সুন্দরবনে দুই দিনে ২২ জেলে অপহরণ
সিটিজেন ডেস্ক

সুন্দরবনে দুই দিনে ২২ জেলে অপহরণ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ২০: ৫৭

ছবি: সংগৃহীত
গত দুই দিনে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২২ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যু আলিম ও নানাভাই বাহিনী।
গত রবিবার (৩ মে) সকাল থেকে সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুন কুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল থেকে এসব জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। অপহৃত জেলেদের মধ্যে পাঁচজনকে মারধরের পর মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দিলেও ১৭ জনকে এখনো জিম্মি করে রাখা হয়েছে।
অপহৃত জেলেরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন তীরবর্তী হরিনগর, কদমতলা, মরাগাং, চুনকুড়ি ও মথুরাপুর এলাকার জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন: সিংহড়তলী গ্রামের আবুল ফকিরের ছেলে মোমনি ফকির (৩০), হরিনগর গ্রামের মুর্শিদ আলম (৪০), হরিনগর গ্রামের মিজানুর শেখের ছেলে ইসমাইল শেখ (২৮) ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল করিম (৪৮), সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের ছাত্তার সানার ছেলে আব্দুস সামাদ (৪০), কুলতলি গ্রামের মনোহর সরকার (৩৪), চুনকুড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে আল মামুন (১৬), রুহুল আমিনের ছেলে হুমায়ুন (২৬), খালেকের ছেলে মনিরুল (২৫), আব্দুল হাইয়ের ছেলে রবিউল (৩০), গণেশ মণ্ডলের ছেলে সঞ্জয় (৫২), বড় ভেটখালী গ্রামের আলমগীরের ছেলে আল আমিন (৩৭), ফরেজ গাজীর ছেলে শাহাজান (৫০), জুলফিকারের ছেলে আবুল বাসার বাবু (৩৫), কদমতলার ছাকাত গাজীর ছেলে রেজাউল (৩৫), দক্ষিণ কদমতলার সাদেক সর্দারের ছেলে আব্দুস সালাম (৫৫), ধুমঘাট গ্রামের কওছার গাজীর ছেলে আবুল কালাম (৪০)।
এছাড়া মুক্তিপণের শর্তে ছাড়া পাওয়া জেলেরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামের মৃত নিরাপদ সরকারের ছেলে ধ্রুব সরকার (৩৮), দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের সুবোল মণ্ডলের ছেলে হৃদয় মণ্ডল (৫৩), হরিনগর গ্রামের বাবুর আলী গাইনের ছেলে সবুর গাইন (৫০), সিংহড়তলীর গোলদার পাড়ের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২) ও আনছার গাজীর ছেলে ইউনুস আলী (২৬)।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, গত চার থেকে পাঁচ দিন আগে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে তারা সুন্দরবনে যান। এক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা তাদের ২২ জনকে অপহরণ করে।
তারা বলেন, একেবারে লোকালয়ের পাশ থেকেই জলদস্যুরা জেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে এবং ব্যাপক মারধর করছে। সুন্দরবনের নদী-খালের মাছ ধরা জেলেরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিম্মি জেলেদের স্বজনরা জানান, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা মুক্তিপণের কোনো অংক জানায়নি। নেটওয়ার্কের মধ্যে ফিরে তারা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে বলে জানান তারা। স্বজনরা ফিরে না আসা পর্যন্ত আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
পরিবারের সদস্যরা অপহৃত জেলেদের দ্রুত জলদস্যুদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, জেলেদের অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই বড় আকারে অভিযান চালানো হবে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমান জানান, অপহরণের শিকার কোনো জেলের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি তাদের অবগত করেনি। এ কারণে বিষয়টি তাদের জানা নাই।

গত দুই দিনে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২২ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যু আলিম ও নানাভাই বাহিনী।
গত রবিবার (৩ মে) সকাল থেকে সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুন কুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল থেকে এসব জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। অপহৃত জেলেদের মধ্যে পাঁচজনকে মারধরের পর মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দিলেও ১৭ জনকে এখনো জিম্মি করে রাখা হয়েছে।
অপহৃত জেলেরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন তীরবর্তী হরিনগর, কদমতলা, মরাগাং, চুনকুড়ি ও মথুরাপুর এলাকার জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন: সিংহড়তলী গ্রামের আবুল ফকিরের ছেলে মোমনি ফকির (৩০), হরিনগর গ্রামের মুর্শিদ আলম (৪০), হরিনগর গ্রামের মিজানুর শেখের ছেলে ইসমাইল শেখ (২৮) ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল করিম (৪৮), সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের ছাত্তার সানার ছেলে আব্দুস সামাদ (৪০), কুলতলি গ্রামের মনোহর সরকার (৩৪), চুনকুড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে আল মামুন (১৬), রুহুল আমিনের ছেলে হুমায়ুন (২৬), খালেকের ছেলে মনিরুল (২৫), আব্দুল হাইয়ের ছেলে রবিউল (৩০), গণেশ মণ্ডলের ছেলে সঞ্জয় (৫২), বড় ভেটখালী গ্রামের আলমগীরের ছেলে আল আমিন (৩৭), ফরেজ গাজীর ছেলে শাহাজান (৫০), জুলফিকারের ছেলে আবুল বাসার বাবু (৩৫), কদমতলার ছাকাত গাজীর ছেলে রেজাউল (৩৫), দক্ষিণ কদমতলার সাদেক সর্দারের ছেলে আব্দুস সালাম (৫৫), ধুমঘাট গ্রামের কওছার গাজীর ছেলে আবুল কালাম (৪০)।
এছাড়া মুক্তিপণের শর্তে ছাড়া পাওয়া জেলেরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামের মৃত নিরাপদ সরকারের ছেলে ধ্রুব সরকার (৩৮), দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের সুবোল মণ্ডলের ছেলে হৃদয় মণ্ডল (৫৩), হরিনগর গ্রামের বাবুর আলী গাইনের ছেলে সবুর গাইন (৫০), সিংহড়তলীর গোলদার পাড়ের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২) ও আনছার গাজীর ছেলে ইউনুস আলী (২৬)।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, গত চার থেকে পাঁচ দিন আগে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে তারা সুন্দরবনে যান। এক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা তাদের ২২ জনকে অপহরণ করে।
তারা বলেন, একেবারে লোকালয়ের পাশ থেকেই জলদস্যুরা জেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে এবং ব্যাপক মারধর করছে। সুন্দরবনের নদী-খালের মাছ ধরা জেলেরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিম্মি জেলেদের স্বজনরা জানান, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা মুক্তিপণের কোনো অংক জানায়নি। নেটওয়ার্কের মধ্যে ফিরে তারা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে বলে জানান তারা। স্বজনরা ফিরে না আসা পর্যন্ত আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
পরিবারের সদস্যরা অপহৃত জেলেদের দ্রুত জলদস্যুদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, জেলেদের অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই বড় আকারে অভিযান চালানো হবে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমান জানান, অপহরণের শিকার কোনো জেলের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি তাদের অবগত করেনি। এ কারণে বিষয়টি তাদের জানা নাই।

সুন্দরবনে দুই দিনে ২২ জেলে অপহরণ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ২০: ৫৭

ছবি: সংগৃহীত
গত দুই দিনে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২২ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যু আলিম ও নানাভাই বাহিনী।
গত রবিবার (৩ মে) সকাল থেকে সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুন কুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল থেকে এসব জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। অপহৃত জেলেদের মধ্যে পাঁচজনকে মারধরের পর মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দিলেও ১৭ জনকে এখনো জিম্মি করে রাখা হয়েছে।
অপহৃত জেলেরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন তীরবর্তী হরিনগর, কদমতলা, মরাগাং, চুনকুড়ি ও মথুরাপুর এলাকার জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন: সিংহড়তলী গ্রামের আবুল ফকিরের ছেলে মোমনি ফকির (৩০), হরিনগর গ্রামের মুর্শিদ আলম (৪০), হরিনগর গ্রামের মিজানুর শেখের ছেলে ইসমাইল শেখ (২৮) ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল করিম (৪৮), সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের ছাত্তার সানার ছেলে আব্দুস সামাদ (৪০), কুলতলি গ্রামের মনোহর সরকার (৩৪), চুনকুড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে আল মামুন (১৬), রুহুল আমিনের ছেলে হুমায়ুন (২৬), খালেকের ছেলে মনিরুল (২৫), আব্দুল হাইয়ের ছেলে রবিউল (৩০), গণেশ মণ্ডলের ছেলে সঞ্জয় (৫২), বড় ভেটখালী গ্রামের আলমগীরের ছেলে আল আমিন (৩৭), ফরেজ গাজীর ছেলে শাহাজান (৫০), জুলফিকারের ছেলে আবুল বাসার বাবু (৩৫), কদমতলার ছাকাত গাজীর ছেলে রেজাউল (৩৫), দক্ষিণ কদমতলার সাদেক সর্দারের ছেলে আব্দুস সালাম (৫৫), ধুমঘাট গ্রামের কওছার গাজীর ছেলে আবুল কালাম (৪০)।
এছাড়া মুক্তিপণের শর্তে ছাড়া পাওয়া জেলেরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামের মৃত নিরাপদ সরকারের ছেলে ধ্রুব সরকার (৩৮), দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের সুবোল মণ্ডলের ছেলে হৃদয় মণ্ডল (৫৩), হরিনগর গ্রামের বাবুর আলী গাইনের ছেলে সবুর গাইন (৫০), সিংহড়তলীর গোলদার পাড়ের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২) ও আনছার গাজীর ছেলে ইউনুস আলী (২৬)।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, গত চার থেকে পাঁচ দিন আগে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে তারা সুন্দরবনে যান। এক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা তাদের ২২ জনকে অপহরণ করে।
তারা বলেন, একেবারে লোকালয়ের পাশ থেকেই জলদস্যুরা জেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে এবং ব্যাপক মারধর করছে। সুন্দরবনের নদী-খালের মাছ ধরা জেলেরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জিম্মি জেলেদের স্বজনরা জানান, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা মুক্তিপণের কোনো অংক জানায়নি। নেটওয়ার্কের মধ্যে ফিরে তারা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে বলে জানান তারা। স্বজনরা ফিরে না আসা পর্যন্ত আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
পরিবারের সদস্যরা অপহৃত জেলেদের দ্রুত জলদস্যুদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, জেলেদের অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই বড় আকারে অভিযান চালানো হবে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমান জানান, অপহরণের শিকার কোনো জেলের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি তাদের অবগত করেনি। এ কারণে বিষয়টি তাদের জানা নাই।
/এমআর/




