বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম: হাসনাত আব্দুল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে বাংলাদেশের নেতা বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেন, ‘আমার নেতা, আমাদের নেতা, বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম।’
এর আগে, সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বক্তব্য আমি শুনিনি, এ নিয়ে কিছু বলার আগ্রহ আমার নেই। তবে রাষ্ট্রপতির কিছু কুকীর্তি এ হাউজের সামনে তুলে ধরতে চাই।
তিনি বলেন, শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল। এগুলো হলো- খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আমাদের হাতে দুটি অপশন ছিল, জাতীয় সরকার করতে চেয়েছি, কিন্তু বিএনপি সেটি মানেনি। আরেকটি অপশন ছিল, সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া। সেটা হলে বিএনপি এখনও ক্ষমতায় আসতে পারতো না। সংবিধান এর ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দিয়েছে বিএনপি। এখনতো সাংবিধানিক সংকট নেই। তাহলে কেন এখন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, অনেকে বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছেন। কিছু কিছু সদস্য এটি করেছে। এটাতো আওয়ামী লীগ মেলাতো। বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল মনে করতো। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। আমরা সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। বিএনপির বহু নেতা এর বিরোধিতা করেছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে বাংলাদেশের নেতা বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেন, ‘আমার নেতা, আমাদের নেতা, বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম।’
এর আগে, সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বক্তব্য আমি শুনিনি, এ নিয়ে কিছু বলার আগ্রহ আমার নেই। তবে রাষ্ট্রপতির কিছু কুকীর্তি এ হাউজের সামনে তুলে ধরতে চাই।
তিনি বলেন, শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল। এগুলো হলো- খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আমাদের হাতে দুটি অপশন ছিল, জাতীয় সরকার করতে চেয়েছি, কিন্তু বিএনপি সেটি মানেনি। আরেকটি অপশন ছিল, সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া। সেটা হলে বিএনপি এখনও ক্ষমতায় আসতে পারতো না। সংবিধান এর ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দিয়েছে বিএনপি। এখনতো সাংবিধানিক সংকট নেই। তাহলে কেন এখন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, অনেকে বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছেন। কিছু কিছু সদস্য এটি করেছে। এটাতো আওয়ামী লীগ মেলাতো। বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল মনে করতো। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। আমরা সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। বিএনপির বহু নেতা এর বিরোধিতা করেছেন।

বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম: হাসনাত আব্দুল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে বাংলাদেশের নেতা বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখপাত্র হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেন, ‘আমার নেতা, আমাদের নেতা, বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম।’
এর আগে, সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বক্তব্য আমি শুনিনি, এ নিয়ে কিছু বলার আগ্রহ আমার নেই। তবে রাষ্ট্রপতির কিছু কুকীর্তি এ হাউজের সামনে তুলে ধরতে চাই।
তিনি বলেন, শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল। এগুলো হলো- খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আমাদের হাতে দুটি অপশন ছিল, জাতীয় সরকার করতে চেয়েছি, কিন্তু বিএনপি সেটি মানেনি। আরেকটি অপশন ছিল, সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া। সেটা হলে বিএনপি এখনও ক্ষমতায় আসতে পারতো না। সংবিধান এর ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দিয়েছে বিএনপি। এখনতো সাংবিধানিক সংকট নেই। তাহলে কেন এখন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, অনেকে বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছেন। কিছু কিছু সদস্য এটি করেছে। এটাতো আওয়ামী লীগ মেলাতো। বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল মনে করতো। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। আমরা সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। বিএনপির বহু নেতা এর বিরোধিতা করেছেন।

‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন’


