রাজউক পরিচালকের পদে নিয়োগ পাচ্ছে না নিজস্ব কর্মকর্তারা

রাজউক পরিচালকের পদে নিয়োগ পাচ্ছে না নিজস্ব কর্মকর্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পাঁচ সদস্যসহ নীতিনির্ধারণী ও গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি প্রায় সব পদে আছেন প্রেষণে আসা আমলারা। এর মধ্যে আছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের পদগুলোও। বর্তমানে রাজউকের প্রধান অফিসের আটটি পরিচালক পদের চারটি খালি রয়েছে। যে চারটি পদে পরিচালক আছেন, তারা প্রেষণে আসা। খালি থাকা চার পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রেষণে আসতে আগ্রহী নন বলে জানা গেছে। এরপরও রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে না। বর্তমানে রাজউকে জোন-২, জোন-৩, জোন-৮ এবং বোর্ড, জনসংযোগ ও প্রোটোকল; এই চারটি পরিচালকের পদ খালি আছে। এই পদে পরিচালক চেয়ে রাজউক থেকে অনেকবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রিকুইজিশন দেওয়ার পরও কোনো কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়নি।
কেন রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক পদে পদায়ন করা হচ্ছে না– এমন প্রশ্নের উত্তরে রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ) মো. শাহীনুর আলম সিজেডএনকে বলেছেন, ‘পরিচালক হতে হলে যে শর্ত পূরণ করতে হয়, সেটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তাদের কারও নেই।’ সেই শর্ত আসলে কী, জানতে চাইলে শাহীনুর আলম বলেন, ‘উপপরিচালক পদে কমপক্ষে পাঁচ বছর চাকরি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’
রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে এই মুহূর্তে যারা উপপরিচালক পদে আছেন, তারা সবাই পদোন্নতি পেয়েছেন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় পদোন্নতি পাওয়া রাজউকের ১৬ জন কর্মকর্তার উপপরিচালক পদে চাকরির অভিজ্ঞতা এখন সাড়ে তিন বছরের একটু বেশি।
রাজউক প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক হতে চেয়ারম্যান পর্যন্ত কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া। রাজউকের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকায় রাজউক নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না এবং একটি পরনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ২-৩ বছর সময়ের জন্য নিযুক্ত হওয়ার কারণে তাদের কাজ ও দক্ষতার ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় না।
নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি না হওয়ার কারণে রাজউক কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না বলেও মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির অনেক কর্মকর্তা। এভাবে চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তারা ধীরে ধীরে হতাশা হয়ে যাবেন বলেও মনে করছেন তারা। এমন নয় যে, রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব দিয়ে উচ্চ পদে পদায়ন করলে সরকারের আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
নগর-পরিকল্পনাবিদ ও রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য দেশে এসব পদে পেশাদার প্রকৌশলী ও নগর-পরিকল্পনাবিদরা দায়িত্ব পালন করেন। রাজউকের এমন পেশাদার কর্মকর্তা থাকলেও আইনের কারণে তারা পদবঞ্চিত হচ্ছেন। এতে একদিকে রাজউকের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন নকশা অনুমোদনের ত্রুটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাই কারিগরি পদে নন-টেকনিক্যাল আমলাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজউক আইন পর্যালোচনা করতে হবে।

বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পাঁচ সদস্যসহ নীতিনির্ধারণী ও গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি প্রায় সব পদে আছেন প্রেষণে আসা আমলারা। এর মধ্যে আছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের পদগুলোও। বর্তমানে রাজউকের প্রধান অফিসের আটটি পরিচালক পদের চারটি খালি রয়েছে। যে চারটি পদে পরিচালক আছেন, তারা প্রেষণে আসা। খালি থাকা চার পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রেষণে আসতে আগ্রহী নন বলে জানা গেছে। এরপরও রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে না। বর্তমানে রাজউকে জোন-২, জোন-৩, জোন-৮ এবং বোর্ড, জনসংযোগ ও প্রোটোকল; এই চারটি পরিচালকের পদ খালি আছে। এই পদে পরিচালক চেয়ে রাজউক থেকে অনেকবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রিকুইজিশন দেওয়ার পরও কোনো কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়নি।
কেন রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক পদে পদায়ন করা হচ্ছে না– এমন প্রশ্নের উত্তরে রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ) মো. শাহীনুর আলম সিজেডএনকে বলেছেন, ‘পরিচালক হতে হলে যে শর্ত পূরণ করতে হয়, সেটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তাদের কারও নেই।’ সেই শর্ত আসলে কী, জানতে চাইলে শাহীনুর আলম বলেন, ‘উপপরিচালক পদে কমপক্ষে পাঁচ বছর চাকরি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’
রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে এই মুহূর্তে যারা উপপরিচালক পদে আছেন, তারা সবাই পদোন্নতি পেয়েছেন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় পদোন্নতি পাওয়া রাজউকের ১৬ জন কর্মকর্তার উপপরিচালক পদে চাকরির অভিজ্ঞতা এখন সাড়ে তিন বছরের একটু বেশি।
রাজউক প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক হতে চেয়ারম্যান পর্যন্ত কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া। রাজউকের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকায় রাজউক নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না এবং একটি পরনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ২-৩ বছর সময়ের জন্য নিযুক্ত হওয়ার কারণে তাদের কাজ ও দক্ষতার ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় না।
নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি না হওয়ার কারণে রাজউক কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না বলেও মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির অনেক কর্মকর্তা। এভাবে চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তারা ধীরে ধীরে হতাশা হয়ে যাবেন বলেও মনে করছেন তারা। এমন নয় যে, রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব দিয়ে উচ্চ পদে পদায়ন করলে সরকারের আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
নগর-পরিকল্পনাবিদ ও রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য দেশে এসব পদে পেশাদার প্রকৌশলী ও নগর-পরিকল্পনাবিদরা দায়িত্ব পালন করেন। রাজউকের এমন পেশাদার কর্মকর্তা থাকলেও আইনের কারণে তারা পদবঞ্চিত হচ্ছেন। এতে একদিকে রাজউকের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন নকশা অনুমোদনের ত্রুটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাই কারিগরি পদে নন-টেকনিক্যাল আমলাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজউক আইন পর্যালোচনা করতে হবে।

রাজউক পরিচালকের পদে নিয়োগ পাচ্ছে না নিজস্ব কর্মকর্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পাঁচ সদস্যসহ নীতিনির্ধারণী ও গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি প্রায় সব পদে আছেন প্রেষণে আসা আমলারা। এর মধ্যে আছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের পদগুলোও। বর্তমানে রাজউকের প্রধান অফিসের আটটি পরিচালক পদের চারটি খালি রয়েছে। যে চারটি পদে পরিচালক আছেন, তারা প্রেষণে আসা। খালি থাকা চার পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রেষণে আসতে আগ্রহী নন বলে জানা গেছে। এরপরও রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে না। বর্তমানে রাজউকে জোন-২, জোন-৩, জোন-৮ এবং বোর্ড, জনসংযোগ ও প্রোটোকল; এই চারটি পরিচালকের পদ খালি আছে। এই পদে পরিচালক চেয়ে রাজউক থেকে অনেকবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রিকুইজিশন দেওয়ার পরও কোনো কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়নি।
কেন রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পরিচালক পদে পদায়ন করা হচ্ছে না– এমন প্রশ্নের উত্তরে রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ) মো. শাহীনুর আলম সিজেডএনকে বলেছেন, ‘পরিচালক হতে হলে যে শর্ত পূরণ করতে হয়, সেটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তাদের কারও নেই।’ সেই শর্ত আসলে কী, জানতে চাইলে শাহীনুর আলম বলেন, ‘উপপরিচালক পদে কমপক্ষে পাঁচ বছর চাকরি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’
রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে এই মুহূর্তে যারা উপপরিচালক পদে আছেন, তারা সবাই পদোন্নতি পেয়েছেন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় পদোন্নতি পাওয়া রাজউকের ১৬ জন কর্মকর্তার উপপরিচালক পদে চাকরির অভিজ্ঞতা এখন সাড়ে তিন বছরের একটু বেশি।
রাজউক প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক হতে চেয়ারম্যান পর্যন্ত কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া। রাজউকের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকায় রাজউক নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না এবং একটি পরনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ২-৩ বছর সময়ের জন্য নিযুক্ত হওয়ার কারণে তাদের কাজ ও দক্ষতার ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় না।
নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি না হওয়ার কারণে রাজউক কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না বলেও মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির অনেক কর্মকর্তা। এভাবে চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মকর্তারা ধীরে ধীরে হতাশা হয়ে যাবেন বলেও মনে করছেন তারা। এমন নয় যে, রাজউকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব দিয়ে উচ্চ পদে পদায়ন করলে সরকারের আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
নগর-পরিকল্পনাবিদ ও রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য দেশে এসব পদে পেশাদার প্রকৌশলী ও নগর-পরিকল্পনাবিদরা দায়িত্ব পালন করেন। রাজউকের এমন পেশাদার কর্মকর্তা থাকলেও আইনের কারণে তারা পদবঞ্চিত হচ্ছেন। এতে একদিকে রাজউকের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন নকশা অনুমোদনের ত্রুটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাই কারিগরি পদে নন-টেকনিক্যাল আমলাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজউক আইন পর্যালোচনা করতে হবে।









