু করেছে। ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে স্পেনের মূল ভূখণ্ডে জুন মাসে মাত্র দুটি তাপপ্রবাহ দেখা গিয়েছিল, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা এক লাফে ১০টিতে গিয়ে ঠেকেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দাবদাহে ইউরোপে মৃত্যুর মিছিল
রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, হতাহত ৫৬





