ধর্ষকরা নয়, কিশোরীকে হত্যা করে সৎপিতা

ধর্ষকরা নয়, কিশোরীকে হত্যা করে সৎপিতা
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর আলোচিত কিশোরী আমেনা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সৎপিতা আশরাফ আলী। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার আব্দুলাহ আল-ফারুক।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে নরসিংদীর মাধবদী থেকে সন্দেহের তালিকায় থাকা সৎপিতা আশরাফ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, নিজের সৎমেয়েকে একাই গলাটিপে হত্যা করেছেন। পরে নূর মোহাম্মদ নূরাসহ অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টায় মিথ্যা নাটক সাজান।

পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ একাধিক ব্যক্তি আমেনাকে ধর্ষণ করে। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাবেক মেম্বারের বিচার কার্যসহ নানা কারণে সৎমেয়ের উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন আশরাফ আলী। মেয়েটিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে পারলে অপমান থেকে মুক্তি পাবেন– এই চিন্তা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী জনৈক সুমনের বাড়িতে রেখে আসার কথা বলে আমেনাকে নিয়ে রওনা হন। পথে একটি সরিষা ক্ষেতের ধারে পৌঁছে একাই মেয়েটির গলা চেপে ধরেন। এরপর ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। নিজেকে বাঁচাতে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নূরাসহ অন্যদের উপর দায় চাপান।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মাধবদীর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় কিশোরী আমেনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আমেনার মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে নূরাকে প্রধান করে ৯ জনের নামে মামলা করেন।
আলোচিত এই ঘটনায় মোট ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১ মার্চ ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সৎবাবার উপর নজরদারি চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের পর মেলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নরসিংদীর আলোচিত কিশোরী আমেনা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সৎপিতা আশরাফ আলী। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার আব্দুলাহ আল-ফারুক।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে নরসিংদীর মাধবদী থেকে সন্দেহের তালিকায় থাকা সৎপিতা আশরাফ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, নিজের সৎমেয়েকে একাই গলাটিপে হত্যা করেছেন। পরে নূর মোহাম্মদ নূরাসহ অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টায় মিথ্যা নাটক সাজান।

পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ একাধিক ব্যক্তি আমেনাকে ধর্ষণ করে। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাবেক মেম্বারের বিচার কার্যসহ নানা কারণে সৎমেয়ের উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন আশরাফ আলী। মেয়েটিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে পারলে অপমান থেকে মুক্তি পাবেন– এই চিন্তা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী জনৈক সুমনের বাড়িতে রেখে আসার কথা বলে আমেনাকে নিয়ে রওনা হন। পথে একটি সরিষা ক্ষেতের ধারে পৌঁছে একাই মেয়েটির গলা চেপে ধরেন। এরপর ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। নিজেকে বাঁচাতে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নূরাসহ অন্যদের উপর দায় চাপান।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মাধবদীর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় কিশোরী আমেনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আমেনার মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে নূরাকে প্রধান করে ৯ জনের নামে মামলা করেন।
আলোচিত এই ঘটনায় মোট ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১ মার্চ ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সৎবাবার উপর নজরদারি চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের পর মেলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ধর্ষকরা নয়, কিশোরীকে হত্যা করে সৎপিতা
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর আলোচিত কিশোরী আমেনা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সৎপিতা আশরাফ আলী। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার আব্দুলাহ আল-ফারুক।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে নরসিংদীর মাধবদী থেকে সন্দেহের তালিকায় থাকা সৎপিতা আশরাফ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, নিজের সৎমেয়েকে একাই গলাটিপে হত্যা করেছেন। পরে নূর মোহাম্মদ নূরাসহ অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টায় মিথ্যা নাটক সাজান।

পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ একাধিক ব্যক্তি আমেনাকে ধর্ষণ করে। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাবেক মেম্বারের বিচার কার্যসহ নানা কারণে সৎমেয়ের উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন আশরাফ আলী। মেয়েটিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে পারলে অপমান থেকে মুক্তি পাবেন– এই চিন্তা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী জনৈক সুমনের বাড়িতে রেখে আসার কথা বলে আমেনাকে নিয়ে রওনা হন। পথে একটি সরিষা ক্ষেতের ধারে পৌঁছে একাই মেয়েটির গলা চেপে ধরেন। এরপর ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। নিজেকে বাঁচাতে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নূরাসহ অন্যদের উপর দায় চাপান।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মাধবদীর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় কিশোরী আমেনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আমেনার মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে নূরাকে প্রধান করে ৯ জনের নামে মামলা করেন।
আলোচিত এই ঘটনায় মোট ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১ মার্চ ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সৎবাবার উপর নজরদারি চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের পর মেলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।




