জ্বালানি তেলের ৩ মাসের মজুত রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

জ্বালানি তেলের ৩ মাসের মজুত রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালুর সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ‘সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে’ সুপারিশ দেওয়ার জন্য গত ২৬ এপ্রিল এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির মেয়াদ ছিল ৩০ দিন। সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংসদে সুপারিশমালা উপস্থাপন ছিল কমিটির কার্যপরিধি।
কমিটি গত ৩ মে ও ১৯ মে দুই দফা বৈঠক করে। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রতিবেদনে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১২টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতায় উন্নীত করা, জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার, বেসরকারি খাতকে জ্বালানি পণ্য আমদানিতে সম্পৃক্ত করার সম্ভাব্যতা যাচাই, রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা ও তদারকি বাড়ানো, সিস্টেম লস কমাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ, তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ু উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং বিরোধী দলের সুপারিশগুলো বিবেচনায় নেওয়া।
প্রতিবেদনে বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জ্বালানি চাহিদা নিরূপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত অফশোর অনুসন্ধান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যবহার, নতুন তেলক্ষেত্র অনুসন্ধান, এসপিএম ও ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম দ্রুত চালু, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, জলবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই এবং জ্বালানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
বিরোধী দলের সুপারিশে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ, নেট মিটারিং কার্যকর করা এবং সৌর সরঞ্জামের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবও রয়েছে।
প্রতিবেদনের উপসংহারে বিশেষ কমিটি বলেছে, সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নীতি, অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল, বহুমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজন রয়েছে।
কমিটির মতে, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সংসদীয় তদারকি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনগণের সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালুর সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ‘সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে’ সুপারিশ দেওয়ার জন্য গত ২৬ এপ্রিল এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির মেয়াদ ছিল ৩০ দিন। সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংসদে সুপারিশমালা উপস্থাপন ছিল কমিটির কার্যপরিধি।
কমিটি গত ৩ মে ও ১৯ মে দুই দফা বৈঠক করে। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রতিবেদনে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১২টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতায় উন্নীত করা, জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার, বেসরকারি খাতকে জ্বালানি পণ্য আমদানিতে সম্পৃক্ত করার সম্ভাব্যতা যাচাই, রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা ও তদারকি বাড়ানো, সিস্টেম লস কমাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ, তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ু উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং বিরোধী দলের সুপারিশগুলো বিবেচনায় নেওয়া।
প্রতিবেদনে বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জ্বালানি চাহিদা নিরূপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত অফশোর অনুসন্ধান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যবহার, নতুন তেলক্ষেত্র অনুসন্ধান, এসপিএম ও ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম দ্রুত চালু, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, জলবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই এবং জ্বালানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
বিরোধী দলের সুপারিশে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ, নেট মিটারিং কার্যকর করা এবং সৌর সরঞ্জামের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবও রয়েছে।
প্রতিবেদনের উপসংহারে বিশেষ কমিটি বলেছে, সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নীতি, অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল, বহুমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজন রয়েছে।
কমিটির মতে, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সংসদীয় তদারকি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনগণের সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জ্বালানি তেলের ৩ মাসের মজুত রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালুর সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ‘সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে’ সুপারিশ দেওয়ার জন্য গত ২৬ এপ্রিল এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির মেয়াদ ছিল ৩০ দিন। সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংসদে সুপারিশমালা উপস্থাপন ছিল কমিটির কার্যপরিধি।
কমিটি গত ৩ মে ও ১৯ মে দুই দফা বৈঠক করে। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রতিবেদনে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১২টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে– জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতায় উন্নীত করা, জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার, বেসরকারি খাতকে জ্বালানি পণ্য আমদানিতে সম্পৃক্ত করার সম্ভাব্যতা যাচাই, রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা ও তদারকি বাড়ানো, সিস্টেম লস কমাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ, তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ু উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং বিরোধী দলের সুপারিশগুলো বিবেচনায় নেওয়া।
প্রতিবেদনে বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জ্বালানি চাহিদা নিরূপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত অফশোর অনুসন্ধান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যবহার, নতুন তেলক্ষেত্র অনুসন্ধান, এসপিএম ও ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম দ্রুত চালু, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, জলবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই এবং জ্বালানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
বিরোধী দলের সুপারিশে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ, নেট মিটারিং কার্যকর করা এবং সৌর সরঞ্জামের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবও রয়েছে।
প্রতিবেদনের উপসংহারে বিশেষ কমিটি বলেছে, সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নীতি, অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল, বহুমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজন রয়েছে।
কমিটির মতে, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ, সংসদীয় তদারকি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনগণের সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি


