আমরাও চাই সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক: আমিনুল হক

আমরাও চাই সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক: আমিনুল হক
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দেশে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সরকার গঠন করেছে বিএনপি। আমিনুল হক নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশকে একটি সমন্বিত ক্রীড়াঙ্গন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমিনুলের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আবারো সামনে এলো সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ইস্যু।
গেল মাসে সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা জোরালো হয়। এরপর থেকে কয়েক সপ্তাহ ধরে মৃদু আলোচনা অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেখানে জানতে চাওয়া হয় সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে।
আমিনুল বলেন, ‘সাকিব-মাশরাফির বিষয় রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকবো। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব ফিরে আসুক। যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে সেটা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে যাতে সে ফিরে আসে। আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’
এদিকে গেল কয়েক মাস ধরে বিসিবিতে অস্থিরতা চলছে ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের নিয়ে। বর্তমান বোর্ডের অধীনে কোনো ধরণের ঘরোয়া লিগে অংশ নেয়নি ৪৫ ক্লাব। এ প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে আমি আগেও বলেছি, এটা প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। এটা নিয়ে আমরা বসবো, আলোচনা করবো। আমরা ভালোর দিকে যেতে চাই। দ্রুত সময়ের ভেতরে করব।’
আমিনুল আরও বলেন, ‘আমার প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের ক্রীড়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব।’
শিক্ষা ও গ্রাসরুট পর্যায়ে সংস্কারের বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করে বিকেএসপি ও বিভাগীয় কেন্দ্রগুলোতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাদের পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণের দায়িত্ব আমরা নেবো। নতুনভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেএসপি শাখা স্থাপন করাও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলতে না পারার বিষয় উল্লেখ করে আমিনুল বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার বিষয়টি কূটনৈতিক জটিলতার ফল। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি।’
প্রতিমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছেন, স্কুল পর্যায়ে পাঁচটি বাধ্যতামূলক ইভেন্ট নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্যে ক্রিকেট ও ফুটবলসহ তিনটি খেলা এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকসে ভালো করার সম্ভাবনা থাকবে।

দেশে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সরকার গঠন করেছে বিএনপি। আমিনুল হক নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশকে একটি সমন্বিত ক্রীড়াঙ্গন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমিনুলের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আবারো সামনে এলো সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ইস্যু।
গেল মাসে সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা জোরালো হয়। এরপর থেকে কয়েক সপ্তাহ ধরে মৃদু আলোচনা অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেখানে জানতে চাওয়া হয় সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে।
আমিনুল বলেন, ‘সাকিব-মাশরাফির বিষয় রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকবো। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব ফিরে আসুক। যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে সেটা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে যাতে সে ফিরে আসে। আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’
এদিকে গেল কয়েক মাস ধরে বিসিবিতে অস্থিরতা চলছে ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের নিয়ে। বর্তমান বোর্ডের অধীনে কোনো ধরণের ঘরোয়া লিগে অংশ নেয়নি ৪৫ ক্লাব। এ প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে আমি আগেও বলেছি, এটা প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। এটা নিয়ে আমরা বসবো, আলোচনা করবো। আমরা ভালোর দিকে যেতে চাই। দ্রুত সময়ের ভেতরে করব।’
আমিনুল আরও বলেন, ‘আমার প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের ক্রীড়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব।’
শিক্ষা ও গ্রাসরুট পর্যায়ে সংস্কারের বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করে বিকেএসপি ও বিভাগীয় কেন্দ্রগুলোতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাদের পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণের দায়িত্ব আমরা নেবো। নতুনভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেএসপি শাখা স্থাপন করাও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলতে না পারার বিষয় উল্লেখ করে আমিনুল বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার বিষয়টি কূটনৈতিক জটিলতার ফল। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি।’
প্রতিমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছেন, স্কুল পর্যায়ে পাঁচটি বাধ্যতামূলক ইভেন্ট নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্যে ক্রিকেট ও ফুটবলসহ তিনটি খেলা এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকসে ভালো করার সম্ভাবনা থাকবে।

আমরাও চাই সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক: আমিনুল হক
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দেশে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সরকার গঠন করেছে বিএনপি। আমিনুল হক নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশকে একটি সমন্বিত ক্রীড়াঙ্গন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমিনুলের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আবারো সামনে এলো সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ইস্যু।
গেল মাসে সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা জোরালো হয়। এরপর থেকে কয়েক সপ্তাহ ধরে মৃদু আলোচনা অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেখানে জানতে চাওয়া হয় সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে।
আমিনুল বলেন, ‘সাকিব-মাশরাফির বিষয় রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকবো। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব ফিরে আসুক। যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে সেটা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে যাতে সে ফিরে আসে। আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’
এদিকে গেল কয়েক মাস ধরে বিসিবিতে অস্থিরতা চলছে ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের নিয়ে। বর্তমান বোর্ডের অধীনে কোনো ধরণের ঘরোয়া লিগে অংশ নেয়নি ৪৫ ক্লাব। এ প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে আমি আগেও বলেছি, এটা প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। এটা নিয়ে আমরা বসবো, আলোচনা করবো। আমরা ভালোর দিকে যেতে চাই। দ্রুত সময়ের ভেতরে করব।’
আমিনুল আরও বলেন, ‘আমার প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের ক্রীড়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব।’
শিক্ষা ও গ্রাসরুট পর্যায়ে সংস্কারের বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করে বিকেএসপি ও বিভাগীয় কেন্দ্রগুলোতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাদের পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণের দায়িত্ব আমরা নেবো। নতুনভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেএসপি শাখা স্থাপন করাও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলতে না পারার বিষয় উল্লেখ করে আমিনুল বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার বিষয়টি কূটনৈতিক জটিলতার ফল। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি।’
প্রতিমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছেন, স্কুল পর্যায়ে পাঁচটি বাধ্যতামূলক ইভেন্ট নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্যে ক্রিকেট ও ফুটবলসহ তিনটি খেলা এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকসে ভালো করার সম্ভাবনা থাকবে।




