গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিশাল স্বর্ণের খনির সন্ধান পেলো চীন

গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিশাল স্বর্ণের খনির সন্ধান পেলো চীন
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিশাল এক খনিজ ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছেন চীনের গবেষকরা। দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্গত একটি এলাকায় টানা ১৮ দিনের সফল অভিযান চালিয়ে এ খনিটির সন্ধান পায় বিজ্ঞানীরা।
দেশটির ‘সিয়াংইয়াংহং ১০’ নামের গবেষণা জাহাজটি এ অভিযানে অংশ নেয়। বিজ্ঞানীরা অত্যাধুনিক ডুবোযান ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে নতুন এ খনিজ ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন।
উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎস বা হাইড্রোথার্মাল ভেন্টের আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা আকরিকগুলোর প্রাথমিক পরীক্ষা বেশ চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছে। এখানকার মাটির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, স্থলভাগের বহু খনির চেয়েও এখানে স্বর্ণ ও রূপার পরিমাণ অনেক বেশি। কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫.৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১২৭১ গ্রাম রূপা পাওয়া গেছে। স্বর্ণ-রূপার পাশাপাশি তামা ও দস্তার মতো জরুরি ধাতু এবং প্রচুর পলিমেটালিক সালফাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এই ভান্ডারে। এটি বিশ্বমানের যেকোনো সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ আমানতের সমতুল্য। তাছাড়া এই চরম ও প্রতিকূল পরিবেশের বুকেই বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্বও লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা।
তবে এত সম্পদের খোঁজ মিললেও এখনই তা কাজে লাগানো বা তোলার কোনো সুযোগ নেই। গভীর সমুদ্রের অত্যধিক চাপ ও নানা জটিল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই সম্পদ এখনই উত্তোলন করা সম্ভব নয়।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিশাল এক খনিজ ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছেন চীনের গবেষকরা। দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্গত একটি এলাকায় টানা ১৮ দিনের সফল অভিযান চালিয়ে এ খনিটির সন্ধান পায় বিজ্ঞানীরা।
দেশটির ‘সিয়াংইয়াংহং ১০’ নামের গবেষণা জাহাজটি এ অভিযানে অংশ নেয়। বিজ্ঞানীরা অত্যাধুনিক ডুবোযান ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে নতুন এ খনিজ ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন।
উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎস বা হাইড্রোথার্মাল ভেন্টের আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা আকরিকগুলোর প্রাথমিক পরীক্ষা বেশ চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছে। এখানকার মাটির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, স্থলভাগের বহু খনির চেয়েও এখানে স্বর্ণ ও রূপার পরিমাণ অনেক বেশি। কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫.৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১২৭১ গ্রাম রূপা পাওয়া গেছে। স্বর্ণ-রূপার পাশাপাশি তামা ও দস্তার মতো জরুরি ধাতু এবং প্রচুর পলিমেটালিক সালফাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এই ভান্ডারে। এটি বিশ্বমানের যেকোনো সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ আমানতের সমতুল্য। তাছাড়া এই চরম ও প্রতিকূল পরিবেশের বুকেই বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্বও লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা।
তবে এত সম্পদের খোঁজ মিললেও এখনই তা কাজে লাগানো বা তোলার কোনো সুযোগ নেই। গভীর সমুদ্রের অত্যধিক চাপ ও নানা জটিল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই সম্পদ এখনই উত্তোলন করা সম্ভব নয়।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিশাল স্বর্ণের খনির সন্ধান পেলো চীন
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিশাল এক খনিজ ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছেন চীনের গবেষকরা। দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্গত একটি এলাকায় টানা ১৮ দিনের সফল অভিযান চালিয়ে এ খনিটির সন্ধান পায় বিজ্ঞানীরা।
দেশটির ‘সিয়াংইয়াংহং ১০’ নামের গবেষণা জাহাজটি এ অভিযানে অংশ নেয়। বিজ্ঞানীরা অত্যাধুনিক ডুবোযান ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে নতুন এ খনিজ ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন।
উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎস বা হাইড্রোথার্মাল ভেন্টের আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা আকরিকগুলোর প্রাথমিক পরীক্ষা বেশ চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছে। এখানকার মাটির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, স্থলভাগের বহু খনির চেয়েও এখানে স্বর্ণ ও রূপার পরিমাণ অনেক বেশি। কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫.৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১২৭১ গ্রাম রূপা পাওয়া গেছে। স্বর্ণ-রূপার পাশাপাশি তামা ও দস্তার মতো জরুরি ধাতু এবং প্রচুর পলিমেটালিক সালফাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এই ভান্ডারে। এটি বিশ্বমানের যেকোনো সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ আমানতের সমতুল্য। তাছাড়া এই চরম ও প্রতিকূল পরিবেশের বুকেই বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্বও লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা।
তবে এত সম্পদের খোঁজ মিললেও এখনই তা কাজে লাগানো বা তোলার কোনো সুযোগ নেই। গভীর সমুদ্রের অত্যধিক চাপ ও নানা জটিল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই সম্পদ এখনই উত্তোলন করা সম্ভব নয়।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

রোবট দিয়েই রোবট তৈরি, চীনের নতুন চমক







