মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ
সিটিজেন ডেস্ক

মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৪৩

নাসার শক্তিশালী রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। ছবি: সংগৃহীত
আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহের সন্ধানে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ স্ক্যান করতে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উদঘাটনের জন্য নাসা একটি নতুন টেলিস্কোপ উন্মোচন করেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ম্যারিল্যান্ডের গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে এ টেলিস্কোপ উন্মোচন করা হয়। ১২ মিটার লম্বা রূপালী রঙের এ বিশালাকার যন্ত্রটিতে শক্তিশালী সোলার প্যানেল যুক্ত করা হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে একটি স্পেস-এক্স রকেটে করে এটি মহাকাশে উৎক্ষেপণের প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্মিত এ টেলিস্কোপটির নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ন্যান্সি গ্রেস রোম্যানের সম্মানে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রোমান টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে মহাবিশ্বের একটি নতুন মানচিত্র উপহার দেবে যা আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের সমাধান দেবে। হাবল টেলিস্কোপের তুলনায় এর দেখার পরিধি বা ফিল্ড অফ ভিউ অন্তত ১০০ গুণ বেশি এবং এটি প্রতিদিন প্রায় ১১ টেরাবাইট তথ্য পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে, যা হাবলের দীর্ঘ জীবনের মোট তথ্যের চেয়েও বেশি। নাসার বিজ্ঞান মিশন অধিদপ্তরের সহযোগী প্রশাসক নিকি ফক্সের মতে, রোমান টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের একটি সামগ্রিক আদমশুমারি পরিচালনা করবে, যার মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন গ্রহ, কোটি কোটি গ্যালাক্সি এবং অসংখ্য নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে।
মূলত ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি যা মহাবিশ্বের প্রায় ৯৫ শতাংশ গঠন করেছে, সেগুলোর অদৃশ্য প্রভাব বিশ্লেষণ করাই এ মিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মির সাহায্যে কোটি কোটি বছর আগের আলো পর্যবেক্ষণ করে এ টেলিস্কোপটি সময়ের অতীতে উঁকি দেবে এবং মহাজাগতিক কাঠামোর বিবর্তন পরীক্ষা করবে। এই বিপুল তথ্যভাণ্ডার পরবর্তীতে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মতো অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে আরও নিবিড়ভাবে গবেষণার সুযোগ করে দেবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, রোমান টেলিস্কোপের এ অভিযান মহাবিশ্বের গঠন সম্পর্কে আমাদের বর্তমান ধারণাকে আমূল বদলে দিতে পারে এবং এমন কিছু আবিষ্কার করতে পারে যা হয়তো এখনো মানুষের চিন্তার বাইরে।
সূত্র: আরব নিউজ

আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহের সন্ধানে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ স্ক্যান করতে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উদঘাটনের জন্য নাসা একটি নতুন টেলিস্কোপ উন্মোচন করেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ম্যারিল্যান্ডের গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে এ টেলিস্কোপ উন্মোচন করা হয়। ১২ মিটার লম্বা রূপালী রঙের এ বিশালাকার যন্ত্রটিতে শক্তিশালী সোলার প্যানেল যুক্ত করা হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে একটি স্পেস-এক্স রকেটে করে এটি মহাকাশে উৎক্ষেপণের প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্মিত এ টেলিস্কোপটির নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ন্যান্সি গ্রেস রোম্যানের সম্মানে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রোমান টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে মহাবিশ্বের একটি নতুন মানচিত্র উপহার দেবে যা আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের সমাধান দেবে। হাবল টেলিস্কোপের তুলনায় এর দেখার পরিধি বা ফিল্ড অফ ভিউ অন্তত ১০০ গুণ বেশি এবং এটি প্রতিদিন প্রায় ১১ টেরাবাইট তথ্য পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে, যা হাবলের দীর্ঘ জীবনের মোট তথ্যের চেয়েও বেশি। নাসার বিজ্ঞান মিশন অধিদপ্তরের সহযোগী প্রশাসক নিকি ফক্সের মতে, রোমান টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের একটি সামগ্রিক আদমশুমারি পরিচালনা করবে, যার মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন গ্রহ, কোটি কোটি গ্যালাক্সি এবং অসংখ্য নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে।
মূলত ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি যা মহাবিশ্বের প্রায় ৯৫ শতাংশ গঠন করেছে, সেগুলোর অদৃশ্য প্রভাব বিশ্লেষণ করাই এ মিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মির সাহায্যে কোটি কোটি বছর আগের আলো পর্যবেক্ষণ করে এ টেলিস্কোপটি সময়ের অতীতে উঁকি দেবে এবং মহাজাগতিক কাঠামোর বিবর্তন পরীক্ষা করবে। এই বিপুল তথ্যভাণ্ডার পরবর্তীতে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মতো অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে আরও নিবিড়ভাবে গবেষণার সুযোগ করে দেবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, রোমান টেলিস্কোপের এ অভিযান মহাবিশ্বের গঠন সম্পর্কে আমাদের বর্তমান ধারণাকে আমূল বদলে দিতে পারে এবং এমন কিছু আবিষ্কার করতে পারে যা হয়তো এখনো মানুষের চিন্তার বাইরে।
সূত্র: আরব নিউজ

মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৪৩

নাসার শক্তিশালী রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। ছবি: সংগৃহীত
আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহের সন্ধানে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ স্ক্যান করতে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উদঘাটনের জন্য নাসা একটি নতুন টেলিস্কোপ উন্মোচন করেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ম্যারিল্যান্ডের গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে এ টেলিস্কোপ উন্মোচন করা হয়। ১২ মিটার লম্বা রূপালী রঙের এ বিশালাকার যন্ত্রটিতে শক্তিশালী সোলার প্যানেল যুক্ত করা হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে একটি স্পেস-এক্স রকেটে করে এটি মহাকাশে উৎক্ষেপণের প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্মিত এ টেলিস্কোপটির নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ন্যান্সি গ্রেস রোম্যানের সম্মানে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রোমান টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে মহাবিশ্বের একটি নতুন মানচিত্র উপহার দেবে যা আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের সমাধান দেবে। হাবল টেলিস্কোপের তুলনায় এর দেখার পরিধি বা ফিল্ড অফ ভিউ অন্তত ১০০ গুণ বেশি এবং এটি প্রতিদিন প্রায় ১১ টেরাবাইট তথ্য পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে, যা হাবলের দীর্ঘ জীবনের মোট তথ্যের চেয়েও বেশি। নাসার বিজ্ঞান মিশন অধিদপ্তরের সহযোগী প্রশাসক নিকি ফক্সের মতে, রোমান টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের একটি সামগ্রিক আদমশুমারি পরিচালনা করবে, যার মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন গ্রহ, কোটি কোটি গ্যালাক্সি এবং অসংখ্য নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে।
মূলত ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি যা মহাবিশ্বের প্রায় ৯৫ শতাংশ গঠন করেছে, সেগুলোর অদৃশ্য প্রভাব বিশ্লেষণ করাই এ মিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মির সাহায্যে কোটি কোটি বছর আগের আলো পর্যবেক্ষণ করে এ টেলিস্কোপটি সময়ের অতীতে উঁকি দেবে এবং মহাজাগতিক কাঠামোর বিবর্তন পরীক্ষা করবে। এই বিপুল তথ্যভাণ্ডার পরবর্তীতে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মতো অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে আরও নিবিড়ভাবে গবেষণার সুযোগ করে দেবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, রোমান টেলিস্কোপের এ অভিযান মহাবিশ্বের গঠন সম্পর্কে আমাদের বর্তমান ধারণাকে আমূল বদলে দিতে পারে এবং এমন কিছু আবিষ্কার করতে পারে যা হয়তো এখনো মানুষের চিন্তার বাইরে।
সূত্র: আরব নিউজ
/এমএকে/




