বিপিএল প্রতি বছর হওয়া উচিত: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
বিপিএল প্রতি বছর হওয়া উচিত: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
এরই মধ্যে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। তবে বিপিএল না হওয়ার বিষয়টি জানতেন না যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।


জাতীয় স্টেডিয়ামের মিডিয়া বক্সের পাশের ওভারফ্লো জোন ক্রীড়া সাংবাদিকদের ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পাশাপাশি সারাদেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি খেলার মাঠ প্রস্তুত করা হবে।’

আমিনুল হক বলেন, জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিসার থাকলেও উপজেলা পর্যায়ে এতদিন এ ধরনের কোনো পদ বা প্রয়োজনীয় লোকবল ছিল না। দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিসারের পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এরই মধ্যে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। তবে বিপিএল না হওয়ার বিষয়টি জানতেন না যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

ব্রাজিল সফরের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া এবং সরকারের কাছে বাফুফের সহযোগিতার প্রত্যাশা প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিষয়টা (ব্রাজিলের ঢাকা আসার সম্ভাবনা) একদম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।

খেলোয়াড় ও সংবাদকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার বেহাল দশা তুলে ধরে তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের জন্য স্টেডিয়াম। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই। ওয়াশরুমও তাই। প্রেসবক্সের অবস্থাও যাচ্ছেতাই।

খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে নয়, পেশা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গেল বুধবার (৫ আগস্ট) দিল্লিতে হওয়া ভার্চ্যুয়াল প্রেস কনফারেন্সে ছিলেন সাকিব।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কথা বলেছেন ভারত সিরিজ নিয়ে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আগামী বছর থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে কোরআন তেলাওয়াত, সংগীত, বিতর্ক, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল ঝড়ে আক্রান্ত। দেশের প্রত্যেকটা মানুষ, বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে আমেজটা বেশি।’

আগামী অর্থবছরে দেশের ৮টি বিভাগে ১০টি ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ করা হবে বলে জানিয়ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

শনিবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি বিকেল ৫টার কিছু সময় পর। একই সঙ্গে সারাদেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা।

আবাহনী ক্লাবের ম্যানেজমেন্টকে নতুনভাবে সাজানোর মাধ্যমে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য সকল ইভেন্টে ক্লাবের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন...

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে।

খেলাধুলা কেবল শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করে।

আসিফ মাহমুদের তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হওয়া প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের কাছে জমা হয়েছে। তিনি অংশগ্রহণ করেননি, নিশ্চয়ই তদন্ত প্রতিবেদনের মধ্যে তা রয়েছে।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদেরও গুরুত্ব দিয়েছে বর্তমান সরকার। প্যারা গেমসে পদক পাওয়া ক্রীড়াবিদরাও ৩০ মার্চ পুরস্কার পাবেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, 'প্যারা গেমসে আমাদের অনেক অর্জন। তাদেরকেও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তারাও ভাতার আওতায় আসবে।'

প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আমিনুল নিজে খেলোয়াড় জীবনে ছিলেন গোলকিপার। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলকিপার বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের এই অদম্য স্পৃহা এবং লড়াকু মানসিকতায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হক।
