ট্রাম্পের ওপর যত হামলা ও হত্যাচেষ্টা
সিটিজেন ডেস্ক

ট্রাম্পের ওপর যত হামলা ও হত্যাচেষ্টা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ২০

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডিনার চলাকালে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনার উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের বলরুমের বাইরে স্থানীয় সময় রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনা মাত্রই সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলেও ঘটনাটি ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে, যদিও গুলি সরাসরি তাকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছিল কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ট্রাম্প নিজেও বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন, গত কয়েক বছরে সম্ভাব্য হত্যাকারীদের হামলার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। বাস্তবে ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণা থেকেই তার ওপর এমন হুমকি ও হামলার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারের সময় ট্রাম্প সরাসরি দুইবার বড় ধরনের হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পেনসিলভানিয়ার বাটলারে আয়োজিত এক সমাবেশ, যেখানে থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস নামের এক বন্দুকধারী এআর স্টাইল ৫৫৬ রাইফেল দিয়ে সরাসরি গুলি চালায়। সেই হামলায় একটি গুলি ট্রাম্পের ডান কান ছুঁয়ে যায় এবং মঞ্চের পাশে থাকা এক সমর্থক নিহত হন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের স্নাইপাররা হামলাকারীকে পাল্টা গুলিতে হত্যা করে। একই বছর ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে রায়ান ওয়েসলি রুথ নামের এক ব্যক্তিকে রাইফেলসহ ওত পেতে থাকতে দেখা যায়। এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট গুলি চালালে তিনি পালিয়ে গেলেও পরে গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
হামলার তালিকায় আরও রয়েছে ২০১৬ সালের লাস ভেগাস সফর, যেখানে এক ব্রিটিশ নাগরিক জনসভায় দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে স্বীকার করেছিলেন যে ট্রাম্পকে হত্যা করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। ২০১৭ সালে নর্থ ডাকোটায় এক ব্যক্তি একটি ফর্কলিফট চুরি করে প্রেসিডেন্টের লিমোজিন গাড়িটি উল্টে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িবহরের দিকে চালিয়ে দিয়েছিলেন।
এছাড়া ২০২০ সালে এক ফরাসি কানাডীয় নাগরিক ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী রাইসিন বিষযুক্ত চিঠি পাঠিয়েছিলেন যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাঝপথেই আটকে দেয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পক্ষে ভাড়াটে খুনি হিসেবে ট্রাম্পকে হত্যার একটি গভীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়, যাতে পরে এক ইরানি নাগরিকও জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এমনকি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেও মার এ লাগোতে এক ২১ বছর বয়সী ব্যক্তি শটগান ও গ্যাস ক্যানিস্টার নিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে তিনি নিহত হন।
তবে এতসব প্রাণের ঝুঁকি ও উপর্যুপরি হামলার ঘটনার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি জনসম্মুখে তার উপস্থিতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা করছেন না এবং কোনোভাবেই ভয় পেয়ে পিছু হটবেন না।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডিনার চলাকালে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনার উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের বলরুমের বাইরে স্থানীয় সময় রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনা মাত্রই সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলেও ঘটনাটি ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে, যদিও গুলি সরাসরি তাকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছিল কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ট্রাম্প নিজেও বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন, গত কয়েক বছরে সম্ভাব্য হত্যাকারীদের হামলার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। বাস্তবে ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণা থেকেই তার ওপর এমন হুমকি ও হামলার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারের সময় ট্রাম্প সরাসরি দুইবার বড় ধরনের হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পেনসিলভানিয়ার বাটলারে আয়োজিত এক সমাবেশ, যেখানে থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস নামের এক বন্দুকধারী এআর স্টাইল ৫৫৬ রাইফেল দিয়ে সরাসরি গুলি চালায়। সেই হামলায় একটি গুলি ট্রাম্পের ডান কান ছুঁয়ে যায় এবং মঞ্চের পাশে থাকা এক সমর্থক নিহত হন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের স্নাইপাররা হামলাকারীকে পাল্টা গুলিতে হত্যা করে। একই বছর ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে রায়ান ওয়েসলি রুথ নামের এক ব্যক্তিকে রাইফেলসহ ওত পেতে থাকতে দেখা যায়। এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট গুলি চালালে তিনি পালিয়ে গেলেও পরে গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
হামলার তালিকায় আরও রয়েছে ২০১৬ সালের লাস ভেগাস সফর, যেখানে এক ব্রিটিশ নাগরিক জনসভায় দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে স্বীকার করেছিলেন যে ট্রাম্পকে হত্যা করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। ২০১৭ সালে নর্থ ডাকোটায় এক ব্যক্তি একটি ফর্কলিফট চুরি করে প্রেসিডেন্টের লিমোজিন গাড়িটি উল্টে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িবহরের দিকে চালিয়ে দিয়েছিলেন।
এছাড়া ২০২০ সালে এক ফরাসি কানাডীয় নাগরিক ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী রাইসিন বিষযুক্ত চিঠি পাঠিয়েছিলেন যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাঝপথেই আটকে দেয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পক্ষে ভাড়াটে খুনি হিসেবে ট্রাম্পকে হত্যার একটি গভীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়, যাতে পরে এক ইরানি নাগরিকও জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এমনকি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেও মার এ লাগোতে এক ২১ বছর বয়সী ব্যক্তি শটগান ও গ্যাস ক্যানিস্টার নিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে তিনি নিহত হন।
তবে এতসব প্রাণের ঝুঁকি ও উপর্যুপরি হামলার ঘটনার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি জনসম্মুখে তার উপস্থিতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা করছেন না এবং কোনোভাবেই ভয় পেয়ে পিছু হটবেন না।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

ট্রাম্পের ওপর যত হামলা ও হত্যাচেষ্টা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ২০

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডিনার চলাকালে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনার উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের বলরুমের বাইরে স্থানীয় সময় রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনা মাত্রই সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলেও ঘটনাটি ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে, যদিও গুলি সরাসরি তাকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছিল কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ট্রাম্প নিজেও বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন, গত কয়েক বছরে সম্ভাব্য হত্যাকারীদের হামলার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। বাস্তবে ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণা থেকেই তার ওপর এমন হুমকি ও হামলার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারের সময় ট্রাম্প সরাসরি দুইবার বড় ধরনের হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পেনসিলভানিয়ার বাটলারে আয়োজিত এক সমাবেশ, যেখানে থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস নামের এক বন্দুকধারী এআর স্টাইল ৫৫৬ রাইফেল দিয়ে সরাসরি গুলি চালায়। সেই হামলায় একটি গুলি ট্রাম্পের ডান কান ছুঁয়ে যায় এবং মঞ্চের পাশে থাকা এক সমর্থক নিহত হন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের স্নাইপাররা হামলাকারীকে পাল্টা গুলিতে হত্যা করে। একই বছর ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে রায়ান ওয়েসলি রুথ নামের এক ব্যক্তিকে রাইফেলসহ ওত পেতে থাকতে দেখা যায়। এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট গুলি চালালে তিনি পালিয়ে গেলেও পরে গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
হামলার তালিকায় আরও রয়েছে ২০১৬ সালের লাস ভেগাস সফর, যেখানে এক ব্রিটিশ নাগরিক জনসভায় দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে স্বীকার করেছিলেন যে ট্রাম্পকে হত্যা করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। ২০১৭ সালে নর্থ ডাকোটায় এক ব্যক্তি একটি ফর্কলিফট চুরি করে প্রেসিডেন্টের লিমোজিন গাড়িটি উল্টে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িবহরের দিকে চালিয়ে দিয়েছিলেন।
এছাড়া ২০২০ সালে এক ফরাসি কানাডীয় নাগরিক ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী রাইসিন বিষযুক্ত চিঠি পাঠিয়েছিলেন যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাঝপথেই আটকে দেয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পক্ষে ভাড়াটে খুনি হিসেবে ট্রাম্পকে হত্যার একটি গভীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়, যাতে পরে এক ইরানি নাগরিকও জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এমনকি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেও মার এ লাগোতে এক ২১ বছর বয়সী ব্যক্তি শটগান ও গ্যাস ক্যানিস্টার নিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে তিনি নিহত হন।
তবে এতসব প্রাণের ঝুঁকি ও উপর্যুপরি হামলার ঘটনার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি জনসম্মুখে তার উপস্থিতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা করছেন না এবং কোনোভাবেই ভয় পেয়ে পিছু হটবেন না।
সূত্র: অ্যাক্সিওস
/এমএকে/

আজ গুলি চলবে, অনুষ্ঠানের আগেই বলেছিলেন ট্রাম্পের প্রেস সচিব
হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে সরানো যাবে না: ট্রাম্প


