টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা

কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। অবিলম্বে দুর্নীতিপরায়ণ অধ্যক্ষের অপসারণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী লোকজন। রেজাউল করিম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আবারও কুড়িগ্রাম টিটিসিতে যোগদান করেছেন।
প্রশিক্ষণার্থী লিটন হোসেন বলেন, ‘ইতোপূর্বে আমরা এই অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম দেখেছি। দুদকে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আমরা এই অধ্যক্ষের অপসারণ চাই।'
আরেক প্রশিক্ষণার্থী স্বাধীন ইসলাম বলেন, 'তিনি কখনও আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেননি। আমরা চাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হউক। এখানে ভালো মানের প্রশিক্ষণ হউক।’
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজাউল করিম পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর, দুর্নীতি মামলার আসামি। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ আত্মসাত, বিনা দোষে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বরখাস্ত করা সহ লাখ লাখ টাকা টেন্ডার জালিয়াতি করেন।
তারা অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবি জানান।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি কয়েক দিন হলো এখানে যোগদান করেছি। এর আগে ঠাকুরগাঁও টিটিসিতে ছিলাম। আমার নামে কোনো দুর্নীতির মামলা হয়নি।

কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। অবিলম্বে দুর্নীতিপরায়ণ অধ্যক্ষের অপসারণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী লোকজন। রেজাউল করিম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আবারও কুড়িগ্রাম টিটিসিতে যোগদান করেছেন।
প্রশিক্ষণার্থী লিটন হোসেন বলেন, ‘ইতোপূর্বে আমরা এই অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম দেখেছি। দুদকে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আমরা এই অধ্যক্ষের অপসারণ চাই।'
আরেক প্রশিক্ষণার্থী স্বাধীন ইসলাম বলেন, 'তিনি কখনও আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেননি। আমরা চাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হউক। এখানে ভালো মানের প্রশিক্ষণ হউক।’
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজাউল করিম পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর, দুর্নীতি মামলার আসামি। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ আত্মসাত, বিনা দোষে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বরখাস্ত করা সহ লাখ লাখ টাকা টেন্ডার জালিয়াতি করেন।
তারা অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবি জানান।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি কয়েক দিন হলো এখানে যোগদান করেছি। এর আগে ঠাকুরগাঁও টিটিসিতে ছিলাম। আমার নামে কোনো দুর্নীতির মামলা হয়নি।

টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা

কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। অবিলম্বে দুর্নীতিপরায়ণ অধ্যক্ষের অপসারণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেন প্রশিক্ষণার্থী ও ভুক্তভোগী লোকজন। রেজাউল করিম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আবারও কুড়িগ্রাম টিটিসিতে যোগদান করেছেন।
প্রশিক্ষণার্থী লিটন হোসেন বলেন, ‘ইতোপূর্বে আমরা এই অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম দেখেছি। দুদকে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আমরা এই অধ্যক্ষের অপসারণ চাই।'
আরেক প্রশিক্ষণার্থী স্বাধীন ইসলাম বলেন, 'তিনি কখনও আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেননি। আমরা চাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হউক। এখানে ভালো মানের প্রশিক্ষণ হউক।’
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজাউল করিম পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর, দুর্নীতি মামলার আসামি। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ আত্মসাত, বিনা দোষে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বরখাস্ত করা সহ লাখ লাখ টাকা টেন্ডার জালিয়াতি করেন।
তারা অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবি জানান।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ আবু সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি কয়েক দিন হলো এখানে যোগদান করেছি। এর আগে ঠাকুরগাঁও টিটিসিতে ছিলাম। আমার নামে কোনো দুর্নীতির মামলা হয়নি।




