নিজাম হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

নিজাম হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ৮২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৯১৪ টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যা সন্দেহজনক হিসেবে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্তকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আসামি মো. নিজাম উদ্দিন হাজারী একজন আয়কর দাতা। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন) এর ৩০৯(৩)ক ধারায় আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করতে আদালতের আদেশ প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। উক্ত আইনের নির্দেশনা মোতাবেক আসামির আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ ও মামলার তদন্তকালে পর্যালোচনার নিমিত্তে সত্যায়িত ছায়ালিপি সরবরাহের আদেশ একান্ত প্রয়োজন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজালাল স্বাক্ষরিত এক আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন।
এদিকে, তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে উঠে এসেছে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সাবেক এই এমপির নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ৮২টি ব্যাংক হিসাবের খোঁজ পেয়েছে দুদক। এসব হিসাবে মোট ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭, ৯১৪ টাকা জমা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ২৬৮ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩৯০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুদকের মতে, এই বিশাল অঙ্কের লেনদেন অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধের শামিল।

ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ৮২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৯১৪ টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যা সন্দেহজনক হিসেবে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্তকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আসামি মো. নিজাম উদ্দিন হাজারী একজন আয়কর দাতা। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন) এর ৩০৯(৩)ক ধারায় আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করতে আদালতের আদেশ প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। উক্ত আইনের নির্দেশনা মোতাবেক আসামির আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ ও মামলার তদন্তকালে পর্যালোচনার নিমিত্তে সত্যায়িত ছায়ালিপি সরবরাহের আদেশ একান্ত প্রয়োজন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজালাল স্বাক্ষরিত এক আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন।
এদিকে, তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে উঠে এসেছে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সাবেক এই এমপির নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ৮২টি ব্যাংক হিসাবের খোঁজ পেয়েছে দুদক। এসব হিসাবে মোট ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭, ৯১৪ টাকা জমা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ২৬৮ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩৯০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুদকের মতে, এই বিশাল অঙ্কের লেনদেন অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধের শামিল।

নিজাম হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ৮২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৯১৪ টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যা সন্দেহজনক হিসেবে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্তকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আসামি মো. নিজাম উদ্দিন হাজারী একজন আয়কর দাতা। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন) এর ৩০৯(৩)ক ধারায় আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করতে আদালতের আদেশ প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। উক্ত আইনের নির্দেশনা মোতাবেক আসামির আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ ও মামলার তদন্তকালে পর্যালোচনার নিমিত্তে সত্যায়িত ছায়ালিপি সরবরাহের আদেশ একান্ত প্রয়োজন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজালাল স্বাক্ষরিত এক আবেদনে বলা হয়েছে, নিজাম হাজারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন।
এদিকে, তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে উঠে এসেছে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সাবেক এই এমপির নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ৮২টি ব্যাংক হিসাবের খোঁজ পেয়েছে দুদক। এসব হিসাবে মোট ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৭, ৯১৪ টাকা জমা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ২৬৮ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩৯০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দুদকের মতে, এই বিশাল অঙ্কের লেনদেন অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধের শামিল।

৭ মার্চের ভাষণ বাজানো সেই ইমির জামিন


