বিশ্বকাপে ইরানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বকাপে ইরানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক বৈরিতার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে এসে চরম ভ্রমণ জটিলতায় পড়া ইরান ফুটবল দল অবশেষে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। দলটির ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসনের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিজেদের পরবর্তী ম্যাচের দুই দিন আগেই ভেন্যু শহর সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হলেও শিডিউলের বাইরে অতিরিক্ত সময় থাকার কোনো সুযোগ পাচ্ছে না ইরান। ডিএইচএস-এর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই তল্পিতল্পা গুটিয়ে ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। শনিবারের (২৭ জুন) ম্যাচটি খেলেই তারা মেক্সিকোর টিজুয়ানায় অবস্থিত তাদের মূল বেস ক্যাম্পে ফিরে যাবে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনও নিশ্চিত করেছে, ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে বুধবার (২৪ জুন) তারা সিয়াটলের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচে ইরান দলের যাতায়াত এবং শৃঙ্খলা কেমন থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা আমাদের আগে থেকেই ছিল। যেহেতু সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই খেলোয়াড়দের দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাদের বাড়তি একদিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চলতি বছরের মার্চ মাসেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিজেদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান। কিন্তু অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর অনুমতি মিললেও মার্কিন মুলুকে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল তাদের। দলের বেশ কয়েকজন অফিশিয়াল ও সাপোর্ট স্টাফকে তো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমিতই দেয়নি ওয়াশিংটন। লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলা প্রথম দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে ম্যাচের মাত্র একদিন আগে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছিল ইরান। টিজুয়ানা থেকে সিয়াটলের দূরত্ব প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার হওয়ায় এ দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে বাকি ৪৭টি দলের মতো সমান সুযোগ দাবি করেছিলেন দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এবং অধিনায়ক আলিরেজা জাহানবখশ।
মাঠের বাইরের এ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ইরানি ফুটবলাররা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নির্মমতাকে নীরব প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছেন। যুদ্ধের শুরুতে মিনাব নামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৬৮ জন শিক্ষার্থীর স্মরণে খেলোয়াড়রা জ্যাকেটে ১৬৮ লেখা গোল্ডেন রঙের পিন ব্যবহার করছেন। এমনকি সোফি স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিশ্বশান্তির আহ্বান জানিয়ে চিঠি রাখা এবং টিজুয়ানার অনুশীলন মাঠেও এই সংখ্যার প্রতীকী পতাকা পুঁতে রেখে তারা বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন। এদিকে ইরানের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মিসরও সিয়াটলে আগেভাগে পৌঁছানোর আবেদন জানিয়েছিল। ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারানোর পর তারা সরাসরি সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি চায় ফিফার কাছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব দেখিয়ে মিসরের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। ফলে বাধ্য হয়েই সিয়াটল থেকে ৪৫ মিনিটের দূরত্বের বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হয়েছে মোহাম্মদ সালাহর দলকে।

চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক বৈরিতার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে এসে চরম ভ্রমণ জটিলতায় পড়া ইরান ফুটবল দল অবশেষে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। দলটির ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসনের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিজেদের পরবর্তী ম্যাচের দুই দিন আগেই ভেন্যু শহর সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হলেও শিডিউলের বাইরে অতিরিক্ত সময় থাকার কোনো সুযোগ পাচ্ছে না ইরান। ডিএইচএস-এর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই তল্পিতল্পা গুটিয়ে ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। শনিবারের (২৭ জুন) ম্যাচটি খেলেই তারা মেক্সিকোর টিজুয়ানায় অবস্থিত তাদের মূল বেস ক্যাম্পে ফিরে যাবে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনও নিশ্চিত করেছে, ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে বুধবার (২৪ জুন) তারা সিয়াটলের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচে ইরান দলের যাতায়াত এবং শৃঙ্খলা কেমন থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা আমাদের আগে থেকেই ছিল। যেহেতু সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই খেলোয়াড়দের দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাদের বাড়তি একদিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চলতি বছরের মার্চ মাসেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিজেদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান। কিন্তু অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর অনুমতি মিললেও মার্কিন মুলুকে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল তাদের। দলের বেশ কয়েকজন অফিশিয়াল ও সাপোর্ট স্টাফকে তো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমিতই দেয়নি ওয়াশিংটন। লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলা প্রথম দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে ম্যাচের মাত্র একদিন আগে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছিল ইরান। টিজুয়ানা থেকে সিয়াটলের দূরত্ব প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার হওয়ায় এ দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে বাকি ৪৭টি দলের মতো সমান সুযোগ দাবি করেছিলেন দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এবং অধিনায়ক আলিরেজা জাহানবখশ।
মাঠের বাইরের এ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ইরানি ফুটবলাররা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নির্মমতাকে নীরব প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছেন। যুদ্ধের শুরুতে মিনাব নামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৬৮ জন শিক্ষার্থীর স্মরণে খেলোয়াড়রা জ্যাকেটে ১৬৮ লেখা গোল্ডেন রঙের পিন ব্যবহার করছেন। এমনকি সোফি স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিশ্বশান্তির আহ্বান জানিয়ে চিঠি রাখা এবং টিজুয়ানার অনুশীলন মাঠেও এই সংখ্যার প্রতীকী পতাকা পুঁতে রেখে তারা বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন। এদিকে ইরানের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মিসরও সিয়াটলে আগেভাগে পৌঁছানোর আবেদন জানিয়েছিল। ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারানোর পর তারা সরাসরি সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি চায় ফিফার কাছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব দেখিয়ে মিসরের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। ফলে বাধ্য হয়েই সিয়াটল থেকে ৪৫ মিনিটের দূরত্বের বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হয়েছে মোহাম্মদ সালাহর দলকে।

বিশ্বকাপে ইরানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক বৈরিতার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে এসে চরম ভ্রমণ জটিলতায় পড়া ইরান ফুটবল দল অবশেষে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। দলটির ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসনের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিজেদের পরবর্তী ম্যাচের দুই দিন আগেই ভেন্যু শহর সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হলেও শিডিউলের বাইরে অতিরিক্ত সময় থাকার কোনো সুযোগ পাচ্ছে না ইরান। ডিএইচএস-এর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই তল্পিতল্পা গুটিয়ে ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। শনিবারের (২৭ জুন) ম্যাচটি খেলেই তারা মেক্সিকোর টিজুয়ানায় অবস্থিত তাদের মূল বেস ক্যাম্পে ফিরে যাবে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনও নিশ্চিত করেছে, ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে বুধবার (২৪ জুন) তারা সিয়াটলের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ফিফা টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচে ইরান দলের যাতায়াত এবং শৃঙ্খলা কেমন থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা আমাদের আগে থেকেই ছিল। যেহেতু সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই খেলোয়াড়দের দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাদের বাড়তি একদিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চলতি বছরের মার্চ মাসেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিজেদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান। কিন্তু অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর অনুমতি মিললেও মার্কিন মুলুকে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল তাদের। দলের বেশ কয়েকজন অফিশিয়াল ও সাপোর্ট স্টাফকে তো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমিতই দেয়নি ওয়াশিংটন। লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলা প্রথম দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে ম্যাচের মাত্র একদিন আগে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছিল ইরান। টিজুয়ানা থেকে সিয়াটলের দূরত্ব প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার হওয়ায় এ দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে বাকি ৪৭টি দলের মতো সমান সুযোগ দাবি করেছিলেন দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এবং অধিনায়ক আলিরেজা জাহানবখশ।
মাঠের বাইরের এ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ইরানি ফুটবলাররা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নির্মমতাকে নীরব প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছেন। যুদ্ধের শুরুতে মিনাব নামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৬৮ জন শিক্ষার্থীর স্মরণে খেলোয়াড়রা জ্যাকেটে ১৬৮ লেখা গোল্ডেন রঙের পিন ব্যবহার করছেন। এমনকি সোফি স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে বিশ্বশান্তির আহ্বান জানিয়ে চিঠি রাখা এবং টিজুয়ানার অনুশীলন মাঠেও এই সংখ্যার প্রতীকী পতাকা পুঁতে রেখে তারা বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন। এদিকে ইরানের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মিসরও সিয়াটলে আগেভাগে পৌঁছানোর আবেদন জানিয়েছিল। ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারানোর পর তারা সরাসরি সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি চায় ফিফার কাছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব দেখিয়ে মিসরের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। ফলে বাধ্য হয়েই সিয়াটল থেকে ৪৫ মিনিটের দূরত্বের বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হয়েছে মোহাম্মদ সালাহর দলকে।

দুইটি করে ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সমীকরণ
ঘানার কালো জাদুতেই কি ইংল্যান্ডের ড্র
