এবার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট

এবার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট
বাগেরহাট সংবাদদাতা

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লা চালিত। মাঝে কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমেছিল। বর্তমানে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটে প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছিল ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, কী কারণে বন্ধ হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে কাজ চলছে। দ্রুতই উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কয়লার পর্যাপ্ত মজুত আছে।
এর আগে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্র বলছে, রবিবার দুপুর ১২টায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে পুনরায় বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্র বলছে, বেলা ২টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর আগে সকালের দিকে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল তারা। বিকালের দিকে সরবরাহ বেড়ে এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লা চালিত। মাঝে কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমেছিল। বর্তমানে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটে প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছিল ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, কী কারণে বন্ধ হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে কাজ চলছে। দ্রুতই উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কয়লার পর্যাপ্ত মজুত আছে।
এর আগে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্র বলছে, রবিবার দুপুর ১২টায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে পুনরায় বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্র বলছে, বেলা ২টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর আগে সকালের দিকে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল তারা। বিকালের দিকে সরবরাহ বেড়ে এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।

এবার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট
বাগেরহাট সংবাদদাতা

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লা চালিত। মাঝে কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমেছিল। বর্তমানে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। প্ল্যান্টের দুটি ইউনিটে প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছিল ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, কী কারণে বন্ধ হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে কাজ চলছে। দ্রুতই উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কয়লার পর্যাপ্ত মজুত আছে।
এর আগে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্র বলছে, রবিবার দুপুর ১২টায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে পুনরায় বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্র বলছে, বেলা ২টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর আগে সকালের দিকে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল তারা। বিকালের দিকে সরবরাহ বেড়ে এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।

আদানির বিকল ইউনিট চালু হয়েছে, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ







