কঙ্কাল বিক্রি চক্রের ৪ সদস্য কারাগারে

কঙ্কাল বিক্রি চক্রের ৪ সদস্য কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কবর থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের ৪ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন– কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, মো. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ফয়সাল আহম্মেদ।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার সৌমিক উত্তরার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। আর ফয়সাল একই কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে ইন্টার্নের জন্য অপেক্ষমান।
সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও ও উত্তরা থেকে ৪৭টি খুলি ও মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড়সহ এই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, কবর থেকে তোলা কঙ্কালগুলো ৫-৭ হাজার টাকায় কিনে নিতেন তারা। আর প্রক্রিয়াজাতের পর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কাছে তারা ১৫-২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। চক্রটি গাজীপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর এলাকা থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে আসছিল।
মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, কোনো ভুক্তভোগী পরিবার তাদের কাছে অভিযোগ জানালে ডিএনএ প্রোফাইলিং করে কঙ্কালগুলো ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় তেজগাঁও থানার এসআই মিরাজ উদ্দিন আজ মঙ্গলবার মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁওয়ের এসআই শাহাদাত হোসেন নাফিস আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, পুলিশের টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, তেজগাঁওয়ের মনিপুরি পাড়ার ১নং গেটের সামনে কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তি অবস্থান করছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাত পৌনে ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে কাজী জহুরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও কলেজের সামনে থেকে আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে রাখা উত্তরা পশ্চিম থানাধীন সাপ্পোরো ডেন্টার কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় ৪৪টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, এই চক্র গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন জনের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল।

কবর থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের ৪ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন– কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, মো. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ফয়সাল আহম্মেদ।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার সৌমিক উত্তরার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। আর ফয়সাল একই কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে ইন্টার্নের জন্য অপেক্ষমান।
সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও ও উত্তরা থেকে ৪৭টি খুলি ও মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড়সহ এই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, কবর থেকে তোলা কঙ্কালগুলো ৫-৭ হাজার টাকায় কিনে নিতেন তারা। আর প্রক্রিয়াজাতের পর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কাছে তারা ১৫-২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। চক্রটি গাজীপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর এলাকা থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে আসছিল।
মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, কোনো ভুক্তভোগী পরিবার তাদের কাছে অভিযোগ জানালে ডিএনএ প্রোফাইলিং করে কঙ্কালগুলো ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় তেজগাঁও থানার এসআই মিরাজ উদ্দিন আজ মঙ্গলবার মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁওয়ের এসআই শাহাদাত হোসেন নাফিস আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, পুলিশের টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, তেজগাঁওয়ের মনিপুরি পাড়ার ১নং গেটের সামনে কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তি অবস্থান করছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাত পৌনে ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে কাজী জহুরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও কলেজের সামনে থেকে আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে রাখা উত্তরা পশ্চিম থানাধীন সাপ্পোরো ডেন্টার কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় ৪৪টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, এই চক্র গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন জনের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল।

কঙ্কাল বিক্রি চক্রের ৪ সদস্য কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কবর থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের ৪ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন– কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, মো. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ফয়সাল আহম্মেদ।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার সৌমিক উত্তরার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। আর ফয়সাল একই কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে ইন্টার্নের জন্য অপেক্ষমান।
সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও ও উত্তরা থেকে ৪৭টি খুলি ও মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড়সহ এই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, কবর থেকে তোলা কঙ্কালগুলো ৫-৭ হাজার টাকায় কিনে নিতেন তারা। আর প্রক্রিয়াজাতের পর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কাছে তারা ১৫-২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। চক্রটি গাজীপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর এলাকা থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে আসছিল।
মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, কোনো ভুক্তভোগী পরিবার তাদের কাছে অভিযোগ জানালে ডিএনএ প্রোফাইলিং করে কঙ্কালগুলো ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় তেজগাঁও থানার এসআই মিরাজ উদ্দিন আজ মঙ্গলবার মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁওয়ের এসআই শাহাদাত হোসেন নাফিস আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, পুলিশের টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, তেজগাঁওয়ের মনিপুরি পাড়ার ১নং গেটের সামনে কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তি অবস্থান করছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাত পৌনে ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে কাজী জহুরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও কলেজের সামনে থেকে আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে রাখা উত্তরা পশ্চিম থানাধীন সাপ্পোরো ডেন্টার কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় ৪৪টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, এই চক্র গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন জনের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল।




