আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (১৪ জুন) এই রায় প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডই জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম ধাপ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। রায়ে অনুপস্থিত আসামির বিচার নিয়েও বিস্তৃত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মামলায় ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত ৪১টি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সাক্ষ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে তাদের ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছে।
আদালতের মতে, বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। যার ফলশ্রুতিতে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাকি ৬ আসামি কারাগারে ছিলেন।
গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেনআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল । রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ে মামলার দুই আসামি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিও পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো.মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। তারা তিনজনই পলাতক।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেলকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান ও সাবেক সেকশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, সাবেক নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, সাবেক এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেনকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই পলাতক।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (১৪ জুন) এই রায় প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডই জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম ধাপ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। রায়ে অনুপস্থিত আসামির বিচার নিয়েও বিস্তৃত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মামলায় ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত ৪১টি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সাক্ষ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে তাদের ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছে।
আদালতের মতে, বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। যার ফলশ্রুতিতে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাকি ৬ আসামি কারাগারে ছিলেন।
গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেনআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল । রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ে মামলার দুই আসামি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিও পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো.মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। তারা তিনজনই পলাতক।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেলকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান ও সাবেক সেকশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, সাবেক নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, সাবেক এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেনকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই পলাতক।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (১৪ জুন) এই রায় প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডই জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম ধাপ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। রায়ে অনুপস্থিত আসামির বিচার নিয়েও বিস্তৃত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মামলায় ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত ৪১টি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সাক্ষ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে তাদের ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছে।
আদালতের মতে, বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। যার ফলশ্রুতিতে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাকি ৬ আসামি কারাগারে ছিলেন।
গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেনআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল । রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ে মামলার দুই আসামি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিও পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো.মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। তারা তিনজনই পলাতক।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেলকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান ও সাবেক সেকশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, সাবেক নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, সাবেক এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেনকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই পলাতক।

আবু সাঈদ হত্যা মামলা: কোন আসামি কী সাজা পেলেন


