ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লো ইরান

ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লো ইরান
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইউরোপীয় জায়ান্ট বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ব্যবধানে রুখে দিয়েছে ইরান। ম্যাচের পর মার্কিন ড্রেসিংরুমে এক আবেগঘন ও কৌশলগত বার্তা সম্বলিত চিঠি রেখে গেছে দলটি। কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে ম্যাচ শেষেই তড়িঘড়ি করে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার বাধ্যবাধকতার মাঝে ইরানি ফুটবলারদের এ বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনাটি ফুটবল বিশ্বে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বকাপের 'জি' গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয়েছিল ইরান। পুরো ম্যাচজুড়ে বেলজিয়াম আক্রমণাত্মক খেললেও ইরানের গোলপোস্টে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। তার পারফরম্যান্সে ম্যাচটি ০-০ গোলে ড্র হলে মূল্যবান ১ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। অবশ্য সকালে দিনের অন্য ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মিসর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠলে ইরান সাময়িকভাবে শীর্ষস্থান হারায়। রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ম্যাচ হলেও ইরান দল তাদের বেসক্যাম্প করেছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বেঁধে দেওয়া কঠোর নিয়মের কারণে ম্যাচের আগের দিন ভেন্যু শহরে পৌঁছানো এবং খেলা শেষ হতেই তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্ত পার হতে হচ্ছে।
দেশ ছাড়ার আগে সোফি স্টেডিয়ামের লকার রুমে একটি হাতে লেখা চিঠি রেখে যায় ইরানি দল, যার ছবি পরে প্রকাশ করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। চিঠিতে লস অ্যাঞ্জেলেসের আতিথেয়তার প্রশংসা করে তারা লেখে, প্রাচীন পারস্য থেকে আজকের সভ্য ইরান পর্যন্ত তাদের জাতীয় চেতনা অটল রয়েছে। তারা গর্ব নিয়ে এসেছিল এবং মর্যাদা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। ১৮০ মিনিট ধরে গ্যালারি মাতানো সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশ্ব শান্তির আহ্বান জানানো হলেও, চিঠির শেষে লাল কালিতে লেখা ‘৭৬৮’ এবং ‘মিনাব’ শব্দ দুটি গভীর রাজনৈতিক প্রতিবাদের জানান দেয়। মিনাব শহরের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় প্রায় ১৭০ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছিল, চিঠিতে মূলত সেই ট্র্যাজেডিকেই স্মরণ করা হয়েছে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ড্রেসিংরুমের এ নীরব প্রতিবাদ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মনস্তাত্ত্বিক বৈরিতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইউরোপীয় জায়ান্ট বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ব্যবধানে রুখে দিয়েছে ইরান। ম্যাচের পর মার্কিন ড্রেসিংরুমে এক আবেগঘন ও কৌশলগত বার্তা সম্বলিত চিঠি রেখে গেছে দলটি। কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে ম্যাচ শেষেই তড়িঘড়ি করে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার বাধ্যবাধকতার মাঝে ইরানি ফুটবলারদের এ বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনাটি ফুটবল বিশ্বে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বকাপের 'জি' গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয়েছিল ইরান। পুরো ম্যাচজুড়ে বেলজিয়াম আক্রমণাত্মক খেললেও ইরানের গোলপোস্টে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। তার পারফরম্যান্সে ম্যাচটি ০-০ গোলে ড্র হলে মূল্যবান ১ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। অবশ্য সকালে দিনের অন্য ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মিসর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠলে ইরান সাময়িকভাবে শীর্ষস্থান হারায়। রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ম্যাচ হলেও ইরান দল তাদের বেসক্যাম্প করেছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বেঁধে দেওয়া কঠোর নিয়মের কারণে ম্যাচের আগের দিন ভেন্যু শহরে পৌঁছানো এবং খেলা শেষ হতেই তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্ত পার হতে হচ্ছে।
দেশ ছাড়ার আগে সোফি স্টেডিয়ামের লকার রুমে একটি হাতে লেখা চিঠি রেখে যায় ইরানি দল, যার ছবি পরে প্রকাশ করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। চিঠিতে লস অ্যাঞ্জেলেসের আতিথেয়তার প্রশংসা করে তারা লেখে, প্রাচীন পারস্য থেকে আজকের সভ্য ইরান পর্যন্ত তাদের জাতীয় চেতনা অটল রয়েছে। তারা গর্ব নিয়ে এসেছিল এবং মর্যাদা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। ১৮০ মিনিট ধরে গ্যালারি মাতানো সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশ্ব শান্তির আহ্বান জানানো হলেও, চিঠির শেষে লাল কালিতে লেখা ‘৭৬৮’ এবং ‘মিনাব’ শব্দ দুটি গভীর রাজনৈতিক প্রতিবাদের জানান দেয়। মিনাব শহরের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় প্রায় ১৭০ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছিল, চিঠিতে মূলত সেই ট্র্যাজেডিকেই স্মরণ করা হয়েছে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ড্রেসিংরুমের এ নীরব প্রতিবাদ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মনস্তাত্ত্বিক বৈরিতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লো ইরান
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইউরোপীয় জায়ান্ট বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ব্যবধানে রুখে দিয়েছে ইরান। ম্যাচের পর মার্কিন ড্রেসিংরুমে এক আবেগঘন ও কৌশলগত বার্তা সম্বলিত চিঠি রেখে গেছে দলটি। কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে ম্যাচ শেষেই তড়িঘড়ি করে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার বাধ্যবাধকতার মাঝে ইরানি ফুটবলারদের এ বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনাটি ফুটবল বিশ্বে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বকাপের 'জি' গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয়েছিল ইরান। পুরো ম্যাচজুড়ে বেলজিয়াম আক্রমণাত্মক খেললেও ইরানের গোলপোস্টে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। তার পারফরম্যান্সে ম্যাচটি ০-০ গোলে ড্র হলে মূল্যবান ১ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। অবশ্য সকালে দিনের অন্য ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মিসর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠলে ইরান সাময়িকভাবে শীর্ষস্থান হারায়। রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ম্যাচ হলেও ইরান দল তাদের বেসক্যাম্প করেছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বেঁধে দেওয়া কঠোর নিয়মের কারণে ম্যাচের আগের দিন ভেন্যু শহরে পৌঁছানো এবং খেলা শেষ হতেই তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্ত পার হতে হচ্ছে।
দেশ ছাড়ার আগে সোফি স্টেডিয়ামের লকার রুমে একটি হাতে লেখা চিঠি রেখে যায় ইরানি দল, যার ছবি পরে প্রকাশ করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। চিঠিতে লস অ্যাঞ্জেলেসের আতিথেয়তার প্রশংসা করে তারা লেখে, প্রাচীন পারস্য থেকে আজকের সভ্য ইরান পর্যন্ত তাদের জাতীয় চেতনা অটল রয়েছে। তারা গর্ব নিয়ে এসেছিল এবং মর্যাদা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। ১৮০ মিনিট ধরে গ্যালারি মাতানো সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশ্ব শান্তির আহ্বান জানানো হলেও, চিঠির শেষে লাল কালিতে লেখা ‘৭৬৮’ এবং ‘মিনাব’ শব্দ দুটি গভীর রাজনৈতিক প্রতিবাদের জানান দেয়। মিনাব শহরের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় প্রায় ১৭০ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছিল, চিঠিতে মূলত সেই ট্র্যাজেডিকেই স্মরণ করা হয়েছে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ড্রেসিংরুমের এ নীরব প্রতিবাদ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মনস্তাত্ত্বিক বৈরিতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

গোলকিপারের বীরত্বে বেলজিয়ামকে রুখে দিলো ইরান


