মোসাদ্দেক-জুবায়েরের উপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

মোসাদ্দেক-জুবায়েরের উপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ৩৫

জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন জুলাই ঐক্য নামের একটি সংগঠন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য নামক একটি সংগঠন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, অপরাধীদের বিচার আওতায় আনা না হলে, ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিটি আঘাতের জবাব দেওয়া হবে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাই ঐক্যের শীর্ষ সংগঠক কবি মুন্সি বোরহান মাহমুদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচনের মাধ্যনে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার আসলেও, সেই গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আবারও ফ্যাসিবাদ কাঠামোর দিকে যাচ্ছে। যেসব ছাত্র জনতা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিল তাদের ওপর এই সরকার পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।
বোরহান মাহমুদ বলেন, গত ২৩ এপ্রিল ছাত্রদলের নামধারী সন্ত্রাসীরা জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। বিএনপির ছাত্রসংগঠন শাহবাগ থানার ভিতরে প্রবেশ করে মুসাদ্দেক আলী, এবি জুবায়েরসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। যাদের কারণে আজ বিএনপি ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে পারছে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবরে যেভাবে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মানুষের লাশের ওপর নৃত্য করেছিল ঠিক একই ভাবে মুসাদ্দেককে মাটিতে ফেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। জুবায়েরের ওপর ৪ বার হামলা চালানো হয়। শাহবাগ থানায় এমন মব নজিরবিহীন। এশিয়ার সর্ববৃহৎ 'জঙ্গি' সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালাত, একই কায়দায় ঢাবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। ১৬ বছরে ছাত্রলীগ যে কাজ করেনি, ছাত্রদল ক্ষমতায় যাওয়ার আর মাত্র ৩ মাসের মধ্যে থানার ভিতরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রমাণ করেছে ছাত্রদল আর কোনো ছাত্রসংগঠন নয়। এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।
জুলাই ঐক্যের এই সংগঠক বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে একের পর এক যে ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে, তা গোপন করতে এবং ক্যাম্পাসে গণরুম ফেরানো ও হল দখল করতেই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা দুঃখজনকভাবে দেখলাম হাসিনা যে পুলিশি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, সেই একই কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শাহবাগ থানায় যখন ছাত্রদলের গুজবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে যাওয়া হলো, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণের কথা তো দূর, উল্টো ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের ডেকে এনে মব করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশ যে খেসারত দিয়েছিল, আজও সেই ভুল পথে হাটছে পুলিশ। আমরা প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি এবং সতর্ক করে বলতে চাই, নিজের দায়িত্বের প্রতি যত্নবান হোন। আমরা চাই না আবারও রাজনৈতিক দলের পাহারাদার হয়ে নিজরা বিপদে পড়ুন। আমরা আর কোনো দলীয় প্রশাসন বাংলাদেশে দেখতে চাই না।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক আবিদ আজম, রিয়াজুল ইসলাম, মঞ্চ ২৪ এর আহবায়ক ফাহিম ফারুকী।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য নামক একটি সংগঠন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, অপরাধীদের বিচার আওতায় আনা না হলে, ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিটি আঘাতের জবাব দেওয়া হবে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাই ঐক্যের শীর্ষ সংগঠক কবি মুন্সি বোরহান মাহমুদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচনের মাধ্যনে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার আসলেও, সেই গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আবারও ফ্যাসিবাদ কাঠামোর দিকে যাচ্ছে। যেসব ছাত্র জনতা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিল তাদের ওপর এই সরকার পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।
বোরহান মাহমুদ বলেন, গত ২৩ এপ্রিল ছাত্রদলের নামধারী সন্ত্রাসীরা জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। বিএনপির ছাত্রসংগঠন শাহবাগ থানার ভিতরে প্রবেশ করে মুসাদ্দেক আলী, এবি জুবায়েরসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। যাদের কারণে আজ বিএনপি ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে পারছে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবরে যেভাবে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মানুষের লাশের ওপর নৃত্য করেছিল ঠিক একই ভাবে মুসাদ্দেককে মাটিতে ফেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। জুবায়েরের ওপর ৪ বার হামলা চালানো হয়। শাহবাগ থানায় এমন মব নজিরবিহীন। এশিয়ার সর্ববৃহৎ 'জঙ্গি' সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালাত, একই কায়দায় ঢাবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। ১৬ বছরে ছাত্রলীগ যে কাজ করেনি, ছাত্রদল ক্ষমতায় যাওয়ার আর মাত্র ৩ মাসের মধ্যে থানার ভিতরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রমাণ করেছে ছাত্রদল আর কোনো ছাত্রসংগঠন নয়। এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।
জুলাই ঐক্যের এই সংগঠক বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে একের পর এক যে ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে, তা গোপন করতে এবং ক্যাম্পাসে গণরুম ফেরানো ও হল দখল করতেই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা দুঃখজনকভাবে দেখলাম হাসিনা যে পুলিশি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, সেই একই কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শাহবাগ থানায় যখন ছাত্রদলের গুজবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে যাওয়া হলো, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণের কথা তো দূর, উল্টো ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের ডেকে এনে মব করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশ যে খেসারত দিয়েছিল, আজও সেই ভুল পথে হাটছে পুলিশ। আমরা প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি এবং সতর্ক করে বলতে চাই, নিজের দায়িত্বের প্রতি যত্নবান হোন। আমরা চাই না আবারও রাজনৈতিক দলের পাহারাদার হয়ে নিজরা বিপদে পড়ুন। আমরা আর কোনো দলীয় প্রশাসন বাংলাদেশে দেখতে চাই না।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক আবিদ আজম, রিয়াজুল ইসলাম, মঞ্চ ২৪ এর আহবায়ক ফাহিম ফারুকী।

মোসাদ্দেক-জুবায়েরের উপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ৩৫

জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন জুলাই ঐক্য নামের একটি সংগঠন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য নামক একটি সংগঠন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, অপরাধীদের বিচার আওতায় আনা না হলে, ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিটি আঘাতের জবাব দেওয়া হবে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাই ঐক্যের শীর্ষ সংগঠক কবি মুন্সি বোরহান মাহমুদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচনের মাধ্যনে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার আসলেও, সেই গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আবারও ফ্যাসিবাদ কাঠামোর দিকে যাচ্ছে। যেসব ছাত্র জনতা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিল তাদের ওপর এই সরকার পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।
বোরহান মাহমুদ বলেন, গত ২৩ এপ্রিল ছাত্রদলের নামধারী সন্ত্রাসীরা জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। বিএনপির ছাত্রসংগঠন শাহবাগ থানার ভিতরে প্রবেশ করে মুসাদ্দেক আলী, এবি জুবায়েরসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। যাদের কারণে আজ বিএনপি ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে পারছে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবরে যেভাবে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মানুষের লাশের ওপর নৃত্য করেছিল ঠিক একই ভাবে মুসাদ্দেককে মাটিতে ফেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। জুবায়েরের ওপর ৪ বার হামলা চালানো হয়। শাহবাগ থানায় এমন মব নজিরবিহীন। এশিয়ার সর্ববৃহৎ 'জঙ্গি' সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালাত, একই কায়দায় ঢাবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। ১৬ বছরে ছাত্রলীগ যে কাজ করেনি, ছাত্রদল ক্ষমতায় যাওয়ার আর মাত্র ৩ মাসের মধ্যে থানার ভিতরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রমাণ করেছে ছাত্রদল আর কোনো ছাত্রসংগঠন নয়। এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।
জুলাই ঐক্যের এই সংগঠক বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে একের পর এক যে ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে, তা গোপন করতে এবং ক্যাম্পাসে গণরুম ফেরানো ও হল দখল করতেই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা দুঃখজনকভাবে দেখলাম হাসিনা যে পুলিশি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, সেই একই কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শাহবাগ থানায় যখন ছাত্রদলের গুজবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে যাওয়া হলো, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণের কথা তো দূর, উল্টো ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের ডেকে এনে মব করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশ যে খেসারত দিয়েছিল, আজও সেই ভুল পথে হাটছে পুলিশ। আমরা প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি এবং সতর্ক করে বলতে চাই, নিজের দায়িত্বের প্রতি যত্নবান হোন। আমরা চাই না আবারও রাজনৈতিক দলের পাহারাদার হয়ে নিজরা বিপদে পড়ুন। আমরা আর কোনো দলীয় প্রশাসন বাংলাদেশে দেখতে চাই না।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক আবিদ আজম, রিয়াজুল ইসলাম, মঞ্চ ২৪ এর আহবায়ক ফাহিম ফারুকী।
/এসএ/

শাহবাগে ২ ডাকসু নেতার ওপর হামলা


