কলেজছাত্র রাকিবুল হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

কলেজছাত্র রাকিবুল হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজছাত্র রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৮ মার্চ) শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, রাকিবুল হত্যার ঘটনায় জড়িতদের রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম–ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাতে পারেনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মিঠু মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমি সারা দিন রোজা ছিলাম। এই মুহূর্তে তাদের নাম বলতে পারবো না। তবে থানায় গিয়ে নাম–ঠিকানা বলতে পারবো।’
জানা গেছে, গত রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করেন। পরে তারা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজন একজনকে চাপাতিসহ ধরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে রাকিবুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছিলেন। একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে হামলাকারীদের ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।
রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজছাত্র রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৮ মার্চ) শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, রাকিবুল হত্যার ঘটনায় জড়িতদের রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম–ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাতে পারেনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মিঠু মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমি সারা দিন রোজা ছিলাম। এই মুহূর্তে তাদের নাম বলতে পারবো না। তবে থানায় গিয়ে নাম–ঠিকানা বলতে পারবো।’
জানা গেছে, গত রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করেন। পরে তারা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজন একজনকে চাপাতিসহ ধরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে রাকিবুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছিলেন। একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে হামলাকারীদের ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।
রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

কলেজছাত্র রাকিবুল হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজছাত্র রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৮ মার্চ) শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, রাকিবুল হত্যার ঘটনায় জড়িতদের রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম–ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাতে পারেনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মিঠু মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমি সারা দিন রোজা ছিলাম। এই মুহূর্তে তাদের নাম বলতে পারবো না। তবে থানায় গিয়ে নাম–ঠিকানা বলতে পারবো।’
জানা গেছে, গত রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করেন। পরে তারা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজন একজনকে চাপাতিসহ ধরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে রাকিবুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছিলেন। একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে হামলাকারীদের ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।
রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।




