ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে জাপান
সিটিজেন ডেস্ক

ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে জাপান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ১৬

জাপানের টাইপ-৮৮ ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত
বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা মোকাবিলায় ফিলিপাইনের কাছে ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সম্প্রতি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা নীতি সংস্কার করেছে জাপান। নতুন নীতিমালায় যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করল টোকিও। তবে জাপানের এ সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নেয়নি বেইজিং। বিশেষ করে, গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এক মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের যেকোনো সামরিক হামলা যদি জাপানের সার্বভৌমত্ব বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তবে টোকিও তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
এ আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই একদিন আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যেকোনো ধরনের ভুল পদক্ষেপ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই ফিলিপাইনের কাছে জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির খবর সামনে এলো। অবশ্য এর আগেও ম্যানিলার কাছে আবুকুমা-শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্র এবং টিসি-৯০ নজরদারি বিমান সরবরাহের আগ্রহ দেখিয়েছিল টোকিও। তবে ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানির সাম্প্রতিক তথ্যের বিষয়ে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে, ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। চলতি মাসেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে আয়োজিত একটি যৌথ সামুদ্রিক সামরিক মহড়ায় জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স তাদের টাইপ-৮৮ অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইন এবং জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইনের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চলটি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামুদ্রিক আধিপত্য ও প্রবেশাধিকার সীমিত রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে। আর এ কারণেই এ অঞ্চলের পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে জাপানের কাছ থেকে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া ও পোল্যান্ডের মতো দেশগুলোও।
সূত্র: রয়টার্স

বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা মোকাবিলায় ফিলিপাইনের কাছে ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সম্প্রতি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা নীতি সংস্কার করেছে জাপান। নতুন নীতিমালায় যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করল টোকিও। তবে জাপানের এ সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নেয়নি বেইজিং। বিশেষ করে, গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এক মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের যেকোনো সামরিক হামলা যদি জাপানের সার্বভৌমত্ব বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তবে টোকিও তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
এ আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই একদিন আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যেকোনো ধরনের ভুল পদক্ষেপ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই ফিলিপাইনের কাছে জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির খবর সামনে এলো। অবশ্য এর আগেও ম্যানিলার কাছে আবুকুমা-শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্র এবং টিসি-৯০ নজরদারি বিমান সরবরাহের আগ্রহ দেখিয়েছিল টোকিও। তবে ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানির সাম্প্রতিক তথ্যের বিষয়ে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে, ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। চলতি মাসেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে আয়োজিত একটি যৌথ সামুদ্রিক সামরিক মহড়ায় জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স তাদের টাইপ-৮৮ অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইন এবং জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইনের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চলটি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামুদ্রিক আধিপত্য ও প্রবেশাধিকার সীমিত রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে। আর এ কারণেই এ অঞ্চলের পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে জাপানের কাছ থেকে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া ও পোল্যান্ডের মতো দেশগুলোও।
সূত্র: রয়টার্স

ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে জাপান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ১৬

জাপানের টাইপ-৮৮ ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত
বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা মোকাবিলায় ফিলিপাইনের কাছে ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। শুক্রবার (১৫ মে) জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সম্প্রতি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা নীতি সংস্কার করেছে জাপান। নতুন নীতিমালায় যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করল টোকিও। তবে জাপানের এ সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নেয়নি বেইজিং। বিশেষ করে, গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এক মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের যেকোনো সামরিক হামলা যদি জাপানের সার্বভৌমত্ব বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তবে টোকিও তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
এ আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই একদিন আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যেকোনো ধরনের ভুল পদক্ষেপ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই ফিলিপাইনের কাছে জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির খবর সামনে এলো। অবশ্য এর আগেও ম্যানিলার কাছে আবুকুমা-শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্র এবং টিসি-৯০ নজরদারি বিমান সরবরাহের আগ্রহ দেখিয়েছিল টোকিও। তবে ফিলিপাইনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানির সাম্প্রতিক তথ্যের বিষয়ে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে, ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। চলতি মাসেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে আয়োজিত একটি যৌথ সামুদ্রিক সামরিক মহড়ায় জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স তাদের টাইপ-৮৮ অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইন এবং জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইনের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চলটি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামুদ্রিক আধিপত্য ও প্রবেশাধিকার সীমিত রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে। আর এ কারণেই এ অঞ্চলের পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে জাপানের কাছ থেকে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া ও পোল্যান্ডের মতো দেশগুলোও।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

অস্ট্রেলিয়ায় যুদ্ধজাহাজ সরবরাহে ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি জাপানের


