হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে অনীহা মিত্রদের, হতাশ ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে অনীহা মিত্রদের, হতাশ ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্রদেশ। সোমবার (১৬ মার্চ) জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ একাধিক দেশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন ব্যবহার করে এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। তবে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, আন্তর্জাতিক অনুমোদন ছাড়া তারা সামরিক পদক্ষেপে যেতে পারবে না। বার্লিনে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর অনুমোদন আমাদের কাছে নেই।’
মের্ৎস আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, অনেক দেশ সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও কয়েকটি দীর্ঘদিনের মিত্র দেশের অনীহা তাকে হতাশ করেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
এদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা অন্তত আরও তিন সপ্তাহ যুদ্ধ চালানোর পরিকল্পনা করেছে। দেশটির বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইরানের ড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জেরে এ অভিযান শুরু হয়।
এ পরিস্থিতিতে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, বড় পরিসরে ইসরায়েলি স্থল অভিযান ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে এবং সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে।

ইসরায়েলের দাবি, তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি বলেন, ‘আমরা এই শাসকগোষ্ঠীর সব সক্ষমতা দুর্বল করতে চাই।’
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনাগুলোকে তারা লক্ষ্যবস্তু করবে। সংশ্লিষ্ট স্থাপনার আশপাশের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি সচল না করে, তবে খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলোয় হামলা চালানো হতে পারে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী শুক্রবার (১৩ মার্চ) সেখানে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব দেশ থেকে খারগ দ্বীপে হামলা চালানো হবে, সেসব দেশের তেল ও গ্যাস স্থাপনাকেও নিশানা করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের দেশ যুদ্ধবিরতির কোনো অনুরোধ জানায়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বার্তা বিনিময়ও হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দিয়ে ইরানের ওপর হামলায় ভূমিকা রাখছে।
আরাঘচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শত শত ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ২০০ শিশু রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্রদেশ। সোমবার (১৬ মার্চ) জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ একাধিক দেশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন ব্যবহার করে এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। তবে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, আন্তর্জাতিক অনুমোদন ছাড়া তারা সামরিক পদক্ষেপে যেতে পারবে না। বার্লিনে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর অনুমোদন আমাদের কাছে নেই।’
মের্ৎস আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, অনেক দেশ সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও কয়েকটি দীর্ঘদিনের মিত্র দেশের অনীহা তাকে হতাশ করেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
এদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা অন্তত আরও তিন সপ্তাহ যুদ্ধ চালানোর পরিকল্পনা করেছে। দেশটির বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইরানের ড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জেরে এ অভিযান শুরু হয়।
এ পরিস্থিতিতে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, বড় পরিসরে ইসরায়েলি স্থল অভিযান ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে এবং সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে।

ইসরায়েলের দাবি, তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি বলেন, ‘আমরা এই শাসকগোষ্ঠীর সব সক্ষমতা দুর্বল করতে চাই।’
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনাগুলোকে তারা লক্ষ্যবস্তু করবে। সংশ্লিষ্ট স্থাপনার আশপাশের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি সচল না করে, তবে খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলোয় হামলা চালানো হতে পারে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী শুক্রবার (১৩ মার্চ) সেখানে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব দেশ থেকে খারগ দ্বীপে হামলা চালানো হবে, সেসব দেশের তেল ও গ্যাস স্থাপনাকেও নিশানা করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের দেশ যুদ্ধবিরতির কোনো অনুরোধ জানায়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বার্তা বিনিময়ও হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দিয়ে ইরানের ওপর হামলায় ভূমিকা রাখছে।
আরাঘচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শত শত ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ২০০ শিশু রয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে অনীহা মিত্রদের, হতাশ ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্রদেশ। সোমবার (১৬ মার্চ) জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ একাধিক দেশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন ব্যবহার করে এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। তবে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, আন্তর্জাতিক অনুমোদন ছাড়া তারা সামরিক পদক্ষেপে যেতে পারবে না। বার্লিনে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর অনুমোদন আমাদের কাছে নেই।’
মের্ৎস আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, অনেক দেশ সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও কয়েকটি দীর্ঘদিনের মিত্র দেশের অনীহা তাকে হতাশ করেছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
এদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা অন্তত আরও তিন সপ্তাহ যুদ্ধ চালানোর পরিকল্পনা করেছে। দেশটির বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইরানের ড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জেরে এ অভিযান শুরু হয়।
এ পরিস্থিতিতে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, বড় পরিসরে ইসরায়েলি স্থল অভিযান ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে এবং সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে।

ইসরায়েলের দাবি, তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি বলেন, ‘আমরা এই শাসকগোষ্ঠীর সব সক্ষমতা দুর্বল করতে চাই।’
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনাগুলোকে তারা লক্ষ্যবস্তু করবে। সংশ্লিষ্ট স্থাপনার আশপাশের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি সচল না করে, তবে খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলোয় হামলা চালানো হতে পারে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী শুক্রবার (১৩ মার্চ) সেখানে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব দেশ থেকে খারগ দ্বীপে হামলা চালানো হবে, সেসব দেশের তেল ও গ্যাস স্থাপনাকেও নিশানা করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের দেশ যুদ্ধবিরতির কোনো অনুরোধ জানায়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বার্তা বিনিময়ও হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দিয়ে ইরানের ওপর হামলায় ভূমিকা রাখছে।
আরাঘচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শত শত ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ২০০ শিশু রয়েছে।




