পরমাণু ও মিসাইল ইরানের জাতীয় সম্পদ: মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু ও মিসাইল ইরানের জাতীয় সম্পদ: মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৩৯

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি দেশের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে সেগুলো রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আকাশ, জল ও স্থলসীমার মতোই এসব কৌশলগত সক্ষমতাও ইরান আগলে রাখবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
মোজতবা খামেনি বলেন, দেশের ভেতরে বা বাইরে থাকা প্রায় ৯ কোটি ইরানি নিজেদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবিকতা এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অর্জনকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখে। ন্যানো ও বায়োটেকনোলজি থেকে শুরু করে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি সবই তাদের কাছে আমানত, যা রক্ষা করা হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরানের এসব কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা এলো।
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি নিয়েও বক্তব্য দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অঞ্চল হবে ‘আমেরিকাবিহীন’ এবং তা উপকূলবর্তী দেশগুলোর উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, দূরবর্তী দেশ থেকে ‘লোভ ও বিদ্বেষ’ নিয়ে আসা বিদেশি শক্তির এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই। তাদের জায়গা হবে ‘সমুদ্রের তলদেশে’।
মোজতবা খামেনি দাবি করেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল রক্ষা করবে এবং সমুদ্রপথে শত্রুদের অপব্যবহার বন্ধ করবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নতুন যে ব্যবস্থাপনা নেওয়া হচ্ছে, তা শান্তি, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি দেশের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে সেগুলো রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আকাশ, জল ও স্থলসীমার মতোই এসব কৌশলগত সক্ষমতাও ইরান আগলে রাখবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
মোজতবা খামেনি বলেন, দেশের ভেতরে বা বাইরে থাকা প্রায় ৯ কোটি ইরানি নিজেদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবিকতা এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অর্জনকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখে। ন্যানো ও বায়োটেকনোলজি থেকে শুরু করে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি সবই তাদের কাছে আমানত, যা রক্ষা করা হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরানের এসব কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা এলো।
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি নিয়েও বক্তব্য দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অঞ্চল হবে ‘আমেরিকাবিহীন’ এবং তা উপকূলবর্তী দেশগুলোর উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, দূরবর্তী দেশ থেকে ‘লোভ ও বিদ্বেষ’ নিয়ে আসা বিদেশি শক্তির এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই। তাদের জায়গা হবে ‘সমুদ্রের তলদেশে’।
মোজতবা খামেনি দাবি করেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল রক্ষা করবে এবং সমুদ্রপথে শত্রুদের অপব্যবহার বন্ধ করবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নতুন যে ব্যবস্থাপনা নেওয়া হচ্ছে, তা শান্তি, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরমাণু ও মিসাইল ইরানের জাতীয় সম্পদ: মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৩৯

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি দেশের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে সেগুলো রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আকাশ, জল ও স্থলসীমার মতোই এসব কৌশলগত সক্ষমতাও ইরান আগলে রাখবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
মোজতবা খামেনি বলেন, দেশের ভেতরে বা বাইরে থাকা প্রায় ৯ কোটি ইরানি নিজেদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবিকতা এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অর্জনকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখে। ন্যানো ও বায়োটেকনোলজি থেকে শুরু করে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি সবই তাদের কাছে আমানত, যা রক্ষা করা হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরানের এসব কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা এলো।
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি নিয়েও বক্তব্য দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অঞ্চল হবে ‘আমেরিকাবিহীন’ এবং তা উপকূলবর্তী দেশগুলোর উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, দূরবর্তী দেশ থেকে ‘লোভ ও বিদ্বেষ’ নিয়ে আসা বিদেশি শক্তির এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই। তাদের জায়গা হবে ‘সমুদ্রের তলদেশে’।
মোজতবা খামেনি দাবি করেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল রক্ষা করবে এবং সমুদ্রপথে শত্রুদের অপব্যবহার বন্ধ করবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নতুন যে ব্যবস্থাপনা নেওয়া হচ্ছে, তা শান্তি, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
/এসএ/

রেকর্ড গড়া মিশন শেষে নিজ ঘাঁটিতে ফিরছে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি
তামিলনাড়ুতে বিজয়ের দলের বড় জয়ের আভাস


