মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম: আমিনুল হক
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম: আমিনুল হক
খেলাধুলা কেবল শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করে।


আগামী অর্থবছরে দেশের ৮টি বিভাগে ১০টি ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ করা হবে বলে জানিয়ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

শনিবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি বিকেল ৫টার কিছু সময় পর। একই সঙ্গে সারাদেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা।

আবাহনী ক্লাবের ম্যানেজমেন্টকে নতুনভাবে সাজানোর মাধ্যমে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য সকল ইভেন্টে ক্লাবের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন...

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে।
খেলাধুলা কেবল শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করে।

আসিফ মাহমুদের তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হওয়া প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের কাছে জমা হয়েছে। তিনি অংশগ্রহণ করেননি, নিশ্চয়ই তদন্ত প্রতিবেদনের মধ্যে তা রয়েছে।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদেরও গুরুত্ব দিয়েছে বর্তমান সরকার। প্যারা গেমসে পদক পাওয়া ক্রীড়াবিদরাও ৩০ মার্চ পুরস্কার পাবেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, 'প্যারা গেমসে আমাদের অনেক অর্জন। তাদেরকেও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তারাও ভাতার আওতায় আসবে।'

প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আমিনুল নিজে খেলোয়াড় জীবনে ছিলেন গোলকিপার। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলকিপার বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের এই অদম্য স্পৃহা এবং লড়াকু মানসিকতায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হক।

ঢাকা-১৬ (পল্লবী ও রূপনগর) নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। জনগণের দুর্ভোগ কমানো এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে বিশেষ হটলাইন নম্বরও চালু করেছেন তিনি।

আমিনুল বলেন, ‘সাকিব-মাশরাফির বিষয় রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকবো। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব ফিরে আসুক।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন নির্বাচিত সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আমিনুল হক। পরে রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবিতে সাংবাদিক প্রবেশের বিধিনিষেধ তুলে দিতে বিসিবির সিইওকে নির্দেশনা দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

বিসিবি জানায়, ক্রীড়াঙ্গনে আমিনুল হকের নেতৃত্ব দেশের অসংখ্য সমর্থক ও তরুণ ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করবে। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক একজন অধিনায়ক এবার দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক হয়েছেন, যা দেশের ক্রীড়া অঙ্গনের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ফলাফল নিয়ে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন আমিনুল হক। কারচুপির মাধ্যমে তাকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

যদি কেউ কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে সে বিএনপির রাজনীতি করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলবে। এ ধরনের কোনো ব্যক্তিকে দলে ঠাঁই দেওয়া হবে না।

যারা রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মকে পুঁজি করে ভোট আদায়ের চেষ্টা করছে, তারা মূলত ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

এ সময় ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন আমিনুল হক।

প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতাও এই নির্বাচনী সেলের থাকবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
