বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় সুখবর পেলেন মেসি

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় সুখবর পেলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগেই আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে নতুন করে জোরালো হয়েছে ব্যালন ডি’অর জয়ের গুঞ্জন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলায় মেসির এ পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নীতিগত বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, মর্যাদাপূর্ণ এ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জয়ের জন্য ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলা এখন আর বাধ্যতামূলক নয়। ফলে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের ক্যারিয়ারের নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথ পুরোপুরি উন্মুক্ত রয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি ইতোমধ্যেই ৭ ম্যাচে ৮টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। তার এই অনবদ্য পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্পেন।
ফাইনালের এ মাহেন্দ্রক্ষণের আগেই ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ পুরস্কারটির ঐতিহাসিক নীতিমালা ও বর্তমান নিয়মের ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, শুরুর দিকে ব্যালন ডি’অর কেবল ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে বিশ্বব্যাপী সুযোগ উন্মুক্ত হলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্ত বহাল ছিল, যা পরবর্তীতে ২০০৭ সালে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারই পুরো মৌসুমজুড়ে সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এ পুরস্কার নিজের করে নিতে পারেন।
বিগত ১৮টি আসরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে আয়োজকরা দেখিয়েছেন, ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি ব্যালন ডি’অর জয়ের বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগও ঘরে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলেই এই ট্রফি জিতেছেন। তবে এ চেনা ধারার ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন খোদ মেসিই। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর ৬৭তম ব্যালন ডি’অর আয়োজনের সময় মেসি ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। সেবার অষ্টম ব্যালন ডি’অর জিতে প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধি হয়ে এ ইতিহাস গড়েন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগেই আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে নতুন করে জোরালো হয়েছে ব্যালন ডি’অর জয়ের গুঞ্জন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলায় মেসির এ পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নীতিগত বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, মর্যাদাপূর্ণ এ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জয়ের জন্য ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলা এখন আর বাধ্যতামূলক নয়। ফলে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের ক্যারিয়ারের নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথ পুরোপুরি উন্মুক্ত রয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি ইতোমধ্যেই ৭ ম্যাচে ৮টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। তার এই অনবদ্য পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্পেন।
ফাইনালের এ মাহেন্দ্রক্ষণের আগেই ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ পুরস্কারটির ঐতিহাসিক নীতিমালা ও বর্তমান নিয়মের ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, শুরুর দিকে ব্যালন ডি’অর কেবল ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে বিশ্বব্যাপী সুযোগ উন্মুক্ত হলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্ত বহাল ছিল, যা পরবর্তীতে ২০০৭ সালে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারই পুরো মৌসুমজুড়ে সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এ পুরস্কার নিজের করে নিতে পারেন।
বিগত ১৮টি আসরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে আয়োজকরা দেখিয়েছেন, ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি ব্যালন ডি’অর জয়ের বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগও ঘরে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলেই এই ট্রফি জিতেছেন। তবে এ চেনা ধারার ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন খোদ মেসিই। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর ৬৭তম ব্যালন ডি’অর আয়োজনের সময় মেসি ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। সেবার অষ্টম ব্যালন ডি’অর জিতে প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধি হয়ে এ ইতিহাস গড়েন তিনি।

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় সুখবর পেলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগেই আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে নতুন করে জোরালো হয়েছে ব্যালন ডি’অর জয়ের গুঞ্জন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলায় মেসির এ পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নীতিগত বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, মর্যাদাপূর্ণ এ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জয়ের জন্য ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলা এখন আর বাধ্যতামূলক নয়। ফলে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের ক্যারিয়ারের নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথ পুরোপুরি উন্মুক্ত রয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি ইতোমধ্যেই ৭ ম্যাচে ৮টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। তার এই অনবদ্য পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্পেন।
ফাইনালের এ মাহেন্দ্রক্ষণের আগেই ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ পুরস্কারটির ঐতিহাসিক নীতিমালা ও বর্তমান নিয়মের ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, শুরুর দিকে ব্যালন ডি’অর কেবল ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে বিশ্বব্যাপী সুযোগ উন্মুক্ত হলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্ত বহাল ছিল, যা পরবর্তীতে ২০০৭ সালে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারই পুরো মৌসুমজুড়ে সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এ পুরস্কার নিজের করে নিতে পারেন।
বিগত ১৮টি আসরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে আয়োজকরা দেখিয়েছেন, ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি ব্যালন ডি’অর জয়ের বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগও ঘরে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলেই এই ট্রফি জিতেছেন। তবে এ চেনা ধারার ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন খোদ মেসিই। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর ৬৭তম ব্যালন ডি’অর আয়োজনের সময় মেসি ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। সেবার অষ্টম ব্যালন ডি’অর জিতে প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধি হয়ে এ ইতিহাস গড়েন তিনি।

ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার হুঙ্কার, ‘আমরা থামছি না’




