ডিমের বাজারে আবারও অস্থিরতা

ডিমের বাজারে আবারও অস্থিরতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ডিমের বাজার আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম প্রতি ডজনে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম কিনতে গিয়েও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ভোক্তাদের কপালে।
অভিযোগ উঠেছে, দাম নিয়ে এমন অস্থিরতার পিছনে কলকাঠি নাড়ছে বড় আড়তদাররা। পাশাপাশি তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির নির্ধারণ দামেই সারা দেশে ডিম বেচাকেনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক খামারিরা।
ক্রেতারা জানান, ২০-২৫ দিন আগেও প্রতি ডজন ডিমের দাম ছিল ৯৫ থেকে ১১০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম আরও বেড়ে বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, প্রতিনিয়তই বাজারে মাছ, মাংস, শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে আয় বৃদ্ধি না হওয়ায় জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ বলেও দাবি করেন সাধারণ ক্রেতারা।
সরেজমিনেও মিলেছে দাম বৃদ্ধির সত্যতা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের প্রতি ডজন ডিম ১৪০ ও সাদা রঙের ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন গলি বা ছোট বাজার ও দোকানগুলোতে প্রতি ডজন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দাম নেওয়া হচ্ছে।
জানতে চাইলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে তাদের ডিম কিনতে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই খুচরা পর্যায়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে।
বিষয়টি স্বীকার করে ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ডিম সরবরাহ হচ্ছে না। ডিম কম আসায় পাইকারি বাজারে দর কিছুটা বেড়েছে।
তাদের দাবি, মাসখানেক আগে মুরগির দাম বেশি ছিল। দাম পাওয়ার আশায় অনেক খামারি ডিমপাড়া মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে বর্তমানে ডিমের কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, মাসখানেক আগে যখন ডিমের দাম কম ছিল, তখন মজুতদাররা হিমাগারে বিপুল পরিমাণ ডিম মজুত করে। যখন দাম বাড়ে তখন তারা বাজারে বেশি দামে মজুত ডিম ছাড়ে। পাশাপাশি তারা প্রান্তিক খমারিদের ডিম সংগ্রহ কমিয়ে দেয়। এতে প্রান্তিক খামারিরা কম দামে দিতে বাধ্য হন। তবে মজুতদার বা বড় ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটে নেয়।
সার্বিক পরিস্থিতিতে দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার, মজুত ও কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং উৎপাদক পর্যায়ে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
রাজধানীর ডিমের বাজার আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম প্রতি ডজনে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম কিনতে গিয়েও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ভোক্তাদের কপালে।
অভিযোগ উঠেছে, দাম নিয়ে এমন অস্থিরতার পিছনে কলকাঠি নাড়ছে বড় আড়তদাররা। পাশাপাশি তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির নির্ধারণ দামেই সারা দেশে ডিম বেচাকেনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক খামারিরা।
ক্রেতারা জানান, ২০-২৫ দিন আগেও প্রতি ডজন ডিমের দাম ছিল ৯৫ থেকে ১১০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম আরও বেড়ে বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, প্রতিনিয়তই বাজারে মাছ, মাংস, শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে আয় বৃদ্ধি না হওয়ায় জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ বলেও দাবি করেন সাধারণ ক্রেতারা।
সরেজমিনেও মিলেছে দাম বৃদ্ধির সত্যতা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের প্রতি ডজন ডিম ১৪০ ও সাদা রঙের ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন গলি বা ছোট বাজার ও দোকানগুলোতে প্রতি ডজন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দাম নেওয়া হচ্ছে।
জানতে চাইলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে তাদের ডিম কিনতে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই খুচরা পর্যায়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে।
বিষয়টি স্বীকার করে ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ডিম সরবরাহ হচ্ছে না। ডিম কম আসায় পাইকারি বাজারে দর কিছুটা বেড়েছে।
তাদের দাবি, মাসখানেক আগে মুরগির দাম বেশি ছিল। দাম পাওয়ার আশায় অনেক খামারি ডিমপাড়া মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে বর্তমানে ডিমের কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, মাসখানেক আগে যখন ডিমের দাম কম ছিল, তখন মজুতদাররা হিমাগারে বিপুল পরিমাণ ডিম মজুত করে। যখন দাম বাড়ে তখন তারা বাজারে বেশি দামে মজুত ডিম ছাড়ে। পাশাপাশি তারা প্রান্তিক খমারিদের ডিম সংগ্রহ কমিয়ে দেয়। এতে প্রান্তিক খামারিরা কম দামে দিতে বাধ্য হন। তবে মজুতদার বা বড় ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটে নেয়।
সার্বিক পরিস্থিতিতে দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার, মজুত ও কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং উৎপাদক পর্যায়ে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

ডিমের বাজারে আবারও অস্থিরতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ডিমের বাজার আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম প্রতি ডজনে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম কিনতে গিয়েও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ভোক্তাদের কপালে।
অভিযোগ উঠেছে, দাম নিয়ে এমন অস্থিরতার পিছনে কলকাঠি নাড়ছে বড় আড়তদাররা। পাশাপাশি তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির নির্ধারণ দামেই সারা দেশে ডিম বেচাকেনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক খামারিরা।
ক্রেতারা জানান, ২০-২৫ দিন আগেও প্রতি ডজন ডিমের দাম ছিল ৯৫ থেকে ১১০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম আরও বেড়ে বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, প্রতিনিয়তই বাজারে মাছ, মাংস, শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে আয় বৃদ্ধি না হওয়ায় জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ বলেও দাবি করেন সাধারণ ক্রেতারা।
সরেজমিনেও মিলেছে দাম বৃদ্ধির সত্যতা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের প্রতি ডজন ডিম ১৪০ ও সাদা রঙের ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন গলি বা ছোট বাজার ও দোকানগুলোতে প্রতি ডজন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দাম নেওয়া হচ্ছে।
জানতে চাইলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে তাদের ডিম কিনতে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই খুচরা পর্যায়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে।
বিষয়টি স্বীকার করে ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ডিম সরবরাহ হচ্ছে না। ডিম কম আসায় পাইকারি বাজারে দর কিছুটা বেড়েছে।
তাদের দাবি, মাসখানেক আগে মুরগির দাম বেশি ছিল। দাম পাওয়ার আশায় অনেক খামারি ডিমপাড়া মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে বর্তমানে ডিমের কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, মাসখানেক আগে যখন ডিমের দাম কম ছিল, তখন মজুতদাররা হিমাগারে বিপুল পরিমাণ ডিম মজুত করে। যখন দাম বাড়ে তখন তারা বাজারে বেশি দামে মজুত ডিম ছাড়ে। পাশাপাশি তারা প্রান্তিক খমারিদের ডিম সংগ্রহ কমিয়ে দেয়। এতে প্রান্তিক খামারিরা কম দামে দিতে বাধ্য হন। তবে মজুতদার বা বড় ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটে নেয়।
সার্বিক পরিস্থিতিতে দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার, মজুত ও কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং উৎপাদক পর্যায়ে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বাজারে অগ্নিমূল্য, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস


