কঙ্গোতে খনি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৬৯

কঙ্গোতে খনি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৬৯
সিটিজেন ডেস্ক

কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির এ খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে, যা সাম্প্রতিক এই প্রাণহানির ঘটনায় নতুন করে চরম রূপ নিল।
দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানাগেছে, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী স্বর্ণসমৃদ্ধ অঞ্চলটি দীর্ঘকাল ধরেই সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূলত খনিজ সম্পদ এবং স্বর্ণখনির দখল নিশ্চিত করতেই এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিবাদ চলছে। ইতুরিতে বিশেষ করে হেমা ও লেন্দু এ দুই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরনো বিরোধ সাম্প্রতিক সহিংসতার মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে।
লেন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষার দাবি করা সশস্ত্র জোট কোঅপারেটিভ ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব দ্য কঙ্গো (কোডেকো) ২৮ এপ্রিল কয়েকটি গ্রামে বর্বরোচিত হামলা চালায়। এ হামলার সূত্রপাত হয়েছিল মূলত হেমা সম্প্রদায়ের হয়ে লড়তে চাওয়া আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী কনভেনশন ফর দ্য পপুলার রেভল্যুশন (সিআরপি) এর একটি অভিযানের প্রেক্ষাপটে।
এর আগে পিম্বো এলাকার কাছে কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর (এফএআরডিসি) অবস্থানে হামলা চালিয়েছিল সিআরপি যোদ্ধারা। ওই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতেই কোডেকো সদস্যরা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি নেতা দিয়োদোনে লোসা জানিয়েছেন, এপ্রিলের শেষদিকের সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির দুইজন নিরাপত্তা সূত্র এই ভয়াবহ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির এ খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে, যা সাম্প্রতিক এই প্রাণহানির ঘটনায় নতুন করে চরম রূপ নিল।
দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানাগেছে, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী স্বর্ণসমৃদ্ধ অঞ্চলটি দীর্ঘকাল ধরেই সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূলত খনিজ সম্পদ এবং স্বর্ণখনির দখল নিশ্চিত করতেই এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিবাদ চলছে। ইতুরিতে বিশেষ করে হেমা ও লেন্দু এ দুই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরনো বিরোধ সাম্প্রতিক সহিংসতার মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে।
লেন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষার দাবি করা সশস্ত্র জোট কোঅপারেটিভ ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব দ্য কঙ্গো (কোডেকো) ২৮ এপ্রিল কয়েকটি গ্রামে বর্বরোচিত হামলা চালায়। এ হামলার সূত্রপাত হয়েছিল মূলত হেমা সম্প্রদায়ের হয়ে লড়তে চাওয়া আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী কনভেনশন ফর দ্য পপুলার রেভল্যুশন (সিআরপি) এর একটি অভিযানের প্রেক্ষাপটে।
এর আগে পিম্বো এলাকার কাছে কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর (এফএআরডিসি) অবস্থানে হামলা চালিয়েছিল সিআরপি যোদ্ধারা। ওই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতেই কোডেকো সদস্যরা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি নেতা দিয়োদোনে লোসা জানিয়েছেন, এপ্রিলের শেষদিকের সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির দুইজন নিরাপত্তা সূত্র এই ভয়াবহ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

কঙ্গোতে খনি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৬৯
সিটিজেন ডেস্ক

কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির এ খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে, যা সাম্প্রতিক এই প্রাণহানির ঘটনায় নতুন করে চরম রূপ নিল।
দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানাগেছে, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী স্বর্ণসমৃদ্ধ অঞ্চলটি দীর্ঘকাল ধরেই সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূলত খনিজ সম্পদ এবং স্বর্ণখনির দখল নিশ্চিত করতেই এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিবাদ চলছে। ইতুরিতে বিশেষ করে হেমা ও লেন্দু এ দুই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরনো বিরোধ সাম্প্রতিক সহিংসতার মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে।
লেন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষার দাবি করা সশস্ত্র জোট কোঅপারেটিভ ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব দ্য কঙ্গো (কোডেকো) ২৮ এপ্রিল কয়েকটি গ্রামে বর্বরোচিত হামলা চালায়। এ হামলার সূত্রপাত হয়েছিল মূলত হেমা সম্প্রদায়ের হয়ে লড়তে চাওয়া আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী কনভেনশন ফর দ্য পপুলার রেভল্যুশন (সিআরপি) এর একটি অভিযানের প্রেক্ষাপটে।
এর আগে পিম্বো এলাকার কাছে কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর (এফএআরডিসি) অবস্থানে হামলা চালিয়েছিল সিআরপি যোদ্ধারা। ওই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতেই কোডেকো সদস্যরা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি নেতা দিয়োদোনে লোসা জানিয়েছেন, এপ্রিলের শেষদিকের সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির দুইজন নিরাপত্তা সূত্র এই ভয়াবহ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ডিআর কঙ্গোতে খনি ধসে নিহত দুই শতাধিক


