একদিনে উদ্ধার ৮৭ হাজার লিটার তেল: জ্বালানি বিভাগ

একদিনে উদ্ধার ৮৭ হাজার লিটার তেল: জ্বালানি বিভাগ
সিটিজেন ডেস্ক

সারা দেশে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে একদিনেই ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মার্চ মাসে মোট উদ্ধার হওয়া জ্বালানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র (যুগ্ম সচিব) মনির হোসেন চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এর মধ্যে শুধু সোমবার (৩০ মার্চ) ৩৯১টি অভিযান চালানো হয়। এতে ১৯১টি মামলা করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সাতক্ষীরা, গাজীপুর ও চাঁদপুরে একজন করে মোট তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে একদিনে ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল, ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার অকটেন এবং ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার পেট্রল জব্দ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২৪৪টি মামলা হয়েছে। জরিমানা আদায় হয়েছে ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা এবং ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ সময়ে উদ্ধার হওয়া জ্বালানির মধ্যে রয়েছে– ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৫ লিটার ডিজেল, ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার অকটেন এবং ৬০ হাজার ২ লিটার পেট্রল।
বর্তমান মজুদের তথ্য দিয়ে জানানো হয়, দেশে এখন ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিয়মিত আমদানি ও খালাস কার্যক্রম চলমান থাকায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বড় ধরনের কোনো সংকট না থাকলেও অবৈধ মজুত ও অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

সারা দেশে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে একদিনেই ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মার্চ মাসে মোট উদ্ধার হওয়া জ্বালানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র (যুগ্ম সচিব) মনির হোসেন চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এর মধ্যে শুধু সোমবার (৩০ মার্চ) ৩৯১টি অভিযান চালানো হয়। এতে ১৯১টি মামলা করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সাতক্ষীরা, গাজীপুর ও চাঁদপুরে একজন করে মোট তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে একদিনে ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল, ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার অকটেন এবং ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার পেট্রল জব্দ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২৪৪টি মামলা হয়েছে। জরিমানা আদায় হয়েছে ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা এবং ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ সময়ে উদ্ধার হওয়া জ্বালানির মধ্যে রয়েছে– ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৫ লিটার ডিজেল, ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার অকটেন এবং ৬০ হাজার ২ লিটার পেট্রল।
বর্তমান মজুদের তথ্য দিয়ে জানানো হয়, দেশে এখন ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিয়মিত আমদানি ও খালাস কার্যক্রম চলমান থাকায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বড় ধরনের কোনো সংকট না থাকলেও অবৈধ মজুত ও অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

একদিনে উদ্ধার ৮৭ হাজার লিটার তেল: জ্বালানি বিভাগ
সিটিজেন ডেস্ক

সারা দেশে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে একদিনেই ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মার্চ মাসে মোট উদ্ধার হওয়া জ্বালানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র (যুগ্ম সচিব) মনির হোসেন চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এর মধ্যে শুধু সোমবার (৩০ মার্চ) ৩৯১টি অভিযান চালানো হয়। এতে ১৯১টি মামলা করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৭০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সাতক্ষীরা, গাজীপুর ও চাঁদপুরে একজন করে মোট তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে একদিনে ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল, ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার অকটেন এবং ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটার পেট্রল জব্দ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২৪৪টি মামলা হয়েছে। জরিমানা আদায় হয়েছে ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা এবং ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ সময়ে উদ্ধার হওয়া জ্বালানির মধ্যে রয়েছে– ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৫ লিটার ডিজেল, ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার অকটেন এবং ৬০ হাজার ২ লিটার পেট্রল।
বর্তমান মজুদের তথ্য দিয়ে জানানো হয়, দেশে এখন ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিয়মিত আমদানি ও খালাস কার্যক্রম চলমান থাকায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বড় ধরনের কোনো সংকট না থাকলেও অবৈধ মজুত ও অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।




