ইরানের প্রস্তাব বুঝতে ব্যর্থ ট্রাম্প প্রশাসন: বাইডেনের উপদেষ্টা

ইরানের প্রস্তাব বুঝতে ব্যর্থ ট্রাম্প প্রশাসন: বাইডেনের উপদেষ্টা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তেহরান একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন– এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন টক শো ‘দ্য ডেইলি শো উইথ জন স্টুয়ার্ট’-এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ইরানে বোমা হামলা শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে জেনেভায় বৈঠকে ইরানি কর্মকর্তারা একটি প্রস্তাব দেন, যা গ্রহণ করা হলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরমাণু সংকটের সমাধান সম্ভব ছিল।
সুলিভান বলেন, ‘আমরা যদি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতাম, তাহলে খুব সহজেই এবং শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা যেত। কিন্তু আমাদের আলোচকরা আসলে বুঝতেই পারেননি ইরান কী বলতে চাইছে। ফলে প্রস্তাবটি উপেক্ষা করা হয় এবং পরে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
দীর্ঘ দুই দশক ধরে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। বারাক ওবামার আমলে এই দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পায়। সে সময় ইরানের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছিলেন সুলিভান।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। এর পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়।
এই হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধের শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তেহরান একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন– এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন টক শো ‘দ্য ডেইলি শো উইথ জন স্টুয়ার্ট’-এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ইরানে বোমা হামলা শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে জেনেভায় বৈঠকে ইরানি কর্মকর্তারা একটি প্রস্তাব দেন, যা গ্রহণ করা হলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরমাণু সংকটের সমাধান সম্ভব ছিল।
সুলিভান বলেন, ‘আমরা যদি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতাম, তাহলে খুব সহজেই এবং শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা যেত। কিন্তু আমাদের আলোচকরা আসলে বুঝতেই পারেননি ইরান কী বলতে চাইছে। ফলে প্রস্তাবটি উপেক্ষা করা হয় এবং পরে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
দীর্ঘ দুই দশক ধরে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। বারাক ওবামার আমলে এই দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পায়। সে সময় ইরানের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছিলেন সুলিভান।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। এর পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়।
এই হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধের শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের প্রস্তাব বুঝতে ব্যর্থ ট্রাম্প প্রশাসন: বাইডেনের উপদেষ্টা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তেহরান একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন– এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন টক শো ‘দ্য ডেইলি শো উইথ জন স্টুয়ার্ট’-এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ইরানে বোমা হামলা শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে জেনেভায় বৈঠকে ইরানি কর্মকর্তারা একটি প্রস্তাব দেন, যা গ্রহণ করা হলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরমাণু সংকটের সমাধান সম্ভব ছিল।
সুলিভান বলেন, ‘আমরা যদি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতাম, তাহলে খুব সহজেই এবং শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা যেত। কিন্তু আমাদের আলোচকরা আসলে বুঝতেই পারেননি ইরান কী বলতে চাইছে। ফলে প্রস্তাবটি উপেক্ষা করা হয় এবং পরে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
দীর্ঘ দুই দশক ধরে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। বারাক ওবামার আমলে এই দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পায়। সে সময় ইরানের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছিলেন সুলিভান।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। এর পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়।
এই হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধের শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা




