কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট পুনর্গণনার দাবি আমিনুলের

কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট পুনর্গণনার দাবি আমিনুলের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ফলাফল নিয়ে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন আমিনুল হক। কারচুপির মাধ্যমে তাকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্লবীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, সরকার ঢাকা শহরের আসনগুলোতে একটি নির্দিষ্ট দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তার দাবি, ঢাকা-১৬ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত ছিল।
আমিনুল হক অভিযোগ করেন, ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোটের দিন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাও ব্যালটে সিল মেরেছেন। তার ভাষ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে জামায়াতের প্রার্থী একটি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে যান। কয়েকটি কেন্দ্রে পরিকল্পিতভাবে ফলাফল ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে এবং কিছু ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষরও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
ভোটের ফল প্রভাবিত করতে সরকারি মহলের ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই প্রার্থী।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল হক ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে এ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ফলাফল নিয়ে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন আমিনুল হক। কারচুপির মাধ্যমে তাকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্লবীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, সরকার ঢাকা শহরের আসনগুলোতে একটি নির্দিষ্ট দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তার দাবি, ঢাকা-১৬ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত ছিল।
আমিনুল হক অভিযোগ করেন, ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোটের দিন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাও ব্যালটে সিল মেরেছেন। তার ভাষ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে জামায়াতের প্রার্থী একটি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে যান। কয়েকটি কেন্দ্রে পরিকল্পিতভাবে ফলাফল ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে এবং কিছু ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষরও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
ভোটের ফল প্রভাবিত করতে সরকারি মহলের ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই প্রার্থী।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল হক ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে এ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট পুনর্গণনার দাবি আমিনুলের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ফলাফল নিয়ে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন আমিনুল হক। কারচুপির মাধ্যমে তাকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্লবীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, সরকার ঢাকা শহরের আসনগুলোতে একটি নির্দিষ্ট দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তার দাবি, ঢাকা-১৬ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত ছিল।
আমিনুল হক অভিযোগ করেন, ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোটের দিন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাও ব্যালটে সিল মেরেছেন। তার ভাষ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে জামায়াতের প্রার্থী একটি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে যান। কয়েকটি কেন্দ্রে পরিকল্পিতভাবে ফলাফল ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে এবং কিছু ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষরও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
ভোটের ফল প্রভাবিত করতে সরকারি মহলের ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই প্রার্থী।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল হক ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে এ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।




