শিবিরের ‘গুপ্ত’ রাজনীতি নাকি কৌশল, জবি ক্যাম্পাসে নতুন সমীকরণ

শিবিরের ‘গুপ্ত’ রাজনীতি নাকি কৌশল, জবি ক্যাম্পাসে নতুন সমীকরণ
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় আসে ইসলামী ছাত্রশিবির। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসেও যার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনটির একচেটিয়া বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনি ও পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনায় থাকলেও এখন দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ পরিচয় গোপন রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের। সীমিত সংখ্যক নেতাকর্মীর প্রকাশ্য উপস্থিতি থাকলেও মেস ও অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।
বেশ কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই প্রবণতাকে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বলে মনে করছেন। তাদের মতে, একদিকে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সীমিত রাখার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে আড়ালে সংগঠন বিস্তার করা হচ্ছে যা স্পষ্ট দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দেয়। কেউ কেউ আরও অভিযোগ করছেন, কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্যাড প্রকাশ না করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আড়ালে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, অতীতে দমন-পীড়ন ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন প্রকাশ্য কার্যক্রম সীমিত ছিল। তবে বর্তমানে সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রম প্রকাশ্যেই পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত’ শব্দকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। ফলে বিষয়টি শুধু একটি সংগঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং সামগ্রিক ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ ও সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলছে বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, শিবির অতীতে ‘গুপ্ত’ থাকার কৌশল ব্যবহার করে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। যা সত্যিই নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে এমন প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে ছাত্রদল সবসময় তাদের কাজের মাধ্যমেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছাত্রদল নতুন শিক্ষার্থীদের কল্যাণমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে আকৃষ্ট করবে এবং তারা সুস্থ ও সুন্দর রাজনৈতিক ধারায় সম্পৃক্ত হবে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘গুপ্ত ন্যারেটিভ বা ‘গুপ্ত ট্যাগ’ নতুন কিছু নয়; অতীতেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখাতে এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। কাউকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে টার্গেট করার একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত ডিহিউম্যানাইজেশন ও নির্যাতনের বৈধতা তৈরি করে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতেও দেখা যাচ্ছে, এই ন্যারেটিভ আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে যেখানে তথ্যের চেয়ে অভিযোগই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। পরবর্তীতে বাস্তবতা ভিন্ন হওয়ায় পুরো বিষয়টির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।’
আব্দুল আলিম আরিফ আরও বলেন, ‘এই ধরনের ন্যারেটিভ (বয়ান) মূলত একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে। যাতে ক্যাম্পাসে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি বজায় রাখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা, ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার করা এবং ভিন্নমতকে দমন করা এসবই এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হিসেবে দেখা যায়। তবে বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক বেশি সচেতন, ফলে এ ধরনের কৌশল দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় আসে ইসলামী ছাত্রশিবির। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসেও যার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনটির একচেটিয়া বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনি ও পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনায় থাকলেও এখন দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ পরিচয় গোপন রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের। সীমিত সংখ্যক নেতাকর্মীর প্রকাশ্য উপস্থিতি থাকলেও মেস ও অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।
বেশ কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই প্রবণতাকে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বলে মনে করছেন। তাদের মতে, একদিকে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সীমিত রাখার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে আড়ালে সংগঠন বিস্তার করা হচ্ছে যা স্পষ্ট দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দেয়। কেউ কেউ আরও অভিযোগ করছেন, কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্যাড প্রকাশ না করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আড়ালে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, অতীতে দমন-পীড়ন ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন প্রকাশ্য কার্যক্রম সীমিত ছিল। তবে বর্তমানে সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রম প্রকাশ্যেই পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত’ শব্দকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। ফলে বিষয়টি শুধু একটি সংগঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং সামগ্রিক ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ ও সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলছে বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, শিবির অতীতে ‘গুপ্ত’ থাকার কৌশল ব্যবহার করে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। যা সত্যিই নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে এমন প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে ছাত্রদল সবসময় তাদের কাজের মাধ্যমেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছাত্রদল নতুন শিক্ষার্থীদের কল্যাণমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে আকৃষ্ট করবে এবং তারা সুস্থ ও সুন্দর রাজনৈতিক ধারায় সম্পৃক্ত হবে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘গুপ্ত ন্যারেটিভ বা ‘গুপ্ত ট্যাগ’ নতুন কিছু নয়; অতীতেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখাতে এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। কাউকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে টার্গেট করার একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত ডিহিউম্যানাইজেশন ও নির্যাতনের বৈধতা তৈরি করে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতেও দেখা যাচ্ছে, এই ন্যারেটিভ আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে যেখানে তথ্যের চেয়ে অভিযোগই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। পরবর্তীতে বাস্তবতা ভিন্ন হওয়ায় পুরো বিষয়টির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।’
আব্দুল আলিম আরিফ আরও বলেন, ‘এই ধরনের ন্যারেটিভ (বয়ান) মূলত একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে। যাতে ক্যাম্পাসে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি বজায় রাখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা, ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার করা এবং ভিন্নমতকে দমন করা এসবই এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হিসেবে দেখা যায়। তবে বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক বেশি সচেতন, ফলে এ ধরনের কৌশল দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

শিবিরের ‘গুপ্ত’ রাজনীতি নাকি কৌশল, জবি ক্যাম্পাসে নতুন সমীকরণ
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় আসে ইসলামী ছাত্রশিবির। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসেও যার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনটির একচেটিয়া বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনি ও পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনায় থাকলেও এখন দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ পরিচয় গোপন রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের। সীমিত সংখ্যক নেতাকর্মীর প্রকাশ্য উপস্থিতি থাকলেও মেস ও অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।
বেশ কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই প্রবণতাকে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বলে মনে করছেন। তাদের মতে, একদিকে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সীমিত রাখার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে আড়ালে সংগঠন বিস্তার করা হচ্ছে যা স্পষ্ট দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দেয়। কেউ কেউ আরও অভিযোগ করছেন, কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্যাড প্রকাশ না করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আড়ালে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, অতীতে দমন-পীড়ন ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন প্রকাশ্য কার্যক্রম সীমিত ছিল। তবে বর্তমানে সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রম প্রকাশ্যেই পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত’ শব্দকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। ফলে বিষয়টি শুধু একটি সংগঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং সামগ্রিক ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ ও সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলছে বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, শিবির অতীতে ‘গুপ্ত’ থাকার কৌশল ব্যবহার করে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। যা সত্যিই নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে এমন প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে ছাত্রদল সবসময় তাদের কাজের মাধ্যমেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছাত্রদল নতুন শিক্ষার্থীদের কল্যাণমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে আকৃষ্ট করবে এবং তারা সুস্থ ও সুন্দর রাজনৈতিক ধারায় সম্পৃক্ত হবে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘গুপ্ত ন্যারেটিভ বা ‘গুপ্ত ট্যাগ’ নতুন কিছু নয়; অতীতেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখাতে এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। কাউকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে টার্গেট করার একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত ডিহিউম্যানাইজেশন ও নির্যাতনের বৈধতা তৈরি করে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতেও দেখা যাচ্ছে, এই ন্যারেটিভ আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে যেখানে তথ্যের চেয়ে অভিযোগই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। পরবর্তীতে বাস্তবতা ভিন্ন হওয়ায় পুরো বিষয়টির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।’
আব্দুল আলিম আরিফ আরও বলেন, ‘এই ধরনের ন্যারেটিভ (বয়ান) মূলত একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে। যাতে ক্যাম্পাসে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি বজায় রাখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা, ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার করা এবং ভিন্নমতকে দমন করা এসবই এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হিসেবে দেখা যায়। তবে বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক বেশি সচেতন, ফলে এ ধরনের কৌশল দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

জবি ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে আরিফ-ইব্রাহিম


