চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালি খুলতে বড় বাধা সমুদ্রের মাইন

চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালি খুলতে বড় বাধা সমুদ্রের মাইন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ওয়াশিংটন। চুক্তি কার্যকর হলে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি।
তবে চুক্তি হলেও প্রণালিটি তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি নিরাপদ হবে না। কারণ, পানির নিচে এখনো বিপুলসংখ্যক মাইন রয়ে গেছে, যেগুলো সরাতে সময় লাগবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে বাধা দেয় ইরান। জাহাজ চলাচল ঠেকাতে প্রণালির বিভিন্ন স্থানে মাইন পেতে রাখা হয়। ফলে এখনো পুরো নৌপথ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, হরমুজ থেকে মাইন অপসারণের কাজ পরে শুরু হবে। আপাতত ইরানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নৌপথের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ট্রাম্প রবিবার (১৪ জুন) চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আশাবাদী হলেও, ইরান এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ কোনো চুক্তি হচ্ছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার বিরোধিতা করে ইরানে বিক্ষোভও শুরু হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক চুক্তির মূল বিষয় হবে হরমুজ প্রণালি। অন্যান্য ইস্যু নিয়ে পরে আলোচনা হবে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করবে ইরান। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ তুলে নেবে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, দুই পদক্ষেপ একই সময়ে কার্যকর হবে। এরপর হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন সরানোর কাজ শুরু করা হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের নিচে থাকা মাইন অপসারণ সহজ কাজ নয়। স্থলভাগে পাতা মাইন তুলনামূলক সহজে শনাক্ত করা গেলেও পানির নিচের মাইন খুঁজে বের করা অনেক বেশি জটিল।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরান যে মাইনগুলো পানিতে ফেলেছিল, সেগুলোর অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে সাগরের স্রোতে সেগুলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে মাইন অপসারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ওয়াশিংটন। চুক্তি কার্যকর হলে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি।
তবে চুক্তি হলেও প্রণালিটি তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি নিরাপদ হবে না। কারণ, পানির নিচে এখনো বিপুলসংখ্যক মাইন রয়ে গেছে, যেগুলো সরাতে সময় লাগবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে বাধা দেয় ইরান। জাহাজ চলাচল ঠেকাতে প্রণালির বিভিন্ন স্থানে মাইন পেতে রাখা হয়। ফলে এখনো পুরো নৌপথ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, হরমুজ থেকে মাইন অপসারণের কাজ পরে শুরু হবে। আপাতত ইরানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নৌপথের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ট্রাম্প রবিবার (১৪ জুন) চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আশাবাদী হলেও, ইরান এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ কোনো চুক্তি হচ্ছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার বিরোধিতা করে ইরানে বিক্ষোভও শুরু হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক চুক্তির মূল বিষয় হবে হরমুজ প্রণালি। অন্যান্য ইস্যু নিয়ে পরে আলোচনা হবে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করবে ইরান। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ তুলে নেবে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, দুই পদক্ষেপ একই সময়ে কার্যকর হবে। এরপর হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন সরানোর কাজ শুরু করা হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের নিচে থাকা মাইন অপসারণ সহজ কাজ নয়। স্থলভাগে পাতা মাইন তুলনামূলক সহজে শনাক্ত করা গেলেও পানির নিচের মাইন খুঁজে বের করা অনেক বেশি জটিল।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরান যে মাইনগুলো পানিতে ফেলেছিল, সেগুলোর অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে সাগরের স্রোতে সেগুলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে মাইন অপসারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার

চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালি খুলতে বড় বাধা সমুদ্রের মাইন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ওয়াশিংটন। চুক্তি কার্যকর হলে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি।
তবে চুক্তি হলেও প্রণালিটি তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি নিরাপদ হবে না। কারণ, পানির নিচে এখনো বিপুলসংখ্যক মাইন রয়ে গেছে, যেগুলো সরাতে সময় লাগবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে বাধা দেয় ইরান। জাহাজ চলাচল ঠেকাতে প্রণালির বিভিন্ন স্থানে মাইন পেতে রাখা হয়। ফলে এখনো পুরো নৌপথ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, হরমুজ থেকে মাইন অপসারণের কাজ পরে শুরু হবে। আপাতত ইরানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নৌপথের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ট্রাম্প রবিবার (১৪ জুন) চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আশাবাদী হলেও, ইরান এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ কোনো চুক্তি হচ্ছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার বিরোধিতা করে ইরানে বিক্ষোভও শুরু হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক চুক্তির মূল বিষয় হবে হরমুজ প্রণালি। অন্যান্য ইস্যু নিয়ে পরে আলোচনা হবে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করবে ইরান। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ তুলে নেবে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, দুই পদক্ষেপ একই সময়ে কার্যকর হবে। এরপর হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন সরানোর কাজ শুরু করা হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের নিচে থাকা মাইন অপসারণ সহজ কাজ নয়। স্থলভাগে পাতা মাইন তুলনামূলক সহজে শনাক্ত করা গেলেও পানির নিচের মাইন খুঁজে বের করা অনেক বেশি জটিল।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরান যে মাইনগুলো পানিতে ফেলেছিল, সেগুলোর অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে সাগরের স্রোতে সেগুলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে মাইন অপসারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার

আজই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আশা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান


