ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার থেকেও বেশি উদ্বিগ্ন রাজা চার্লস: ট্রাম্প

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার থেকেও বেশি উদ্বিগ্ন রাজা চার্লস: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এক জমকালো রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তার সঙ্গে জোরালোভাবে একমত পোষণ করেছেন। নিজের প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে খুবই ইতিবাচক ও সফল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে এ নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছে এবং তাদের হাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক সক্ষমতা পৌঁছাতে দেওয়া হবে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক সৌজন্যের আড়ালে ট্রাম্প মূলত একটি কৌশলী চাল চেলেছেন। বর্তমানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কিছুটা শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। সে সময়ে রাজার নাম ব্যবহার করাকে ট্রাম্পের নিজের নীতির পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকারের ভিন্ন অবস্থানের বিপরীতে রাজপরিবারকে এ বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা হলেও রাজা চার্লস তার বক্তব্যে সরাসরি ইরান প্রসঙ্গ বা ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে কোনো সম্মতি বা দ্বিমত প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের অপরিহার্য জোট ও বন্ধুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন সবসময় সুসময় ও দুঃসময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জোট ন্যাটোর গুরুত্ব এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তার ভাষণে। অ্যাপলের টিম কুক, আমাজনের জেফ বেজোস এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তিখাতে প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে এ নৈশভোজ মূলত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয়েছিল। তবে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ বন্ধ করতে তেহরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাঝে এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এক জমকালো রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তার সঙ্গে জোরালোভাবে একমত পোষণ করেছেন। নিজের প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে খুবই ইতিবাচক ও সফল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে এ নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছে এবং তাদের হাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক সক্ষমতা পৌঁছাতে দেওয়া হবে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক সৌজন্যের আড়ালে ট্রাম্প মূলত একটি কৌশলী চাল চেলেছেন। বর্তমানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কিছুটা শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। সে সময়ে রাজার নাম ব্যবহার করাকে ট্রাম্পের নিজের নীতির পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকারের ভিন্ন অবস্থানের বিপরীতে রাজপরিবারকে এ বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা হলেও রাজা চার্লস তার বক্তব্যে সরাসরি ইরান প্রসঙ্গ বা ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে কোনো সম্মতি বা দ্বিমত প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের অপরিহার্য জোট ও বন্ধুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন সবসময় সুসময় ও দুঃসময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জোট ন্যাটোর গুরুত্ব এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তার ভাষণে। অ্যাপলের টিম কুক, আমাজনের জেফ বেজোস এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তিখাতে প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে এ নৈশভোজ মূলত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয়েছিল। তবে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ বন্ধ করতে তেহরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাঝে এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার থেকেও বেশি উদ্বিগ্ন রাজা চার্লস: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এক জমকালো রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তার সঙ্গে জোরালোভাবে একমত পোষণ করেছেন। নিজের প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে খুবই ইতিবাচক ও সফল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে এ নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছে এবং তাদের হাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক সক্ষমতা পৌঁছাতে দেওয়া হবে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক সৌজন্যের আড়ালে ট্রাম্প মূলত একটি কৌশলী চাল চেলেছেন। বর্তমানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কিছুটা শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। সে সময়ে রাজার নাম ব্যবহার করাকে ট্রাম্পের নিজের নীতির পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকারের ভিন্ন অবস্থানের বিপরীতে রাজপরিবারকে এ বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা হলেও রাজা চার্লস তার বক্তব্যে সরাসরি ইরান প্রসঙ্গ বা ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে কোনো সম্মতি বা দ্বিমত প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের অপরিহার্য জোট ও বন্ধুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন সবসময় সুসময় ও দুঃসময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জোট ন্যাটোর গুরুত্ব এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তার ভাষণে। অ্যাপলের টিম কুক, আমাজনের জেফ বেজোস এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তিখাতে প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে এ নৈশভোজ মূলত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয়েছিল। তবে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ বন্ধ করতে তেহরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাঝে এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে হামলার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি ট্রাম্পের
ইরানের পারমাণবিক নীতির পক্ষে রাশিয়া


