অসুস্থ বাবাকে বাঁচাতে ৭ বছরের দিয়ার আকুতি

অসুস্থ বাবাকে বাঁচাতে ৭ বছরের দিয়ার আকুতি
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

‘বাবা ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আমার বাবা বাঁচতে চান। কিন্তু বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হবে, অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা গরিব মানুষ, নেই জমিজমা– এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমার বাবাকে বাঁচাতে সাহায্য করুন।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিল সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামের ৭ বছরের শিশু দিয়া ব্যানার্জী। অসুস্থ বাবার দিকে তাকিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছে ছোট্ট মেয়েটি।
দিয়ার বাবা শুভংকার ব্যানার্জী পেশায় পুরোহিত। স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। বিভিন্ন ধর্মীয় পূজা-পার্বণে পুরোহিতের কাজ করে পরিবারের জীবিকা চালাতেন তিনি। তবে বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী শুভংকার। তার এমন অবস্থাতে ভেঙে পড়েছে পরিবারের অন্য সদস্যরাও।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুভংকারের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এবং দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও সেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারের নেই।
দিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘বাবার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শরীর দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তাররা বলেছেন তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। এখন অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু আমরা এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমাদের প্রতি একটু দয়া করেন। আমার বাবাকে বাঁচান।’
একসময় পরিবারের একমাত্র ভরসা ছিলেন শুভংকার। নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন। সেই বাবাই এখন বিছানায় শুয়ে প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে লড়াই করছেন।
শুভংকারের ছোট মেয়ে হিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বাবা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। আজ বাবা অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। আমরা কী করব, কোথায় যাবো– কিছুই জানি না।’
শুভংকারের দাদা শিবপদ ব্যানার্জী বলেন, প্রায় এক বছর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বাংলাদেশে চিকিৎসকরা তার ভাইয়ের ফুসফুসের জটিলতা শনাক্ত করেন। পরে ভারতের কল্যাণীতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরাও জানান, তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে এবং অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তিনি বলেন, ভাইয়ের চিকিৎসায় পরিবারের সামর্থ্যের সবটুকু ইতোমধ্যে ব্যয় হয়ে গেছে। ধারদেনা ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়েও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার খরচ বাড়ছে, অথচ পরিবারের এখন কোনো আয় নেই।
অসুস্থ স্বামীর পাশে দিন-রাত কাটছে অসীমা ব্যানার্জীর। স্বামীকে সুস্থ করে তুলতে সহায়তার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ডাক্তার বলেছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে তার অবস্থার উন্নতি হতে পারে। কিন্তু ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো অর্থ তাদের কাছে নেই।
তিনি বলেন, ‘স্বামীকে এভাবে কষ্ট পেতে দেখে আমি সহ্য করতে পারছি না। টাকা না থাকায় যদি স্বামীকে হারাতে হয়, তাহলে আমি নিজেকে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারবো না।’
বর্তমানে শুভংকার ব্যানার্জীর চিকিৎসার জন্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে আছে পরিবারটি। তাদের একটাই চাওয়া– অর্থের অভাবে যেন তিন মেয়ের মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে না যায়।

‘বাবা ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আমার বাবা বাঁচতে চান। কিন্তু বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হবে, অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা গরিব মানুষ, নেই জমিজমা– এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমার বাবাকে বাঁচাতে সাহায্য করুন।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিল সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামের ৭ বছরের শিশু দিয়া ব্যানার্জী। অসুস্থ বাবার দিকে তাকিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছে ছোট্ট মেয়েটি।
দিয়ার বাবা শুভংকার ব্যানার্জী পেশায় পুরোহিত। স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। বিভিন্ন ধর্মীয় পূজা-পার্বণে পুরোহিতের কাজ করে পরিবারের জীবিকা চালাতেন তিনি। তবে বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী শুভংকার। তার এমন অবস্থাতে ভেঙে পড়েছে পরিবারের অন্য সদস্যরাও।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুভংকারের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এবং দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও সেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারের নেই।
দিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘বাবার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শরীর দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তাররা বলেছেন তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। এখন অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু আমরা এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমাদের প্রতি একটু দয়া করেন। আমার বাবাকে বাঁচান।’
একসময় পরিবারের একমাত্র ভরসা ছিলেন শুভংকার। নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন। সেই বাবাই এখন বিছানায় শুয়ে প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে লড়াই করছেন।
শুভংকারের ছোট মেয়ে হিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বাবা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। আজ বাবা অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। আমরা কী করব, কোথায় যাবো– কিছুই জানি না।’
শুভংকারের দাদা শিবপদ ব্যানার্জী বলেন, প্রায় এক বছর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বাংলাদেশে চিকিৎসকরা তার ভাইয়ের ফুসফুসের জটিলতা শনাক্ত করেন। পরে ভারতের কল্যাণীতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরাও জানান, তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে এবং অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তিনি বলেন, ভাইয়ের চিকিৎসায় পরিবারের সামর্থ্যের সবটুকু ইতোমধ্যে ব্যয় হয়ে গেছে। ধারদেনা ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়েও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার খরচ বাড়ছে, অথচ পরিবারের এখন কোনো আয় নেই।
অসুস্থ স্বামীর পাশে দিন-রাত কাটছে অসীমা ব্যানার্জীর। স্বামীকে সুস্থ করে তুলতে সহায়তার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ডাক্তার বলেছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে তার অবস্থার উন্নতি হতে পারে। কিন্তু ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো অর্থ তাদের কাছে নেই।
তিনি বলেন, ‘স্বামীকে এভাবে কষ্ট পেতে দেখে আমি সহ্য করতে পারছি না। টাকা না থাকায় যদি স্বামীকে হারাতে হয়, তাহলে আমি নিজেকে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারবো না।’
বর্তমানে শুভংকার ব্যানার্জীর চিকিৎসার জন্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে আছে পরিবারটি। তাদের একটাই চাওয়া– অর্থের অভাবে যেন তিন মেয়ের মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে না যায়।

অসুস্থ বাবাকে বাঁচাতে ৭ বছরের দিয়ার আকুতি
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

‘বাবা ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আমার বাবা বাঁচতে চান। কিন্তু বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হবে, অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা গরিব মানুষ, নেই জমিজমা– এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমার বাবাকে বাঁচাতে সাহায্য করুন।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিল সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামের ৭ বছরের শিশু দিয়া ব্যানার্জী। অসুস্থ বাবার দিকে তাকিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছে ছোট্ট মেয়েটি।
দিয়ার বাবা শুভংকার ব্যানার্জী পেশায় পুরোহিত। স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। বিভিন্ন ধর্মীয় পূজা-পার্বণে পুরোহিতের কাজ করে পরিবারের জীবিকা চালাতেন তিনি। তবে বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী শুভংকার। তার এমন অবস্থাতে ভেঙে পড়েছে পরিবারের অন্য সদস্যরাও।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুভংকারের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এবং দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও সেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারের নেই।
দিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘বাবার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শরীর দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তাররা বলেছেন তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। এখন অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু আমরা এত টাকা কোথায় পাবো? আপনারা আমাদের প্রতি একটু দয়া করেন। আমার বাবাকে বাঁচান।’
একসময় পরিবারের একমাত্র ভরসা ছিলেন শুভংকার। নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন। সেই বাবাই এখন বিছানায় শুয়ে প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে লড়াই করছেন।
শুভংকারের ছোট মেয়ে হিয়া ব্যানার্জী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বাবা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। আজ বাবা অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। আমরা কী করব, কোথায় যাবো– কিছুই জানি না।’
শুভংকারের দাদা শিবপদ ব্যানার্জী বলেন, প্রায় এক বছর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বাংলাদেশে চিকিৎসকরা তার ভাইয়ের ফুসফুসের জটিলতা শনাক্ত করেন। পরে ভারতের কল্যাণীতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরাও জানান, তার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে এবং অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তিনি বলেন, ভাইয়ের চিকিৎসায় পরিবারের সামর্থ্যের সবটুকু ইতোমধ্যে ব্যয় হয়ে গেছে। ধারদেনা ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়েও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার খরচ বাড়ছে, অথচ পরিবারের এখন কোনো আয় নেই।
অসুস্থ স্বামীর পাশে দিন-রাত কাটছে অসীমা ব্যানার্জীর। স্বামীকে সুস্থ করে তুলতে সহায়তার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ডাক্তার বলেছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে তার অবস্থার উন্নতি হতে পারে। কিন্তু ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো অর্থ তাদের কাছে নেই।
তিনি বলেন, ‘স্বামীকে এভাবে কষ্ট পেতে দেখে আমি সহ্য করতে পারছি না। টাকা না থাকায় যদি স্বামীকে হারাতে হয়, তাহলে আমি নিজেকে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারবো না।’
বর্তমানে শুভংকার ব্যানার্জীর চিকিৎসার জন্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে আছে পরিবারটি। তাদের একটাই চাওয়া– অর্থের অভাবে যেন তিন মেয়ের মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে না যায়।

সাদিয়াকে বাঁচাতে শখের কবুতর বিক্রি করছেন তিতুমীরের শিক্ষক







