‘পলায়নে’ চাকরি হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামান

‘পলায়নে’ চাকরি হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামান
বিশেষ প্রতিনিধি

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি থাকা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট বদলি করে রংপুরের রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ওই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সেখানে যোগদানের পরই শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে ২২-২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচদিনের ছুটির আবেদন করেন তিনি। তবে ছুটি মঞ্জুর হওয়ার আগেই ২১ সেপ্টেম্বর অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি। পরে নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও তিনি কর্মস্থলে ফেরেননি। ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা অনুপস্থিত থাকার পর ২১ নভেম্বর কর্মস্থলে যোগদান করেন। কিন্তু পুনরায় ২৫ নভেম্বর থেকে অদ্যাবধি অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত রয়েছেন।
আরও জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত থাকা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর দায়ে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো জবাব দেননি তিনি। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর গণ্য করে তাকে ‘চাকরি হতে বরখাস্ত’ করে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি থাকা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট বদলি করে রংপুরের রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ওই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সেখানে যোগদানের পরই শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে ২২-২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচদিনের ছুটির আবেদন করেন তিনি। তবে ছুটি মঞ্জুর হওয়ার আগেই ২১ সেপ্টেম্বর অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি। পরে নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও তিনি কর্মস্থলে ফেরেননি। ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা অনুপস্থিত থাকার পর ২১ নভেম্বর কর্মস্থলে যোগদান করেন। কিন্তু পুনরায় ২৫ নভেম্বর থেকে অদ্যাবধি অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত রয়েছেন।
আরও জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত থাকা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর দায়ে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো জবাব দেননি তিনি। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর গণ্য করে তাকে ‘চাকরি হতে বরখাস্ত’ করে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

‘পলায়নে’ চাকরি হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামান
বিশেষ প্রতিনিধি

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি থাকা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পুলিশ কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট বদলি করে রংপুরের রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ওই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সেখানে যোগদানের পরই শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে ২২-২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচদিনের ছুটির আবেদন করেন তিনি। তবে ছুটি মঞ্জুর হওয়ার আগেই ২১ সেপ্টেম্বর অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি। পরে নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও তিনি কর্মস্থলে ফেরেননি। ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা অনুপস্থিত থাকার পর ২১ নভেম্বর কর্মস্থলে যোগদান করেন। কিন্তু পুনরায় ২৫ নভেম্বর থেকে অদ্যাবধি অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত রয়েছেন।
আরও জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত থাকা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর দায়ে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো জবাব দেননি তিনি। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর গণ্য করে তাকে ‘চাকরি হতে বরখাস্ত’ করে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

পুলিশের ঊধ্বর্তন ৩১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন







