এক্সপ্লেইনার
জার্মানিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কারণ

জার্মানিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কারণ
সিটিজেন ডেস্ক

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জের সাম্প্রতিক এক মন্তব্যের কয়েক দিন পরই জার্মানি থেকে ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। উল্লেখ্য, চ্যান্সেলর মের্জ মন্তব্য করেছিলেন ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটন কার্যত পরাজিত এবং অপদস্থ হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু জার্মানিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়ে খুব দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
জার্মানিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ইতিহাস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময় থেকে শুরু। ১৯৪৫ সালে নাৎসি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় দেশটিতে ১৬ লাখ মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ছিল, যা এক বছরের মাথায় ৩ লাখে নেমে আসে। স্নায়ুযুদ্ধের শুরুতে এ উপস্থিতির উদ্দেশ্য নাৎসিকরণ রোধ থেকে পরিবর্তিত হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৯ সালে ন্যাটো এবং পশ্চিম জার্মানি গঠনের পর এ সামরিক ঘাঁটিগুলো সেখানে স্থায়ী রূপ পায়। স্নায়ুযুদ্ধের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০টি বড় সামরিক ঘাঁটি এবং ৮০০টিরও বেশি ছোট স্থাপনা ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে মোতায়েন ৬৮ হাজার সক্রিয় মার্কিন সেনার অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩৬,৪০০ জনই জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। সৈন্যরা প্রায় ২০ থেকে ৪০টি ঘাঁটিতে ছড়িয়ে আছেন, যার মধ্যে স্টুটগার্টে অবস্থিত ইউরোপীয় এবং আফ্রিকান কমান্ডের সদর দপ্তর অন্যতম। এ দপ্তরগুলো থেকেই দুই মহাদেশের মার্কিন সামরিক কার্যক্রম সমন্বয় করা হয়। এছাড়া রামস্টেইন বিমানঘাঁটি এবং ল্যান্ডস্টুল মেডিকেল সেন্টারের মতো স্থাপনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অপারেশনের জন্য অপরিহার্য কৌশলগত হাব হিসেবে কাজ করে। বর্তমানে এ ঘাঁটিগুলো কেবল জার্মানির নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং ইরাক, আফগানিস্তান এবং ইরানের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে মার্কিন সামরিক রসদ ও অভিযান পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
এটিই প্রথমবার নয় যে মার্কিন প্রশাসন জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে। ২০২০ সালে তার প্রথম মেয়াদে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানির ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় কম করার এবং নর্ড স্ট্রিম ২ গ্যাস পাইপলাইনে সমর্থনের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছিলেন। তৎকালীন বাইডেন প্রশাসন সে পরিকল্পনা স্থগিত ও বাতিল করে দেয়, তবে ট্রাম্পের এই নীতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জার্মানিতে সৈন্য মোতায়েন কোনো দয়া নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রধান হাতিয়ার। যদিও ২০২৬ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা আইন (NDAA) অনুযায়ী ইউরোপে স্থায়ী সৈন্য সংখ্যা ৭৫ হাজারের নিচে নামানোর ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও দীর্ঘ কয়েক দশকে গড়ে ওঠা রামস্টেইন বা স্টুটগার্টের মতো কৌশলগত হাবগুলোর গুরুত্ব কমিয়ে ফেললে পেন্টাগনের বৈশ্বিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জের সাম্প্রতিক এক মন্তব্যের কয়েক দিন পরই জার্মানি থেকে ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। উল্লেখ্য, চ্যান্সেলর মের্জ মন্তব্য করেছিলেন ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটন কার্যত পরাজিত এবং অপদস্থ হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু জার্মানিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়ে খুব দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
জার্মানিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ইতিহাস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময় থেকে শুরু। ১৯৪৫ সালে নাৎসি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় দেশটিতে ১৬ লাখ মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ছিল, যা এক বছরের মাথায় ৩ লাখে নেমে আসে। স্নায়ুযুদ্ধের শুরুতে এ উপস্থিতির উদ্দেশ্য নাৎসিকরণ রোধ থেকে পরিবর্তিত হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৯ সালে ন্যাটো এবং পশ্চিম জার্মানি গঠনের পর এ সামরিক ঘাঁটিগুলো সেখানে স্থায়ী রূপ পায়। স্নায়ুযুদ্ধের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০টি বড় সামরিক ঘাঁটি এবং ৮০০টিরও বেশি ছোট স্থাপনা ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে মোতায়েন ৬৮ হাজার সক্রিয় মার্কিন সেনার অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩৬,৪০০ জনই জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। সৈন্যরা প্রায় ২০ থেকে ৪০টি ঘাঁটিতে ছড়িয়ে আছেন, যার মধ্যে স্টুটগার্টে অবস্থিত ইউরোপীয় এবং আফ্রিকান কমান্ডের সদর দপ্তর অন্যতম। এ দপ্তরগুলো থেকেই দুই মহাদেশের মার্কিন সামরিক কার্যক্রম সমন্বয় করা হয়। এছাড়া রামস্টেইন বিমানঘাঁটি এবং ল্যান্ডস্টুল মেডিকেল সেন্টারের মতো স্থাপনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অপারেশনের জন্য অপরিহার্য কৌশলগত হাব হিসেবে কাজ করে। বর্তমানে এ ঘাঁটিগুলো কেবল জার্মানির নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং ইরাক, আফগানিস্তান এবং ইরানের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে মার্কিন সামরিক রসদ ও অভিযান পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
এটিই প্রথমবার নয় যে মার্কিন প্রশাসন জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে। ২০২০ সালে তার প্রথম মেয়াদে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানির ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় কম করার এবং নর্ড স্ট্রিম ২ গ্যাস পাইপলাইনে সমর্থনের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছিলেন। তৎকালীন বাইডেন প্রশাসন সে পরিকল্পনা স্থগিত ও বাতিল করে দেয়, তবে ট্রাম্পের এই নীতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জার্মানিতে সৈন্য মোতায়েন কোনো দয়া নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রধান হাতিয়ার। যদিও ২০২৬ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা আইন (NDAA) অনুযায়ী ইউরোপে স্থায়ী সৈন্য সংখ্যা ৭৫ হাজারের নিচে নামানোর ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও দীর্ঘ কয়েক দশকে গড়ে ওঠা রামস্টেইন বা স্টুটগার্টের মতো কৌশলগত হাবগুলোর গুরুত্ব কমিয়ে ফেললে পেন্টাগনের বৈশ্বিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জার্মানিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কারণ
সিটিজেন ডেস্ক

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জের সাম্প্রতিক এক মন্তব্যের কয়েক দিন পরই জার্মানি থেকে ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। উল্লেখ্য, চ্যান্সেলর মের্জ মন্তব্য করেছিলেন ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটন কার্যত পরাজিত এবং অপদস্থ হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু জার্মানিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়ে খুব দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
জার্মানিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ইতিহাস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময় থেকে শুরু। ১৯৪৫ সালে নাৎসি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় দেশটিতে ১৬ লাখ মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ছিল, যা এক বছরের মাথায় ৩ লাখে নেমে আসে। স্নায়ুযুদ্ধের শুরুতে এ উপস্থিতির উদ্দেশ্য নাৎসিকরণ রোধ থেকে পরিবর্তিত হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৯ সালে ন্যাটো এবং পশ্চিম জার্মানি গঠনের পর এ সামরিক ঘাঁটিগুলো সেখানে স্থায়ী রূপ পায়। স্নায়ুযুদ্ধের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০টি বড় সামরিক ঘাঁটি এবং ৮০০টিরও বেশি ছোট স্থাপনা ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপে মোতায়েন ৬৮ হাজার সক্রিয় মার্কিন সেনার অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩৬,৪০০ জনই জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। সৈন্যরা প্রায় ২০ থেকে ৪০টি ঘাঁটিতে ছড়িয়ে আছেন, যার মধ্যে স্টুটগার্টে অবস্থিত ইউরোপীয় এবং আফ্রিকান কমান্ডের সদর দপ্তর অন্যতম। এ দপ্তরগুলো থেকেই দুই মহাদেশের মার্কিন সামরিক কার্যক্রম সমন্বয় করা হয়। এছাড়া রামস্টেইন বিমানঘাঁটি এবং ল্যান্ডস্টুল মেডিকেল সেন্টারের মতো স্থাপনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অপারেশনের জন্য অপরিহার্য কৌশলগত হাব হিসেবে কাজ করে। বর্তমানে এ ঘাঁটিগুলো কেবল জার্মানির নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং ইরাক, আফগানিস্তান এবং ইরানের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে মার্কিন সামরিক রসদ ও অভিযান পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
এটিই প্রথমবার নয় যে মার্কিন প্রশাসন জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে। ২০২০ সালে তার প্রথম মেয়াদে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানির ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় কম করার এবং নর্ড স্ট্রিম ২ গ্যাস পাইপলাইনে সমর্থনের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছিলেন। তৎকালীন বাইডেন প্রশাসন সে পরিকল্পনা স্থগিত ও বাতিল করে দেয়, তবে ট্রাম্পের এই নীতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জার্মানিতে সৈন্য মোতায়েন কোনো দয়া নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রধান হাতিয়ার। যদিও ২০২৬ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা আইন (NDAA) অনুযায়ী ইউরোপে স্থায়ী সৈন্য সংখ্যা ৭৫ হাজারের নিচে নামানোর ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও দীর্ঘ কয়েক দশকে গড়ে ওঠা রামস্টেইন বা স্টুটগার্টের মতো কৌশলগত হাবগুলোর গুরুত্ব কমিয়ে ফেললে পেন্টাগনের বৈশ্বিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


