র্যাব বিলুপ্তিসহ একগুচ্ছ সুপারিশ গুম কমিশনের
র্যাব বিলুপ্তিসহ একগুচ্ছ সুপারিশ গুম কমিশনের
গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত সংস্কারের সুপারিশ করেছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি।


খোলা চিঠিতে সদ্যবিদায়ী কমিশন বলেছে, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংসদে পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা বারবার জানতে চাইছেন– ‘এখন আমাদের কী হবে?’ তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে।

গুমসংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশের প্রয়োজন ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

সরকার জনগণের কল্যাণ, মানবাধিকার ও নারীর অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২১ দিনের মাথায়

গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অনুচ্ছেদ ১৪(১)-সংক্রান্ত ওই ঘোষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত সংস্কারের সুপারিশ করেছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি।

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনে মোট ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ সংজ্ঞা অনুযায়ী গুম হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭ অভিযোগ 'মিসিং অ্যান্ড ডেড' ক্যাটাগরিতে পড়েছে।
