‘সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা’

‘সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারী বৃষ্টিতে হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘হাওর এলাকায় যে সমস্ত কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল থেকে একটি বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ করেছি। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ পুষিয়ে দেওয়া হয়তো সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। তবে কৃষকদের বিপদ ও মানসিক চাপ লাঘব করতে আমরা কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী তিন মাস চলবে এই সহায়তা কার্যক্রম।’
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের কৃষি অফিসাররা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করছেন। একটি বিশেষ কমিটি এবং নীতিমালার ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই পুরো বিষয়টি তদারকি করছে।’
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আশা করছি, এই সহায়তার ফলে হাওর এলাকার কৃষকেরা আগামী মৌসুমে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।’

ভারী বৃষ্টিতে হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘হাওর এলাকায় যে সমস্ত কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল থেকে একটি বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ করেছি। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ পুষিয়ে দেওয়া হয়তো সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। তবে কৃষকদের বিপদ ও মানসিক চাপ লাঘব করতে আমরা কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী তিন মাস চলবে এই সহায়তা কার্যক্রম।’
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের কৃষি অফিসাররা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করছেন। একটি বিশেষ কমিটি এবং নীতিমালার ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই পুরো বিষয়টি তদারকি করছে।’
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আশা করছি, এই সহায়তার ফলে হাওর এলাকার কৃষকেরা আগামী মৌসুমে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।’

‘সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারী বৃষ্টিতে হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘হাওর এলাকায় যে সমস্ত কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল থেকে একটি বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ করেছি। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ পুষিয়ে দেওয়া হয়তো সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। তবে কৃষকদের বিপদ ও মানসিক চাপ লাঘব করতে আমরা কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী তিন মাস চলবে এই সহায়তা কার্যক্রম।’
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের কৃষি অফিসাররা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করছেন। একটি বিশেষ কমিটি এবং নীতিমালার ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই পুরো বিষয়টি তদারকি করছে।’
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আশা করছি, এই সহায়তার ফলে হাওর এলাকার কৃষকেরা আগামী মৌসুমে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।’

হাওরের ফসল ডুবে কৃষকের সর্বনাশ


