শত্রুপক্ষের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার মতো অস্ত্র আনছে ইরান

শত্রুপক্ষের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার মতো অস্ত্র আনছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরান খুব শিগগিরই এমন এক বিধ্বংসী ও অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে, যা শত্রুপক্ষের মনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। বুধবার এক বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি। তিনি দাবি করেন, এ রহস্যময় মারণাস্ত্রটি বর্তমানে শত্রুদের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং এর কার্যক্ষমতা সচক্ষে দেখার পর তাদের আক্ষরিক অর্থেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার উপক্রম হতে পারে। অ্যাডমিরাল ইরানি বিদ্রূপের সুরে উল্লেখ করেন, যারা ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে দ্রুত জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল, তাদের সেই পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক সামরিক একাডেমিগুলোতে স্রেফ কৌতুক বা হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে।
চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সুনির্দিষ্ট ও পাল্টা হামলায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যমতে, ইরানি নৌবাহিনী ও রণতরী লক্ষ্য করে অন্তত ৭টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এ হামলার ফলে জাহাজটি এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল যে সেখান থেকে কোনো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন বা আকাশপথে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিদেশি উস্কানির জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি বিভিন্ন স্পর্শকাতর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে কমপক্ষে ১০০টি প্রতিশোধমূলক হামলা সম্পন্ন করেছে। অ্যাডমিরাল ইরানির মতে, আমেরিকা ওই অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক ডেস্ট্রয়ার এবং অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেও ইরানি প্রতিরোধের মুখে চূড়ান্তভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি শত্রুপক্ষ ও তাদের মিত্রদের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই প্রভাবশালী নৌ-কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছেন, আরব সাগরের দিক থেকে ইরান বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক জলপথটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে এই সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানের কাছ থেকে পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরে অবৈধ অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ আরোপের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তারই দাঁতভাঙা জবাব হিসেবে তেহরান এ কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কোনো শত্রুপক্ষের জাহাজ এ নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘনের চেষ্টা চালায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

তেহরান খুব শিগগিরই এমন এক বিধ্বংসী ও অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে, যা শত্রুপক্ষের মনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। বুধবার এক বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি। তিনি দাবি করেন, এ রহস্যময় মারণাস্ত্রটি বর্তমানে শত্রুদের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং এর কার্যক্ষমতা সচক্ষে দেখার পর তাদের আক্ষরিক অর্থেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার উপক্রম হতে পারে। অ্যাডমিরাল ইরানি বিদ্রূপের সুরে উল্লেখ করেন, যারা ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে দ্রুত জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল, তাদের সেই পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক সামরিক একাডেমিগুলোতে স্রেফ কৌতুক বা হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে।
চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সুনির্দিষ্ট ও পাল্টা হামলায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যমতে, ইরানি নৌবাহিনী ও রণতরী লক্ষ্য করে অন্তত ৭টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এ হামলার ফলে জাহাজটি এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল যে সেখান থেকে কোনো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন বা আকাশপথে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিদেশি উস্কানির জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি বিভিন্ন স্পর্শকাতর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে কমপক্ষে ১০০টি প্রতিশোধমূলক হামলা সম্পন্ন করেছে। অ্যাডমিরাল ইরানির মতে, আমেরিকা ওই অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক ডেস্ট্রয়ার এবং অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেও ইরানি প্রতিরোধের মুখে চূড়ান্তভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি শত্রুপক্ষ ও তাদের মিত্রদের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই প্রভাবশালী নৌ-কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছেন, আরব সাগরের দিক থেকে ইরান বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক জলপথটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে এই সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানের কাছ থেকে পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরে অবৈধ অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ আরোপের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তারই দাঁতভাঙা জবাব হিসেবে তেহরান এ কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কোনো শত্রুপক্ষের জাহাজ এ নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘনের চেষ্টা চালায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

শত্রুপক্ষের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার মতো অস্ত্র আনছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরান খুব শিগগিরই এমন এক বিধ্বংসী ও অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে, যা শত্রুপক্ষের মনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। বুধবার এক বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি। তিনি দাবি করেন, এ রহস্যময় মারণাস্ত্রটি বর্তমানে শত্রুদের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং এর কার্যক্ষমতা সচক্ষে দেখার পর তাদের আক্ষরিক অর্থেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার উপক্রম হতে পারে। অ্যাডমিরাল ইরানি বিদ্রূপের সুরে উল্লেখ করেন, যারা ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে দ্রুত জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল, তাদের সেই পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক সামরিক একাডেমিগুলোতে স্রেফ কৌতুক বা হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে।
চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সুনির্দিষ্ট ও পাল্টা হামলায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যমতে, ইরানি নৌবাহিনী ও রণতরী লক্ষ্য করে অন্তত ৭টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এ হামলার ফলে জাহাজটি এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল যে সেখান থেকে কোনো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন বা আকাশপথে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিদেশি উস্কানির জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি বিভিন্ন স্পর্শকাতর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে কমপক্ষে ১০০টি প্রতিশোধমূলক হামলা সম্পন্ন করেছে। অ্যাডমিরাল ইরানির মতে, আমেরিকা ওই অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক ডেস্ট্রয়ার এবং অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেও ইরানি প্রতিরোধের মুখে চূড়ান্তভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে।
সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি শত্রুপক্ষ ও তাদের মিত্রদের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই প্রভাবশালী নৌ-কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছেন, আরব সাগরের দিক থেকে ইরান বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক জলপথটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে এই সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ইরানের কাছ থেকে পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরে অবৈধ অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ আরোপের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তারই দাঁতভাঙা জবাব হিসেবে তেহরান এ কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কোনো শত্রুপক্ষের জাহাজ এ নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘনের চেষ্টা চালায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

মার্কিন জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ইরানের
মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের


