অতি বৃষ্টিতে খেতে নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান

অতি বৃষ্টিতে খেতে নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

ধান পেকে গেছে। সেই ধান অতি বৃষ্টির কারণে কাটতে পারছেন না। খেতে জমে গেছে পানি। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে।
সদর উপজেলার আরডিআরিএস বাজারের কৃষক মামুনুর রশিদ বলেন, এবার মনে হয়, দেড় একর জমির ধান পাচ্ছি না। কারণ পাকা ধান পানির নিচে। যে ধান কেটেছি রোদের অভাবে সেগুলোও ভালোমতো শুকাতে পারছি না।
একই এলাকার কৃষক জমির উদ্দিন বলেন, আম-ছালা সবই গেলো। ধানের সঙ্গে নষ্ট হয়ে গেলো খড়ও। এখনো অনেক ধান জমিতে রয়ে গেছে। এই ধানের যে কী হবে আল্লাহ জানে!
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষক মোয়নাল বলেন, এক নৌকা ধান কাটি আনছি চর থাকি। আল্লাহ জানে বাকি গুলার কপালত যে কী আছে? যে ধানগুলা কাটছি তার পোয়াল (খড়) শুকবার পাবানচি না (পারছি না)। এলাও জমিত পাকা ধান পড়ি আছে। এমন করি ঝড়ি হইলে কাটমো কেমন করি!
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এখনো ৫০ ভাগ জমির পাকা ধান কাটা হয়নি। অতি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গেছে। কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অতি বৃষ্টিপাতের কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ধান পেকে গেছে। সেই ধান অতি বৃষ্টির কারণে কাটতে পারছেন না। খেতে জমে গেছে পানি। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে।
সদর উপজেলার আরডিআরিএস বাজারের কৃষক মামুনুর রশিদ বলেন, এবার মনে হয়, দেড় একর জমির ধান পাচ্ছি না। কারণ পাকা ধান পানির নিচে। যে ধান কেটেছি রোদের অভাবে সেগুলোও ভালোমতো শুকাতে পারছি না।
একই এলাকার কৃষক জমির উদ্দিন বলেন, আম-ছালা সবই গেলো। ধানের সঙ্গে নষ্ট হয়ে গেলো খড়ও। এখনো অনেক ধান জমিতে রয়ে গেছে। এই ধানের যে কী হবে আল্লাহ জানে!
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষক মোয়নাল বলেন, এক নৌকা ধান কাটি আনছি চর থাকি। আল্লাহ জানে বাকি গুলার কপালত যে কী আছে? যে ধানগুলা কাটছি তার পোয়াল (খড়) শুকবার পাবানচি না (পারছি না)। এলাও জমিত পাকা ধান পড়ি আছে। এমন করি ঝড়ি হইলে কাটমো কেমন করি!
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এখনো ৫০ ভাগ জমির পাকা ধান কাটা হয়নি। অতি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গেছে। কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অতি বৃষ্টিপাতের কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অতি বৃষ্টিতে খেতে নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

ধান পেকে গেছে। সেই ধান অতি বৃষ্টির কারণে কাটতে পারছেন না। খেতে জমে গেছে পানি। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে।
সদর উপজেলার আরডিআরিএস বাজারের কৃষক মামুনুর রশিদ বলেন, এবার মনে হয়, দেড় একর জমির ধান পাচ্ছি না। কারণ পাকা ধান পানির নিচে। যে ধান কেটেছি রোদের অভাবে সেগুলোও ভালোমতো শুকাতে পারছি না।
একই এলাকার কৃষক জমির উদ্দিন বলেন, আম-ছালা সবই গেলো। ধানের সঙ্গে নষ্ট হয়ে গেলো খড়ও। এখনো অনেক ধান জমিতে রয়ে গেছে। এই ধানের যে কী হবে আল্লাহ জানে!
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষক মোয়নাল বলেন, এক নৌকা ধান কাটি আনছি চর থাকি। আল্লাহ জানে বাকি গুলার কপালত যে কী আছে? যে ধানগুলা কাটছি তার পোয়াল (খড়) শুকবার পাবানচি না (পারছি না)। এলাও জমিত পাকা ধান পড়ি আছে। এমন করি ঝড়ি হইলে কাটমো কেমন করি!
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এখনো ৫০ ভাগ জমির পাকা ধান কাটা হয়নি। অতি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গেছে। কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টা এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অতি বৃষ্টিপাতের কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




