অধিকাংশ সবজির কেজি ১০০ টাকা ছাড়ালো

অধিকাংশ সবজির কেজি ১০০ টাকা ছাড়ালো
নিজস্ব প্রতিবেদক

অতিবৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মিরপুরের কাঁচাবাজারের চিত্র
সরেজমিনে মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০, শসা ২০০, গাজর ১০০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ১০০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০, কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া লেবুর হালি ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচের কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুদিন ধরে সবজির দাম বেড়েছে। এর আগে দাম অনেক কম ছিল।
আকরাম হোসাইন নামের একজন সবজি বিক্রেতার ভাষ্যমতে, বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বেড়েছে। সামনের দিকে দাম আরও বাড়তে পারে।
সবজির দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। আশরাফ নামের একজন ক্রেতা বলেন, হঠাৎ করে সবজির দাম এতো বেশি হবে, চিন্তাও করতে পারিনি। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার চালাতে অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।
বশির নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, সবজির দাম এভাবে বাড়তে থাকলে, চাহিদা অনুযায়ী বাজার করতে পারবো না। এসব জিনিসের দাম কমানোর জন্য সরকারের নজর দেওয়া উচিত।
মাছ বাজারের চিত্র

ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো প্রতি কেজি ২৬০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা, শোল মাছ ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, লইট্টা ২০০, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩২০, নদীর ছোট বোয়াল ৭০০ এবং বড়গুলো ১০০০, পোয়া ৬০০, নদীর কাতলা আকারভেদে ৮০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৭০০, ঝাটকা ৬৫০ এবং কৈ মাছ ২৮০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম

ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। এগুলোর দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
কারওয়ান বাজারের চিত্র
টমেটো প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ১০০, শসা ১৫০ থেকে ১৬০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ৬০, কাঁকরোল ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, ঢেঁঢস ৭০, পটল ৫০, পেঁপে ৫০, ধুন্দল ৬০, কুমড়া ৫০, চাল কুমড়া ৬০, কচুর লতি ৮০, কচুর মুখী ৮০ এবং লাউ প্রতি পিস ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচামরিচ মানভেদে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বেগুন, টমেটো, শসা, গাজর, বরবটি ও করলার দাম ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ঝিঙে, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ঢেঁঢস, লাউসহ বেশকিছু সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
মিলন নামের একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, দুইদিন আগেও বেগুনের দাম ছিল ৬০ টাকা। শসা ১০০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছিল। বরবটি ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শুধুমাত্র টমেটোর দাম ২৫০ টাকা থেকে কমে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে।
মাংস ও ডিমের দামের চিত্র
ব্রয়লার, সোনালি এবং লেয়ার জাতের মুরগি গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

গরু ও ছাগলের মাংসও গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এছাড়া, দুই থেকে তিনদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম হালিতে ৫ এবং ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪৫ এবং সাদা ডিমের হালি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিমের ডজন ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছ বাজারের চিত্র
ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ আকারভেদে ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০, নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজেরগুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অতিবৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মিরপুরের কাঁচাবাজারের চিত্র
সরেজমিনে মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০, শসা ২০০, গাজর ১০০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ১০০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০, কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া লেবুর হালি ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচের কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুদিন ধরে সবজির দাম বেড়েছে। এর আগে দাম অনেক কম ছিল।
আকরাম হোসাইন নামের একজন সবজি বিক্রেতার ভাষ্যমতে, বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বেড়েছে। সামনের দিকে দাম আরও বাড়তে পারে।
সবজির দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। আশরাফ নামের একজন ক্রেতা বলেন, হঠাৎ করে সবজির দাম এতো বেশি হবে, চিন্তাও করতে পারিনি। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার চালাতে অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।
বশির নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, সবজির দাম এভাবে বাড়তে থাকলে, চাহিদা অনুযায়ী বাজার করতে পারবো না। এসব জিনিসের দাম কমানোর জন্য সরকারের নজর দেওয়া উচিত।
মাছ বাজারের চিত্র

ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো প্রতি কেজি ২৬০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা, শোল মাছ ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, লইট্টা ২০০, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩২০, নদীর ছোট বোয়াল ৭০০ এবং বড়গুলো ১০০০, পোয়া ৬০০, নদীর কাতলা আকারভেদে ৮০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৭০০, ঝাটকা ৬৫০ এবং কৈ মাছ ২৮০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম

ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। এগুলোর দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
কারওয়ান বাজারের চিত্র
টমেটো প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ১০০, শসা ১৫০ থেকে ১৬০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ৬০, কাঁকরোল ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, ঢেঁঢস ৭০, পটল ৫০, পেঁপে ৫০, ধুন্দল ৬০, কুমড়া ৫০, চাল কুমড়া ৬০, কচুর লতি ৮০, কচুর মুখী ৮০ এবং লাউ প্রতি পিস ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচামরিচ মানভেদে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বেগুন, টমেটো, শসা, গাজর, বরবটি ও করলার দাম ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ঝিঙে, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ঢেঁঢস, লাউসহ বেশকিছু সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
মিলন নামের একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, দুইদিন আগেও বেগুনের দাম ছিল ৬০ টাকা। শসা ১০০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছিল। বরবটি ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শুধুমাত্র টমেটোর দাম ২৫০ টাকা থেকে কমে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে।
মাংস ও ডিমের দামের চিত্র
ব্রয়লার, সোনালি এবং লেয়ার জাতের মুরগি গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

গরু ও ছাগলের মাংসও গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এছাড়া, দুই থেকে তিনদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম হালিতে ৫ এবং ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪৫ এবং সাদা ডিমের হালি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিমের ডজন ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছ বাজারের চিত্র
ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ আকারভেদে ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০, নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজেরগুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অধিকাংশ সবজির কেজি ১০০ টাকা ছাড়ালো
নিজস্ব প্রতিবেদক

অতিবৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মিরপুরের কাঁচাবাজারের চিত্র
সরেজমিনে মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০, শসা ২০০, গাজর ১০০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ১০০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০, কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া লেবুর হালি ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচের কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুদিন ধরে সবজির দাম বেড়েছে। এর আগে দাম অনেক কম ছিল।
আকরাম হোসাইন নামের একজন সবজি বিক্রেতার ভাষ্যমতে, বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বেড়েছে। সামনের দিকে দাম আরও বাড়তে পারে।
সবজির দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। আশরাফ নামের একজন ক্রেতা বলেন, হঠাৎ করে সবজির দাম এতো বেশি হবে, চিন্তাও করতে পারিনি। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার চালাতে অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।
বশির নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, সবজির দাম এভাবে বাড়তে থাকলে, চাহিদা অনুযায়ী বাজার করতে পারবো না। এসব জিনিসের দাম কমানোর জন্য সরকারের নজর দেওয়া উচিত।
মাছ বাজারের চিত্র

ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো প্রতি কেজি ২৬০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা, শোল মাছ ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, লইট্টা ২০০, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩২০, নদীর ছোট বোয়াল ৭০০ এবং বড়গুলো ১০০০, পোয়া ৬০০, নদীর কাতলা আকারভেদে ৮০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৭০০, ঝাটকা ৬৫০ এবং কৈ মাছ ২৮০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম

ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। এগুলোর দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
কারওয়ান বাজারের চিত্র
টমেটো প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ১০০, শসা ১৫০ থেকে ১৬০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১০০, ঝিঙে ৬০, কাঁকরোল ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, ঢেঁঢস ৭০, পটল ৫০, পেঁপে ৫০, ধুন্দল ৬০, কুমড়া ৫০, চাল কুমড়া ৬০, কচুর লতি ৮০, কচুর মুখী ৮০ এবং লাউ প্রতি পিস ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচামরিচ মানভেদে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বেগুন, টমেটো, শসা, গাজর, বরবটি ও করলার দাম ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ঝিঙে, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ঢেঁঢস, লাউসহ বেশকিছু সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
মিলন নামের একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, দুইদিন আগেও বেগুনের দাম ছিল ৬০ টাকা। শসা ১০০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছিল। বরবটি ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শুধুমাত্র টমেটোর দাম ২৫০ টাকা থেকে কমে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে।
মাংস ও ডিমের দামের চিত্র
ব্রয়লার, সোনালি এবং লেয়ার জাতের মুরগি গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

গরু ও ছাগলের মাংসও গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এছাড়া, দুই থেকে তিনদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম হালিতে ৫ এবং ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪৫ এবং সাদা ডিমের হালি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিমের ডজন ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছ বাজারের চিত্র
ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ আকারভেদে ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০, নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজেরগুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি: মন্ত্রী
বেড়েছে মুরগির দাম, মাছ-সবজি আগের মতোই
আজ যে দামে মিলছে স্বর্ণ






