দেশে বসবাসকারী সবাই বাংলাদেশি: জ্বালানিমন্ত্রী
দেশে বসবাসকারী সবাই বাংলাদেশি: জ্বালানিমন্ত্রী
আমরা যারা বাংলাদেশের মানচিত্রে বসবাস করি সবাই বাঙালি না, বাংলাদেশি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।


জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই। বর্তমানে ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রোল, ২০ দিনের জেট ফুয়েল ও ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েল মজুদ রয়েছে।

ভোক্তাপর্যায়ে জুলাই মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। জুলাই মাসেও প্রতি লিটার অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হবে।

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালুর সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

জুন মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে রবিবার (৩১ মে) রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
আমরা যারা বাংলাদেশের মানচিত্রে বসবাস করি সবাই বাঙালি না, বাংলাদেশি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাজধানীতে ফুয়েল পাস ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হয়েছে।

টেকসই জ্বালানি খাত গড়ে তুলতে নবায়নযোগ্য শক্তির বিকল্প নেই। দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও স্বচ্ছতা জরুরি, যা বিএনপির ভিশনেও গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

গৃহস্থালি পর্যায়ে জ্বালানি ব্যবহারে স্বস্তি আনতে সরকার নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

দেশের কৃষিখাত ও কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করে আমরা আগামী ১ মে থেকে জিয়া ফার্টিলাইজার কারখানায় গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

দেশে জ্বালানি তেল স্বল্পতম সময়ে আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৪২ দিনের পরিবর্তে এখন তা ১০ দিনের মধ্যে আমদানি করা হবে।

বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের জ্বালানির বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দেশের ৪ রাষ্ট্রীয় তেল বিতরণ কোম্পানি বর্ধিত এ বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ শুরু করবে।

বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটা বাড়িয়েছে সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে ক্রুড অয়েল আমদানিতে বিঘ্ন হওয়ায় দেশের একমাত্র রিফাইনারি ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বর্তমানে ‘লো-ফিডে’ চালু রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি জোরদার করায় সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘চলতি এপ্রিল মাস তো বটেই, আগামী দুই মাসেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট তৈরি হবে না, ইনশাল্লাহ।’

এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না, নিরাপদে আছে বাংলাদেশ- এমন মন্তব্য করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

সারা দেশে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে একদিনেই ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মার্চ মাসে মোট উদ্ধার হওয়া জ্বালানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার।

দেশের সব ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিনের পেট্রোল, ডিজেল, অকটেনসহ সব জ্বালানি তেল সরবরাহের পরিমাণ উল্লেখ করে বোর্ড স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বোর্ডে গত বছরের একই তারিখে কী পরিমাণ সরবরাহ হয়েছিল– তা-ও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

চলমান বৈশ্বিক সংকট নিরসনের জন্য দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হবে। তারা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা বিপিসি নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাজ করবেন ও দৈনিক প্রতিবেদন দেবেন।

আজ শুক্রবার যশোরে দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই তথ্য দেন।
